ব্যানার: মুস্তাফিজুর রহমান
নীড়পাতা | সন্দেশ | লিংকস | আড্ডাঘর

Primary Links:

‹ পুরোনো ব্লগসব ব্লগনতুন ব্লগ ›

সচলা নারী


লিখেছেন তানবীরা (তারিখ: শনি, ২০০৮-০৫-১০ ০৪:০৮)
ক্যাটেগরী: | |

সচলা নারী

আমরা বাঙ্গালীরা হুজুগে জাতি, এক এক সময় এক এক ট্রেন্ড নিয়ে আমরা মেতে উঠি। এখন যেমন নেট এ লেখা পড়া করে এমন ব্যাক্তিরা মেতে উঠেছেন “সচলায়তন” সাইটটি নিয়ে। ইদানীং প্রায়শই বন্ধুদের কাছ থেকে একটা মেল আসে সচলায়তনে পোষ্ট করা তার লেখার লিঙ্ক সম্বলিত। লেখার সাথে থাকে জ্ঞানী - গুনীদের সুচিন্তিত চিন্তা ভাবনা। লেখা পড়েছি, ভালো হয়েছে এই রিপ্লাই এর পরের ধাপ হলো, তোর মন্তব্য দে। আমি আলসী আবার লিখবো সেই অলসতায় নানা তাল বাহানায় অনেকদিনই মন্তব্য দেয়া থেকে এড়িয়ে গেছি। কিন্তু একদিন লোভ সামলাতে না পেরে লিখতে গেলাম দেখি নীচে যদিও লেখা আছে “আপনার মন্তব্য” কিন্তু লিখে আর পোষ্ট করতে পারছি না। তখন বন্ধুকে বললাম এতো কিছু ফিল আপ করতে হবে নাকিরে তোর লেখার মন্তব্য করার জন্য। বেচারা বন্ধুকে আমাকে ছাড়তেও চায় না, তার বহু দিনের গুতানো, তুই সচলে আয় সেখানে তোর লেখার অনেক রেসপন্স পাবি। যদিও আমি খুবই প্রাচীন ধারনায় এখনও বিশ্বাস করি, “কর্ম করে যাও, ফলের আশা করো না, যা আসার তা মাপ মতো এবং সময়ে অবশ্যই আসবে।“ আমি সচল - অচল নিয়ে খুব ব্যাস্ত ছিলাম না। ভেবেছি প্রকৃত লেখা যদি লিখতে পারি সেটা সচলে যাক কিংবা অচলে যাক, প্রকৃত পাঠক লেখা ঠিকই খুজ়ে পড়ে নেবেন, যেমন আমি নিজে খুজে খুজে পড়ি। যার যার “প্রেষনা”ই তাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াবে তার আগ্রহের দিকে। কিন্তু বন্ধু নাছোড়বান্দা সে আমার সচল করে ছাড়বেই। ইদানীং এর আর এক নতুন যন্ত্রনা ফেসবুকের চ্যাটিং এ বসে সে আমাকে অন্ধের মতো শিখিয়ে দিলো গেষ্ট হয়ে ঢুকে মন্তব্য করার জন্য। লাঞ্চ আওয়ার গেলো এই ভেজালে। তারপর বিকেলে বসে বসে প্রথমবারের মতো নিজ থেকে সচল খুলে অন্যদের লেখা পড়লাম। কিন্তু যেটাতেই মতামত দিতে চাই সেটাতেই লগ ইনের ভেজাল। তারপর কাউকে যদি মেল দিলাম তোমার লেখা পড়েছি, মন্তব্য করেছি, দশ মিনিট পর রিপ্লাই আসে কোথায় ? তোমার নিজের নাম কোথায় ? নিজের নাম দাও বা দে নীচে।

