নোনতা বিস্কুট তিতিনের পছন্দ। একটু একটু পছন্দ নয়, অনেক পছন্দ। একটুখানি খেলেই অনেক্ষণ জিভে লেগে থাকে! বিস্কুটের প্যাকেটগুলো কেবল বাজে। সহজে ছেঁড়া যায় না। মা অবশ্য ঝট করে ছিঁড়ে ফেলতে পারেন। আর মা থাকলে তাকে খাবার ঘরে এসেও খেতে হয় না। মা-ই তার ঘরে খাবার নিয়ে যান। ঠিক ঠিক নিয়ম করে। মা যে কিভাবে টের পান তিতিনের কখন খিদে লাগবে তা কে জানে! অথবা হয়তো মা খাবার নিয়ে ঢুকলেই তিতিনের খিদে পেয়ে যায়!
হুটোপুটি করে খেতে গেলে খানিকটা ছড়িয়ে পড়ে খাবার! বিস্কুট তো গুঁড়ো হয়ে অনেকখানি ছড়ায়। মা অবশ্য কিছু বলেন না। কেবল অবাক হয়ে তাকিয়ে তিতিনের খাওয়া দেখেন। মা'র চোখদুটো তখন কেমন শীতল হয়ে যায়। ঠোঁটগুলো তিরতির করে কাঁপতে থাকে। তিতিন অবশ্য এতোকিছু দেখে না। হুটোপুটি করে খেতে খেতে সে অনেকখানি খাবার সারামুখে মাখিয়ে ফেলে। খাওয়া শেষে যখন তার সেই হুঁশ হয় তখন সে মার দিকে খানিকটা অপরাধী হয়ে তাকায়। মা বকা না দিয়ে হেসে ফেলেন! তিতিন তবুও ঠোঁটে লেগে থাকা খাবারগুলো চেটে চেটে খেয়ে ফেলার চেষ্টা করতে থাকে!
আজকে বিস্কুটের প্যাকেট ছিঁড়তে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয় তিতিনের। প্যাকেটগুলোও এমন, সহজে আঁকড়ে ধরা যায় না। অথচ তার খিদে পেয়েছে আর মা-ও কাল রাত থেকে উধাও! মা কি কোথাও আটকা পড়েছে? কোনো বিপদ হয়েছে নাকি মায়ের? তিতিন শুনেছে সে যখন মায়ের পেটে ছিল তখন ভয়ানক বন্যায় ঘরবাড়ি সব ডুবে গিয়েছিল তাদের! মা অনেক কষ্ট করে অনেকটা পধ সাঁতরে এই নতুন জায়গায় আসেন। সেই থেকে এই তাদের নতুন বাড়ি! কে বাবা ওরকম জলে ডোবা বাড়িতে ফেরত যায়!
খুব খিদে পেয়েছে বলে তিতিন বেশি কিছু ভাবতে পারে না। বেশ খানিকটা চেষ্টা করেও বিস্কুটের প্যাকেটটা ছিঁড়তে না পেরে এদিক ওদিক তাকায় সে! বড় আলমারিতে আরো খাবার আছে, কিন্তু ওখান থেকে সে খাবার পাড়তে পারে না। মা পারেন। এদিক ওদিক চাইতে গিয়ে হঠাৎ করে তার নাকে আসে আরেকটা খাবারের গন্ধ। বিস্কুটের প্যাকেট রেখে খানিকটা এগোয় সে। ঠিকই ভেবেছে। দারুণ যবের দানা রাখা একটা বাটিতে। লাল রঙ, দারুণ গন্ধ আসছে! এরকম যব কোন গাছে হয় কে জানে! কাছাকাছি যেতেই তিতিন মায়ের গায়ের গন্ধ পায়! মা বোধহয় আসে পাশেই আছে! তার মনে হতে থাকে সে নিজের ঘরেই খাচ্ছে। যবের দানাগুলোও এমন দারুণ, তিতিনের খুব পছন্দ হয়! কেবল গলার কাছে পৌঁছে একটুখানি তিতা ভাব। লাল যবের দানার বোধহয় এরকমই স্বাদ হয়।
বাটিটার পাশে একটা প্যাকেট রাখা। বিস্কুটের প্যাকেটের মতো। সেটার গায়ে অবশ্য বিস্কুট নয়, এই লাল যবের দানার ছবি। তার পাশে মায়ের মতো দেখতে একজনের ছবিও আছে। ছবিটা অবশ্য উল্টো করে ছেপেছে। কীরকম পেট দেখা যাচ্ছে! তিতিনের হাসি পায়! সে অবশ্য খাওয়ার দিকেই মন দেয়। মা'কে না বলে খাচ্ছে দেখে তার একটু একটু লজ্জা করতে থাকে। কেমন যেন শীত শীতও করে তার। মাকে না বলে খেলে কি শীত শীত করে! কে জানে! এতো অদ্ভুত স্বাদের যবের দানা সে আগে কখনো খায়নি! কেমন ঘোর লাগা একটা স্বাদ এগুলোর। মা কখনো আনেনি কেনো কে জানে!
