কাক ডাকা ভোর। আলো পুরোপুরি ফোঁটে নাই এখনও। একটা দু'টা রিকসা চলছে রাস্তায়। মাঝে মধ্যে হুস্ করে গাড়ি ছুটে যাচ্ছে। টুকরি নিয়ে সাজু দ্রুত পায়ে হেটে চলেছে সাজু। গন্তব্য কারওয়ান বাজার। কঠিন একটি দিনের শুরু, প্রতিদিনের মতো ক্রেতাদের বাজার সদাই টুকরিতে বহন করেই তার দিনটা যাবে। কিন্তু তার মতো টুকরিওয়ালা মেলা। ক্রেতা পেতে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। কাজ শেষে বঞ্চনাতো আছেই। সাজুর মনে পড়ে যায় ওই দিনের কথা। ভারি টু
মনের আনন্দে গাইছে শিশুটি, আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি, তুমি এই অপরূপ রূপের বাহির হলে জননী...
প্রিয় গানটি শুনে হঠাৎ আমার চোখ দুটো ভিজে ওঠে। জন্মান্ধ এই শিশুটি কোনোদিন অপরূপ জননী আর রূপসী বাংলাদেশের রূপ দেখতে পায় নি চোখ মেলে!
সাবরিনা সুলতানা
"বেজে উঠো - ফড়িঙের রঙে, দোয়েলের জীবনে...দুর্জয় তারুণ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধে" এই স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছিলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন। গত ১২, ১৩, ১৪ই মে’১১ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সাথে নিয়ে জমজমাট এক তারুণ্য উৎসবের আয়োজন করেছিলো চুয়েট ডিবেটিং সোসাইটি। জীবনে কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনা মাড়ানো হবে ভাবিনি। নিতান্ত কাকতালীয় ভাবেই সেদিন চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তারুণ্যের এই উৎসবে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়ে গেলাম আমি।
এই এলাকায় নুতন বাড়ী কিনে গৃহ প্রবেশের পরের সপ্তাহেই দশ বছরের পুত্র এসে জানালো আগামী কাল তার ‘জব ইন্টারভিউ’। পরের দিন সকালে ঢ্যাংগা মতন একজন রাশান ভদ্রলোক এলেন আমাদের বাসায়। ফ্লায়ার ফোর্সের এরিয়া ম্যানেজার। এখানকার প্রায় প্রতিটি দোকানেই প্রতি সপ্তাহেই কিছু কিছু জিনিসের দাম কমিয়ে ব্যাবসা করার এদেশি নিয়ম। যে যে জিনিসের দাম কমলো, তার ছবিসহ নুতন দামের লিস্ট চমৎকার রঙ্গীন পেপারে ছাপিয়ে মানুষের বাড়ীতে বা
[justify]জুতা নাই? তো কী হয়েছে? পা তো আছে? জুতা না থাকলে পা নাই এমন কাউকে দেখে বুঝে নিতে হয় যে আসলে ভালোই আছি। কিন্তু যার পা নাই, তার কী হবে? তাকে নিশ্চয়ই ক্রসফায়ার হয়েছে এমন কাউকে দেখে বুঝে নিতে হয় যে - জান তো আর যায় নাই! আর যার ক্রসফায়ার হয়েছে? তার জন্যে কিছু নাই। কিছুর দরকারও নাই। সে তো আর ভুত হয়ে জ্বালাতে আসে না যে তাকে প্রবোধ দিয়ে কিছু একটা বলতে হবে। বহু মানুষ নির্বিচারে ক্রসফায়ার হয়েছে। লিমনের পা গেছে। আর আমাদের হয়তো জুতা আছে বা নাই। যার পা নাই বা যার জান নাই, তাকে দেখে আমরা প্রতি মুহূর্তে এটাই বুঝতে শিখেছি যে, বেশ তো, ভালোই আছি!
[justify]বিচার মানে কী? আমার চোখের সামনে সাক্ষাৎ যে খুনিকে খুন করতে দেখলাম, তাকে পিটিয়ে মারতে পারলেই কি বিচার? না কি পিটিয়ে ছেড়ে দিলে তখন গিয়ে বিচার? না কি কান ধরে ঘুরপাক খাওনো? বা পা কেটে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা? নাকি পুলিশকে দিয়ে পিটাতে থাকা? বা র্যাবকে দিয়ে পঙ্গু কিংবা ক্রসফায়ার করে দেয়া? না কি বিচার মানে এটাই যে আদালতের সামনে সাব্যস্ত হবে সে দোষী!
উনিশ শতকেই প্রচুর ভারতীয় সাগর পারি দিয়ে পশ্চিমে আসে উচ্চশিক্ষার জন্য। দেশ স্বাধীন হবার পরে মানুষ আরো বেশি আসতে থাকে উচ্চতর শিক্ষার জন্য। মেধায় মননে এরা দুধের সরের মত। গ্রামে মাটির হাড়িতে দুধ জ্বাল দিলেও ঘন সর উপরে জমে, শহরে ধাতব পাত্রে জ্বাল দিলেও স্বরটা উপরেই জমা হয়!
বিদেশেই জন্ম, শিক্ষিত, এক প্রজন্ম বিদেশেই বিয়ের বন্দোবস্ত কি ভাবে করছেন তারা, তাদের প্রবাসী পিতামাতা, বন্ধু বান্ধব? কিভাবে বর কনে পরিচিত হচ্ছে, বাকদান, ঘটকালি, বিয়ে দেশের মতই কি সেসব অনুসঠান?
[justify]পার্থক্য বড় ঝামেলার বস্তু। বিশেষ করে যেইসব লোকজন দশজনের ঠিকাদারী নিয়ে রাখেন, যেমন, রাষ্ট্র, হুজুর, বহুজাতিক কর্পোরেট কিংবা পাড়ার ষণ্ডা। তাদের জন্মশত্রু হলো পার্থক্য। মানুষে মানুষে পার্থক্য। মতে মতে পার্থক্য। ধর্মে ধর্মে পার্থক্য। জাতে জাতে পার্থক্য। ফলে ঠিকাদারেরা সাধারণত মানুষরে বুঝায়, পার্থক্য বলে কিছুই নাই। খালি মিল আছে। সব রঙ একরকম। সব কিছু মিলমিশের মধ্যে আছে। বা মিলমিশ হওয়ারই খাল