অন্তর্জালের বহু ভেজাল চার দিন পর পর সহ্য করতে হয়। কয়েকটা নমুনা, তুই এখনও ইয়াহু ব্যবহার করিস? জিমেল নাই, ক্ষ্যাত কোথাকারের। এখনো ইয়াহু ?? স্কাইপে নাই, ক্ষ্যাত। এখনো বর্নসফট, ইউনিকোড করিস না জংগল, ফেসবুকে আসিস না কেনো? সারাক্ষন অফিস - বাসা ও জীবনের অন্যান্য বাস্তব দিক নিয়ে এতো ব্যাস্ত যায় যে নিজেকে নিজে প্রমিস করেছি যেভাবেই হোক নিজেকে কিছুটা সময় দিব, ভালো বই পড়ব, না হোক অন্তত বই বুকে নিয়ে ঘুমাবো কিন্তু স্কাইপে, ফেসবুক, অর্কুটে কুট কুট বাদ। কিন্তু আমার সর্বদাই বজ্র আটুনি ফস্কা গেরো। যতো প্রলোভনই থাকুক সচল -অচল কিছুতেই আর না। তারপর আবার ভাবলাম নিয়মিত যেহেতু আসব - যাব, একটা ঠিকানা করেই রাখি, ভেবে নিজের একটা একাউন্ট বানাতে গেলাম। ভাবলাম বন্ধুদেরকে চমকে দিবো, যা তোদের সচলায়তনে নাম লিখিয়েছি। কিন্তু নাম লেখানোর পর যে অটো রিপ্লাই আসলো সেটা হলো আমার সচলের টার্নিং পয়েন্ট। রিপ্লাই এলো এধরনের কিছু (হুবহু মনে নেই) একাউন্ট বানাইছ, ভালো কথা থাকলো, তোমার নাম - ঠিকানা, তোমার কার্যকলাপ বাংলাদেশের বর্তমান তত্বাবধায়ক সরকারের জলপাই বাহিনীর লোকেদের মতো এক বাহিনীর লোকেরা নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখবে, তারা যদি তোমাকে যোগ্য মনে করে, তুমি গ্রীন নইলে রেড এ আছো, রেডই থাকবা। অবশ্য ক্ষমতায় আসা এত্তো সোজা না সেটা আমিও জানি। চোরা বাবর থেকে খাম্বা মামুন বহু গ্যাস পুড়াইয়ায় বেলুন উড়াইছিল। যাহা বলিব সত্য বলিব, সত্য বই মিথ্যা বলিব না। আমি থ্রিল্ড ফীল করলাম এই ম্যাসেজে, চ্যালেঞ্জটা বড় ভালো লাগল। অন্যদের কথা জানি না তবে আমি আমার কথা বলতে পারব এই চ্যালেঞ্জ না থাকলে আমার জন্য সচলায়তন এতো আগ্রহের কারন হতো না।
যতই মুক্তমনা হই, হাজার হোক মুসলমানের ঘরে জন্মতো। নিষিদ্ধ জানা মাত্র গন্ধম নিয়া ব্যস্ত। সেই প্রথম সচলকে উলটে - পালটে ধরলাম - পড়লাম। দেখলাম আগে যদি পোষ্টগুলো পড়ার সাথে সাথে ডানে - বায়ে দেখতাম তাহলে দেখতাম বা দিকে বড় বড় করে এই কথাগুলোই লেখা আছে। যাহোক বেটার লেট দ্যান নেভার। কিন্তু মনে মনে একটু আফসোস হলো, এ্যাকাউন্টটা নিয়ে। এই ঘরে বসবাস করবো জানলে আরেকটু দরদ দিয়ে এ্যাকাউন্টটা বানাতাম। আমিতো বিডি নিউজ পড়ার জন্য কিংবা রিয়াল প্লেয়ার ডাউন লোড করার জন্য যেমন এ্যাকাউন্ট বানাতে হয় সেই দৃষ্টিকোন থেকে তখন টাইপ করে গেছলাম। হয়তো তানবীরা তালুকদার পুরো নামের বদলে অধের্কটা দিতাম। কিংবা “সুরঞ্জনা বা বনলতা” টাইপ একটা নাম নিতাম। নিজের পুরো নাম শুনলে নিজের কাছেই নিজেরে খালাম্মা খালাম্মা লাগে, অন্যদের কি অবস্থা কে জানে। যাহোক কোনদিন যদি পুলসিরাত পার হই মানে সচল হই তাহলে এ্যাকাউন্টকে মডিফাই করা যায় কি না দেখবো নে। পরের চিন্তা পরে।