[শিরোনাম পাণ্ডব'দার 'গল্প প্রচেষ্টা'র অপভ্রংশ! ওনার ওগুলো যদি চেষ্টা হয় তাইলে আমার এইটা অপচেষ্টা নিশ্চিত।]
ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশিত।
মন্তব্য
গল্পটা দারুন---কিন্তু কেন জানি খুব অস্থির লাগল পড়ে। তিতিনের জন্যে মনে কেন জানি একটা অমঙ্গল আশংকা হচ্ছে। তিতিনের কিছু হয় নি তো?
ভিন্ন প্রসঙ্গঃ তুমি তো দারুন গল্প লেখো মিয়া----!!
হে হে আপ্নে তো জীবনে আমার লেখা খারাপ কন্নাই! আপ্নে তীব্র একচোখা বিচারক
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
সেইটা তো তোমার ব্যর্থতা ! তুমি সেরাম একটা খারাপ লেখা লিখে দেখো না---একেবারে দশ হাত মাটির নীচে যদি না পুঁতে ফেলছি, হুঁ হুঁ বাবা--
তিতিন কি ইঁদুর ? ল্যানির্যাট খাচ্ছে ???
অনিকেত ঠিক বলেছেন। আপনার লেখার প্রশংসা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেলাম
----------------
স্বপ্ন হোক শক্তি
তিতিন কি খেলো সেটা নিয়ে আপনি দারুনভাবে ভাবানোর পর নিচে এসে দেখি আশালতা আপা ল্যানিরেট এর কথা বলছেন! কি আজব কথা!! বিপন্ন বোধ করছি ল্যানিরেট সম্ভাবনার কথা ভাবতে গিয়েও!
তিতিন জেরী হলে আমি তার দলে, টমদের সব ষড়যন্ত্রের মুখে ছাই পড়ুক! দারুন লেখা!!
আশালতা এবং তানিম, কিছু একটা লিখে যদি কী লিখলাম সে বুঝিয়ে দিতে হয়, তাহলেই বোঝা যায় লেখার মান! নিতান্ত গোঁয়ার বলেই কীবোর্ডটা ফেলে দেয়া হয়না!
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
আরে ভাই, ল্যানিরেট সম্ভাবনা আসলে কথা না বলে উপায় আছে। আপনার কী-বোর্ডে ঝড় উঠুক, অপেক্ষায় থাকলাম! নেন, একটু মিষ্টিমুখ করেন,
গল্পটা পড়ার সময় মেরুদণ্ড দিয়ে একটা শীতল স্রোত নেমে যাচ্ছিলো। দ্বিতীয় প্যারার শুরুতেই আন্দাজ করতে পারছিলাম কী হতে যাচ্ছে- বাকিটা সময় একটা আতংক নিয়ে গল্পটা পড়লাম।
লেখা হিসেবে সার্থক- খুবই নিষ্ঠুর গল্প।
অলমিতি বিস্তারেণ
ফেসবুকের তুলনামূলক মন্তব্যে প্রায় হার্টফেইল করিয়ে দিয়েছিলি!
এ যাত্রা জানে বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ বন্ধু!
[অট. আমার একটা লেখায় কেউ কেউ জিজ্ঞেস করছিলো সবজান্তা আর বিমলা কে! ]
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
ভাল লেগেছে। অপচেষ্টা প্রচেষ্টাতে রূপ পাক।
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
।ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট।
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।
পাণ্ডব'দার মতো লেখা সম্ভব না আমার পক্ষে! অপচেষ্টা তাই প্রচেষ্টা করার দূরস্বপ্ন
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জাহিদ ভাই।
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
এই গল্পকে যদি নাম দেন অপচেষ্টা, তাহলে আর কী বলি অনার্যদা!!! তবে এরকম অপচেষ্টা জারি থাকুক, নিয়মিত!!!
অসাধারণ লাগল ভাই!!! কিছু কাজ চমৎকার- সত্যিই শীতল স্রোত নামিয়ে দিচ্ছিল!!!!
তিতিনকে কোনভাবে বাঁচানো গেলে ভালো হত..................চিন্তা করতেছি!!! অবশ্য আমি পারবোও না, গল্প/প্লট তৈরি করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়................
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
অপচেষ্টা চলুক
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
ভুত না নামলে চলবে নজ্রুল্ভাই
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
পচেষ্টা পুরো পচা!
তা তো বটেই! বালক ব্লগারদের লেখা তো পচা লাগবেই!
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
বাহ!! কেন মানুষ প্রচেষ্টা, অপচেষ্টা নাম দেয়? ঠিক না এগুলো
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
আপনার হাত ধরে আরো অপচেষ্টা আসুক
love the life you live. live the life you love.
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
আমিও তাই বলি - এরকম চমৎকার একটা গল্পের নাম থাকা উচিত।
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
নাম আসছিলো না!