এ্যাকাউন্ট বানানোর উত্তেজনা সামলাতে না পেরে সন্ধ্যায় বরকে বললাম সচলায়তনের কথা। বর যে লুক দিলো তার মানে হলো প্রথমে পেল টক, এরপর মুক্তমনা এখন হয়তো পরবে সচল নিয়া, নতুন আমদানী। তবে পরের লুকটা বেটার ছিল, যদি আমার বুঝার ভুল না হয়ে থাকে তাহলে সে লুকের মানে হলো, ভালোই হলো, সচল হোক আর জংগলই হোক, আমাকে বিরক্ত না করলেই হলো, নিজের কিছু নিয়ে ব্যাস্ত থাকুক। মেয়েকে আর বললাম না, কারনতো জানিই। মেয়েকে পড়াতে বসলে কিংবা কিছুতে নিয়ে বসা মাত্র মেয়ে বলে উঠে আজকাল মা যাওতো, তুমি একটু কম্পিউটার করো। এরমানে হলো তুমি তোমার কাজ করো, আমি আমারটা।

যাক এবার ধানটাই বানি, শীবের গীত বহুত হইল। আজকাল সচলে খাচ্ছে নেট টাইমের বেশীটা। একজন বলল যখনই জিটকে আসি তখনই অন - লাইন, ব্যাপার কি তোর? চাকরী আছেতো তোর নাকি বিদায়। আমি আস্তে করে ইনভিজিবল ষ্ট্যাটাস নিয়ে নিলাম। আর মনে মনে ভাবলাম চাকরী আর কয়দিন থাকে কে জানে? এতোদিন যা করি নাই, সচলের কল্যানে তাও করলাম। সচলের অভ্র লিঙ্ক থেকে বাংলা লিখতে গেলে, বানান ঠিক রাখতে পারি না বিধায় অফিস নেটওয়ার্কের ল্যাপটপে অভ্র ডাউনলোড করেছি!!! বিপদ সঙ্কেত ঘুরছে। সিষ্টেম এ্যাডমিন যতোদিন টের না পায় আর কি।

কয়েকদিনে মনে হয় সচল পলিটিক্সও কিছুটা আয়ত্বে আসল। মানুষ দলবদ্ধ প্রানী, সৃষ্টির আদিকাল থেকেই দল বেধে চলে এসেছে বলে, সমাজ, বিয়ে, বাচ্চা, নাতি - পুতি তথা গুষ্টির সৃষ্টি। স্কুলে থাকতে দল ছিল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, আবৃত্তি, নাচের ক্লাশ কোথাও এর ব্যাতিক্রম দেখি নেই মায় বিদেশের মাটিতে বিদেশীদের মধ্যেও। সচলও তাই। বন্ধুরা লেখেন, বন্ধুরা মন্তব্য করেন, জমজমাট অবস্থা। দোষের কিছুই না। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে লেখা পড়ার চেয়েও মন্তব্যগুলো বেশী আগ্রহ নিয়ে পড়ি। “প্রত্যুৎপন্নমতিতা” কাকে বলে। মুহুর্তের মধ্যে ঝাসা ঝাসা মন্তব্যে ঠাসা হয়ে যায়। মাঝে মাঝে আমি এতো দ্রুত মূল লেখাটি পড়ি যে যখন উদ্বৃত সহকারে মন্তব্য করে কেউ আমি আবার মূল লেখায় ফিরে যাই, ওটা কোথায় ছিল দেখতে। কিন্তু লক্ষ্যনীয় ব্যাপার হলো গ্রুপ শুধু ছেলেদের। লেখা পচানব্বই ভাগ ছেলেদের। এটার কারনটা কি? নেটে বাংগালী মেয়েদের কি এত্তোই অভাব ? মনেতো হয় না। অন্য সাইট গুলোতে তো বেশ মেয়েরা লিখছেন। যেকোন চ্যাটিং রুমে লগ ইন করলে দেখা যায় মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে (কল্পনায় দেখা) কিন্তু বাস্তবে শোনা যায় রবীন্দ্র সংগীত গাইছেন, সখী ভাবনা কাহারে বলে ......। নাকি সচলের মডারেটরা নারী বিদ্বেষী মনোভাব পোষন করেন? বেশী মেয়েদের সচল করতে চান না। তাহলে বলি একটা গন্ধম খাইয়ে যারা এতো বড়ো দুনিয়ার সৃষ্টি করতে পারে, তাদেরকে অগ্রাহ্য করবেন না, প্লীজ। অবশ্য এটাও হয়তো হতে পারে সচল হওয়ার জন্য মেয়েরাই ধের্য্য রাখতে পারেন না। কারন যাই হোক সচলে এই অবস্থার উন্নতি দেখতে চাই। বাংলাদেশতো বাংলাদেশ স্বয়ং এ্যামেরিকা চলে যাচ্ছে নারীর ক্ষমতার অধিকারে আর সচলে মেয়ে লেখিকা নেই বলতে গেলে !!! নাম থেকে আমি মাত্র দুজন কিংবা তিনজনকে সচল অবস্থায় উদ্ধার করতে পেরেছি। ছদ্মনামে থাকলে জানি না, আবার অনেক নাম থেকে বুঝতেও পারিনি। যেমন “নিঝুম”, ছেলে মেয়ে দুইই হতে পারে। আমাকে নারীবাদী ভাববেন না কেউ দয়া করে। আমি মানুষবাদী। কিন্তু সমতায় বিশ্বাসী, এই যা।

অনেক অনেকদিন পর আজকে কড়কড়ে লিখে, সাথে সাথে মচমচে একটা লেখা পোষ্ট করলাম, ধন্যবাদ সব সচল বন্ধুদেরকে যারা এই লেখার জন্য প্রেরনা জুগিয়েছো গত কদিন ধরে। অবশ্য জানি না এ লেখা আলোর মুখ দেখবে কিনা, নাকি মডরা বাংগালী কায়দায় সাইজ করে ফেলে দিবেন। তবুও এ রিস্ক নিলাম। সচলে একজন অবশ্য একটি কথাকে তার কপি রাইট হিসেবে ব্যবহার করছেন, আমি তার কপিরাইট মেনে নিয়েই কথাটি লিখে লেখাটি মডদের হাতে সমর্পন করছি ......... “ইয়া হাবিবি” ।

তানবীরা তালুকদার
০৯.০৫.০৮


গড় রেটিং
( ভোট)
লিখেছেন তানবীরা (তারিখ: শনি, ২০০৮-০৫-১০ ০৪:০৮)
উদ্ধৃতি | তানবীরা এর ব্লগ | ৭৪টি মন্তব্য | ৪৭৬বার পঠিত

Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, তানবীরা. Sachalayatan.com can not be held responsible.

দ্রোহী এর ছবি
১ | দ্রোহী | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ০৬:৩৩

নিঝুমকে মেয়ে বলেছেন? আপনাকে পিটাবে ! হাসি
সচলত্বপ্রাপ্তির জন্য অভিনন্দন।


কি মাঝি? ডরাইলা?


তানবীরা এর ছবি
১.১ | তানবীরা | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১৯:৪৩

আমি কিন্তু মেয়ে বলিনি, আমার অনুমান এর কথা বলেছি, ছেলে বা মেয়ে উভয়ই হতে পারে।

তানবীরা

চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে


রেনেট এর ছবি
২ | রেনেট | রবি, ২০০৮-০৫-১১ ০২:০৭

সচলায়তনে স্বাগতম। আপনার লেখা আজ প্রথম পড়লাম, আগে পড়া হয়নি। বেশ ভালো লিখেন আপনি।
নিঝুম আমার স্কুল জীবনের বন্ধু। ওকে মেয়ে ভাবায় আমি যার পর নাই খুশি হইলাম। হো হো হো
-----------------------------------------------------
We cannot change the cards we are dealt, just how we play the hand.


নিঝুম এর ছবি
২.১ | নিঝুম | রবি, ২০০৮-০৫-১১ ১৮:২৮

এই যে বন্ধু...এত খুশি হইয়েন না...সামনে না পরীক্ষা!!!
---------------------------------------------------------
শেষ কথা যা হোলো না...বুঝে নিও নিছক কল্পনা...


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৩ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ০৬:৩৭

সচলায়তনে স্বাগতম হাসি

এই স্টাইলেই লিখতে থাকেন ... মজা লাগে পড়তে ...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


তানবীরা এর ছবি
৩.১ | তানবীরা | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১৯:৫১

ধন্যবাদ, আমারও মজা লাগে এভাবেই লিখতে।

তানবীরা

চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে


সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি
৪ | সংসারে এক সন্ন্যাসী | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ০৭:১৮

‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍সচলায়তনে স্বাগতম।

আমার তো মনে হয়, মডুদের নারীবিদ্বেষ নয়, নারীপ্রীতি আছে পুরোদস্তুর হাসি

পুনশ্চ. সচলায়তনকে হুজুগ বলাটা কি ঠিক হলো? এক বছর পার হয়ে আসা সচলায়তনের সঙ্গে অনেকেই শুরু থেকে জড়িত। এখনও নিয়মিত লিখছেন, মন্তব্য করছেন। আমার সচলত্ব প্রায় আট মাসের। হুজুগ কি এতো দীর্ঘস্থায়ী হয়?