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
গল্পের অর্ধেক পড়া শেষ করে থামলাম। এখানে নিশ্চয়ই কোথাও একটা চালাকি হচ্ছে। মন নিয়ে খেলা হচ্ছে। বোকা হওয়া চলবে না। আবার গোড়া থেকে পাই পাই করে পড়লাম। যাক, এবার অন্ততঃ বুদ্ধিমান হলাম, ধারণার সাথে মিলেছে তিতিন।
আমার রাখা গমের দানাগুলো কোন কোন তিতিন খেলেও, ভেতরের শাঁসটা খেয়ে বাইরের লাল রঙের আবরণটা আমার জন্য রেখে যেতো ওরা।
-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
তিতিনের মা তাড়াতাড়ি চলে আসুক তিতিনের কাছে।
আর একটু বড় হলে ভালো হতো।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
শিরোনাম দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম তোমার নামে কপিরাইট আইনে মামলা করবো কিনা। পরে তোমার ব্যাখ্যাসমূহ পড়ে আর কিছু বললাম না।
পোস্টের হেডিং "গল্প প্রচেষ্টা" নাকি "গল্প অপচেষ্টা" সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে পোস্টের ভেতরে গল্পটা কী লেখা হলো। সেই হিসাবে এই অপচেষ্টাটা সার্থক চেষ্টা হয়ে গেছে। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা হচ্ছে আখ্যানটার নিজস্ব একটা শিরোনাম থাকা। এটা বেশ কঠিন কাজ। আমি কিছু দিন এই ব্যাপারটাতে ফাঁকি দিয়েছিলাম, তবে সেটা উচিত হয়নি। তুমিও এই ফাঁকিবাজির পথে না হেঁটে আখ্যানটার একটা শিরোনাম দাও।
তোমার যখন মনে হবে বা ভালো লাগবে তখনই গল্প লিখো। জোর করে তো আর গল্প লেখানো যায় না! আমরা না হয় অপেক্ষাতেই থাকবো।
তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।
সাহস দিলেন
নাম আসছিলো না। অপচেষ্টার পাশে একটা নাম বসিয়ে দিতাম নইলে!
জোর করে কী আর লেখা হয়! চেষ্টাও করবো না!
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
খুব ভালো লাগলো। আপনার কাছ থেকে এরকম অপচেষ্টা (!) আসতেই থাকুক।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
...........................
Every Picture Tells a Story
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
মায়ের উলটো থাতা ছবির কথা আসার পর গপ্পো বোঝা গেল
তিতিনকে মরতেই হোল?
~~~~~~~~~~~~~~~~
আমার লেখা কইবে কথা যখন আমি থাকবোনা...
পরে কী হয়েছিল কে জানে!
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
রীতিমতো বনফুল ফ্লেভারের গপ্পো
আপনি নতুন করে এটাকে হরর গল্পও করে ফেলতে পারবেন মনে হচ্ছে। তিতিনের শেষের দিককার অনুভূতিগুলো এরকম করুণ না হয়ে গা ছমছমে হলেই এটা দারুণ একটা হরর গল্প হয়ে যায়।
... আরো আসুক ব্রাদার।
হড়ড় হল্প, গোয়েন্দা গপ্প, ব্যাডভেঞ্চার গপ্প এসব তুমি লিখবা মিয়া! আমার ঘাড়ে চাপায়ে ফাঁকি মারার তালে আছ!
মডুগিরির ফাঁকে ফাঁকে একটু আধটু লেখা শুরু কর আবার!
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
অপচেষ্টা ভালৈছে
ধন্যবাদ।
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
ভালো লিখেছেন তো!
---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়
ধন্যবাদ
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
অনেক কষ্টমষ্ট করে মাথা চুলকে বের করলাম এইটা একটা ইন্দুরের গল্প! কতখানি সফল হইছি তা গল্পকার বলতে পারবেন! তবে, আমি সফল হই বা না হই, গল্প প্রচেষ্টা হিসাবে এই অপচেষ্টা দারুণভাবে সফল হইছে রত্না।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
ধুগোর মাথায় উকুন!
...........................
একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা
থ্যাঙ্কিউ ধুগোদা
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
দারুণস!
...........................
একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা
ধন্যবাদ।
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
দারুণ!
দারুণ!
দারুণ!
______________________________________
যুদ্ধ শেষ হয়নি, যুদ্ধ শেষ হয় না
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
অপচেষ্টার একটা নাম দিলে হতো... তবে অপচেষ্টা ভালু লেগেছে...
আচ্ছা এটা কি পিচ্চিদেরকে পড়ানো সেইফ হবে... তাইলে কয়েকটা পাজি পিচ্চি আছে আমার পরিচিত যেগুলো খালি একা-একা অপকাণ্ড করে বেড়ায়, তাদেরকে একটু চেক দিয়ে রাখা যেত...
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না
নতুন মন্তব্য করুন