নাকি আমি আপনার কথার সুরটি ধরতে পারিনি?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব দেবো। কিন্তু কী পাবো তার বদলে? চিন্তিত


তানবীরা এর ছবি
৪.১ | তানবীরা | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১৯:৫০

বিনয়ের সাথে বলছি, আমার লেখাটার সুর হয়তো কেউ কেউ সঠিক স্কেল থেকে ধরতে পারেননি। একটি ওয়েবসাইট যখন এতো দ্রুত এতো জনপ্রিয়তা পায় তখন শুধু হুজুগতো হতে পারে না, নিষ্ঠা অবশ্যই আছে এর মধ্যে। কিন্তু সব সচল যেমন হুজুগে নয় তেমনি সব সচল আবার নিষ্ঠাবানও নয়। আর তাছাড়া জীবনের অনেক ফেজ থাকে। এখন অনেকেই পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত আছে বলে যতোটা সময় আর নিষ্ঠা সচলায়তনকে উপহার দিতে পারছে। কর্মজীবনে প্রবেশ করলে অনেক সময় ইচ্ছে থাকলে এবং আন্তরিকতা থাকলেও তা সম্ভব হয়ে উঠে না।

ধন্যবাদ।

তানবীরা

চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে


অতিথি লেখক এর ছবি
৫ | অতিথি লেখক | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ০৬:৫০

সচলায়তনে স্বাগতম! দোয়া রাইখেন আমি যাতে সচল হইতে পারি মন খারাপ

ফেরারী ফেরদৌস


১০

অতিথি লেখক এর ছবি
৫.১ | অতিথি লেখক | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১৬:৪৬

আমিও সাথে আছি। আল্লাহুম্মা আমীন!

সৈয়দ আখতারুজ্জামান


১১

তানবীরা এর ছবি
৫.২ | তানবীরা | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১৯:৫৪

ফীআমানিল্লাহ।

কিন্তু আপনাকে চুপি চুপি বলে রাখি আমি কিন্তু সচল না। আমিও হুমায়ূন আহমেদের "ইরিনা" বইয়ের মতো ফেজ টুতে আছি। হয়তো সচল হবো, হয়তো না। কিন্তু জীবন বয়ে যাবে, আটকাবে না।

তানবীরা

চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে


১২

অতিথি লেখক এর ছবি
৫.২.১ | অতিথি লেখক | রবি, ২০০৮-০৫-১১ ০০:১১

তাই নাকি, কয় কী? তবে শেষ লাইনটা দারুণ লিখছেন। তালি!

সৈয়দ আখতারুজ্জামান


১৩

থার্ড আই এর ছবি
৬ | থার্ড আই | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ০৭:০৭

স্বাগতম । এই বার আপনার বরকেও এই থেরাপিতে সচল করে দিন....তার পর মেয়েকে....একে একে গড়ে উঠুক একটা সচল পরিবার।
---------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে


১৪

ধুসর গোধূলি এর ছবি
৭ | ধুসর গোধূলি | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ০৭:২৩

উদ্ধৃতি
কিন্তু সমতায় বিশ্বাসী, এই যা।

সমতা না জনাবা, বলেন ন্যায্যতা। নাইলে কৈলাম হুজুররা... বায়তুল মোকাররামের কোণায়... হে হে হে।

তয় লেখা কুড়মুড়া হইছে।
ইয়া হাবিবি চলুক
___________
<সযতনে বেখেয়াল>


১৫

তানবীরা এর ছবি
৭.১ | তানবীরা | রবি, ২০০৮-০৫-১১ ০১:২৮

ইয়ে, হুজুররাও কি আজকাল সচল ফলো করছে নাকি? তাহলে বাবা ছেড়ে দেন, কেদে বাচি ।।।।।।।

তানবীরা

চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে


১৬

বিপ্রতীপ এর ছবি
৮ | বিপ্রতীপ | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ০৯:৪৭

অভিনন্দন...সচল থাকুন সবসময় হাসি
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বিপ্রতীপ ব্লগ | ফেসবুক | আমাদের প্রযুক্তি


১৭

আকতার আহমেদ এর ছবি
৯ | আকতার আহমেদ | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১০:৫৫

অভিনন্দন তানবীরা ...
সচল থাইকেন
সচল রাইখেন


১৮

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি
১০ | ইশতিয়াক রউফ | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১০:৫৫

নিঝুম একজন নারী। বিখ্যাত ব্যাক্তি দেখলেই জড়িয়ে ধরা তাহার বিশেষ প্রিয় কাজ। এ'কারণে নিঝুম সকলের অত্যন্ত আদরের ব্লগার। চোখ টিপি

নারীবিদ্বেষ? সচলের ৯৫% পুরুষ ব্লগারের ভেতরে মনে হয় ৭৫%ই অবিবাহিত। বাকিটা নাহয় দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে বুঝে নিন। এরই মধ্যে যে কেউ আপনার অবিবাহিতা ছোট বোন আছে কিনা জিজ্ঞেস করে বসেনি, এটাই আশ্চর্যের ব্যাপার। (আছে নাকি, বাই দ্য ওয়ে? খাইছে)

আর মডু/টেকিরা সবাই আল্লাহর সব রকম সৃষ্টির বিশেষ অনুরাগী। হয়তো একারণেই মডু/টেকিরা সস্ত্রীক সচল! চোখ টিপি

আপনার ঝরঝরে লেখা পড়ে বেশ ভাল লাগলো। আরো পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম। সচলায়তন আসলেই বিশাল একটি পরিবার। কোনদিন দেখা-সাক্ষাৎ না হওয়া কেউ যে এতটা আপন হতে পারে, সেটা সচলায়তনে না আসলে বোঝা যেত না।


১৯

তানবীরা এর ছবি
১০.১ | তানবীরা | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১৯:৫৯

ইশতিয়াক, আমি কিন্তু কোথাও আমার মতামত দেই নি নারী বিদ্বেষী বলে । আমি শুধু কি কি কারন হতে পারে তার উল্লেখ করার চেষ্টা করেছিলাম মাত্র। কেঊ কেঊ আমার লেখাটা ভালোই বুঝতে পেরেছেন যেমন ধরুন নন্দিনী আপু।

তানবীরা

চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে


২০

নিঝুম এর ছবি
১০.২ | নিঝুম | রবি, ২০০৮-০৫-১১ ১৮:২৫

নিঝুম একজন নারী। বিখ্যাত ব্যাক্তি দেখলেই জড়িয়ে ধরা তাহার বিশেষ প্রিয় কাজ। এ'কারণে নিঝুম সকলের অত্যন্ত আদরের ব্লগার।

হে ইশতিয়াক রউফ, কি অপরাধ ছিলো মোর ????

-------------------------------------------------------------
শেষ কথা যা হোলো না...বুঝে নিও নিছক কল্পনা...


২১

পরিবর্তনশীল এর ছবি
১১ | পরিবর্তনশীল | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১০:৫৬

আহলান সাহলান।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


২২

রণদীপম বসু এর ছবি
১২ | রণদীপম বসু | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১১:৩০

সচল হওয়ায় অভিনন্দন।
স্বনামেই ভালো, অন্তত যারা লেখালেখি করেন। নইলে মুক্তমনা বা সাতরং-এর লেখক তানবিরা তালুকদারকে চিনতাম কী করে ?
চালিয়ে যান আপনার স্বতঃস্ফূর্ত লেখা।
ধন্যবাদ।


২৩

অরূপ এর ছবি
১৩ | অরূপ | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১২:১৩

আমজনতার প্রতি কিছু ক্ল্যারিফিকেশনঃ

তানবীরা তালুকদার এখনও পূর্ণ সচল হননি পুরোপুরি। অতিথি লেখক হিসেবে লেখার কিছু যন্ত্রনা থাকায় আমরা কিছু নিয়ম বদলেছি। এখন সদস্যপদ সক্রিয় করা হলেও লেখা মডু হয়ে প্রকাশিত হয়। পদ্ধতিটি পরীক্ষাধীন, সফল হলে সবাইকে এভাবেই সচলায়িত করা হবে।

তানবীরা তালুকদারের প্রতিঃ

আপনার লেখা মুক্তমনায় দেখেছি আগেই। সচল পরিবারে আপনার অংশগ্রহণ আমাদের জন্য আনন্দের বটে।

সচলায়তনের আগে আমরা লিখতাম আরেক জায়গায়। সেখানকার নানা তিক্তমধুর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সচলায়তনের জন্ম। সদস্যপদের কড়াকড়ি তারই ফল। আমরা প্রতিনিয়ত নানারকম ভ্যান্ডালিজমের শিকার হই। মডারেশন থাকায় সচলেরা এসব দেখতে হয়না। ক'দিন আগেও এক ভদ্রলোক লেখা মুছে দিয়েছেন কিছু!

সচলে দুটো জিনিস আশা করা হয়। ১. বন্ধুসুলভ সহাবস্থান (তার মানে যে বিতর্ক করা যাবে না তা নয়, কিন্তু সেটাকে চুলোচুলি পর্যায়ে নেওয়া চলবে না) ২. লিখতে হলে একটু ভালোবাসা দিয়ে লিখুন (লেখার উচ্চমানের চেয়ে প্যাশনটাই বেশী করে খুঁজি আমরা)

মেয়ে লেখক কম কেন? বলা মুশ্কিল, আমরা আটকাই না।
অন্যান্য সাইটেও মেয়েদের দেখা যায় না। পারলে ঘাড় ধরে আনুন না আরো কজনকে..

আপনার সচলামী শুভ হোক, আনন্দের হোক। নেদারল্যান্ডে গেলে দেখা করা যাবে

__________________________________
ছাগল আমার ছাগল তোমার শিং দিয়ে যায় চেনা...


২৪

তানবীরা এর ছবি
১৩.১ | তানবীরা | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ২০:০৯

সচলে দুটো জিনিস আশা করা হয়। ১. বন্ধুসুলভ সহাবস্থান (তার মানে যে বিতর্ক করা যাবে না তা নয়, কিন্তু সেটাকে চুলোচুলি পর্যায়ে নেওয়া চলবে না) ২. লিখতে হলে একটু ভালোবাসা দিয়ে লিখুন (লেখার উচ্চমানের চেয়ে প্যাশনটাই বেশী করে খুঁজি আমরা)

আমার বুদ্ধি কম, ভাইজান কি আমাকে হলুদ কার্ড দেখালেন নাকি? দুই নম্বর পয়েন্ট নিয়ে আমি বলছি, আমি জনাব মাননীয় হুমায়ূন আহমেদ ঘরানার লেখক। আমার প্যাশনটাই আছে আর কিছু নেই। বড় বড় লেখকরা জীবনের সব কঠিন কঠিন সত্য লিখুক আমি আমার মতো সহজ লোকের সাধারন কথাই লিখি।

আমরা প্রতিনিয়ত নানারকম ভ্যান্ডালিজমের শিকার হই। মডারেশন থাকায় সচলেরা এসব দেখতে হয়না।

এটা আমি জানি। মুক্তমনার মডারেশনে আমরাও নিয়মিত এর মধ্যে দিয়েই যাই। আমার এতে কোন আপত্তি নেই। সবাই নিয়ম মেনেই সচল হবে। প্রাপ্তির আনন্দ সবারই সমান হোক।

নেদারল্যান্ডস এ আসার, টিউলিপ ফিল্ডে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার উষ্ণ আমন্ত্রন রইল, এনি ডে, এনি টাইম।

মেয়ে লেখকের উত্তরটা একটু পড়েই লিখছি।

তানবীরা

চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে


২৫

মুশফিকা মুমু এর ছবি
১৪ | মুশফিকা মুমু | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১২:২৭

অভিনন্দন তানবীরা আপু, আসলেই আমিও বুঝতে পারলে তখন একটা সুন্দর ছদ্দনাম নিতাম মন খারাপ


২৬

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি
১৫ | আনোয়ার সাদাত শিমুল | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১২:৩৪

সচল অচলের প্রশ্ন নয়, সচলায়তনে তানবীরা তালুকদারের নিয়মিত অংশগ্রহণ চাই; পোস্টে এবং কমেন্টে।

মার্জনা করবেন, একটু দ্বিমত পোষণ করছি - এবং আপনার 'মানুষবাদী' চেতনায় আস্থা রেখেই বলছি, ভার্চুয়াল ব্লগে/ফোরামে কে নারী-কে পুরুষ সেটা এখনো বড় কোন প্রশ্ন হয়ে উঠেনি। অন্ততঃ সচলায়তনে তো নয়ই। এখানে আমরা সবাই মিলে সচল পরিবার, লেখা-কমেন্টে অবস্থান প্রকাশ করে পারস্পরিক মত বিনিময়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।
এখন কেউ যদি 'আমি নারী, আমি দূর্বল, আমাকে মেরো না' কিংবা 'আমি পুরুষ - হালুম- খবরদার' মনোভাব নিয়ে কথা বলেন; তাহলে বিব্রত হবো।

ভালো থাকুন। সচল থাকুন।


২৭

তানবীরা এর ছবি
১৫.১ | তানবীরা | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ২০:১৮

হাহাহাহা শিমূল। আমি কিন্তু সচল নারীর কথা বলেছি। অবলা নারীর কথা না।

আমি কালকে গোধূলির একটা লেখা পড়ছিলাম, বেশ সুন্দর লিখেছে। সবাই ঘটাঘট মন্তব্যও দিচ্ছেন, যেমন দেয়। আমি অনেক মন্তব্যের রিপ্লাই নিজে নিজে ভাবলাম আমি হলে কি রিপ্লাই দিতাম। তখন এ ব্যাপারটা আমার চোখে পড়ল। আমি নিজেও মানুষের জীবন যাপন করি, নারী জীবন যাপন করার কোন সুযোগ এখনও এ জীবনে আসে নাই, তবুও আমার অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, যেকোন কারনেই ছেলে আর মেয়েরা দুরকম ভাবে। যার কারনে ছয় মাসের একটা ছেলেকে পুতুল আর গাড়ি দিলে সে গাড়ীটাই নেয়।

আপনিও ভালো থাকুন, আনন্দে থাকুন এবং সপ্রতিভ কমেন্ট করুন।

তানবীরা

চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে


২৮

ধুসর গোধূলি এর ছবি
১৫.১.১ | ধুসর গোধূলি | রবি, ২০০৮-০৫-১১ ০৪:২৮

- জনাবা কি এই অধমের মুষলধারে খাইষ্টা ভাষা ব্যবহারের তেব্র নেন্দা জানাইলেন? চিন্তিত
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক


২৯

তানবীরা এর ছবি
১৫.১.১.১ | তানবীরা | রবি, ২০০৮-০৫-১১ ২২:০৯

আপনার কি তাই মনে হলো?

তানবীরা

চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে


৩০

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি
১৫.১.২ | আনোয়ার সাদাত শিমুল | সোম, ২০০৮-০৫-১২ ১৬:২৪

ঃ) ঠিকাছে।
এখন অতি দ্রুত নিচের শব্দগুলোর অর্থ বলুনঃ

১) জা'ঝাঃ
২) বিপ্লবঃ
৩) কোপানীঃ
৪) ঞঁ
৫) ষ্ণ!

চোখ টিপি


৩১

নজরুল ইসলাম এর ছবি
১৬ | নজরুল ইসলাম | শনি, ২০০৮-০৫-১০ ১৩:০৯

সচলায়তনের এই কড়াকড়ি আমি সাপোর্ট করি। কারন নাইলে অরূপদা বর্ণিত সেই পাশের বাড়ির মতোই এইটাও বিরক্তিকর হইতো। (এইতালে মডারেটর এবং কর্তাদের ধন্যবাদ দেই তাদের এই চেস্টার জন্য)
হয়তো অতিথি লেখকদের জন্য এটা সত্যিই বিরক্তিকর (আমি সত্যিই অনুধাবন করতে পারি না... আমি যে বিনা ক্লেশে সচল হইছিলাম)। কিন্তু তারপরও মনে করি এইটা থাকুক। যে সচল হইতে চায় সাধনা কইরাই হউক। ইয়া হাবিবি। সচলরে সচল রাখার জন্যই এইটা দরকার।

তবে আমিও দেখছি নারী লেখকরা এই ধৈর্যটা রাখতে চান না... সেদিন অস্ট্রেলিয়া থেকে এক নারী বন্ধু সচল হইতে আগ্রহ প্রকাশ করলো... আমি তারে বললাম বিস্তারিত... সে কইলো থাক বাবা ডরাইছি। আমার বউও আগ্রহ পায়না... তাই সে খালি পড়ে। ______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল