বৃত্তের বাইরে যেতে নেই
সেখানে ওৎ পেতে রয় বিপদ,
রাবণের মতো ছলে বলে প্রলোভনে
সেও নিতে চায় দখল।
তবু কিছু নাগরিক বনসাই
বনবাসে গিয়ে বনকেই ভালোবেসে ফেলে
নগরের নিরাপদ ওম ভুলে গিয়ে
বনস্পতি জীবনের লোভে
সেখানেই গড়ে তোলে
কবিতার মোহময় কুটিরশিল্প সব।
আমার শহরে বসন্ত মাস
আকাশে আজ হলুদ পাখি
আমার এখানে রোদের নদীতে
ফাল্গুনী মেয়ের শলমা সখী
আকাশ চূড়ায় উড়ছে কারো রঙ্গীন বেলুন ইচ্ছে ঘুড়ি
এই বিকেলে তোমায় দিলাম তোমার প্রিয়ার কাঁচের চুড়ি
তোমার সকাল আমার সাঁঝে নাক ছাবিটার মুক্তো খাঁজে
জরির মতো সবুজ মতি তারার চোখে তোমার ছবি
মাশরাফি বিন মর্তুজা, ক্রিকেট সম্পর্কে যাদের জ্ঞান একেবারে ন্যুনতম তারাও এই নামটি সম্পর্কে পরিচিত৷ এই বোলার জাদু দেখান, তাঁর গতি দিয়ে৷ বাংলাদেশের জয়ের সঙ্গে এক অপরিহার্য নাম মাশরাফি৷ তাকে কিনা ভারতের বিরুদ্ধে না খেলানোর যত তোড়জোর!
শেষ পর্যন্ত আরব মুল্লুকের ‘বানাত’ অর্থাত কন্যাদের বোরখাবিহীন চেহারা দেখার সুযোগ হয়ে যায় যুবকের। কিন্তু রূপচ্ছটায় ভস্ম হওয়া থেকে রক্ষা মিলে। হয়ত মায়ের দোয়ায়। হয়ত পাহারারত সেই মহিলার ঈগল দৃষ্টি তাকে রক্ষা করে।
শীতার্ত হৃদয়
(কাপুরুষ)
শীতের কাঁপনে ঝড়ছে পাতা, নেই তো ফুলের তাজ,
রুগ্ন বলে করছ হেলা, চাওনা ফিরে আজ।
বসন্ত যখন আসবে ফিরে, ভরবে পাতায় ডাল,
আসবে নিতে ফুলের সুবাস, ভুলতে মনের কাল ।
ইভনিং গেম ড্রাইভ শেষে আমরা যখন ক্যাম্পে ফিরে আসছি ছেলেরা তখন পরিতৃপ্তির কোলে দেহ এলিয়ে আবেশে চোখ মুদে একটি সার্থক দিনের পরিসমাপ্তিতে হৃষ্টচিত্ত। আর মেয়েরা সদ্য আহরিত ভালোলাগার বিস্ময়ের কথা বার বার উচ্চারণে আপ্লুত। “ইচ্ছে হলে ক্যাম্পে পৌঁছে তোমরা পাশের মাসাই পল্লী থেকে ঘুরে আসতে পারো। পরিচিত হতে পারো ওদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে। বিশ ডলারের বিনিময়ে ওরা তোমাদের যূথচারী নাচ দেখাবে, আগুন জ্বালিয়ে দেখাবে
আরিফিন সন্ধি
গতকাল ফেব্রুয়ারী মাসে যে এইরকম বরফ পরতে পারে, তা গত দুই বছর চোখে পরেনি। বিভাগে না যেয়ে মনে সুখে কফি গিলছি আর চ্যাট করছিলাম। মজার খবর জানাই, গতকাল এখানের অফিস সব অলিখিত বন্ধ হয়ে গ্যেছিল, যদিও আমার কোন কারখানাতে (ল্যাব আরকি) কাজ নাই, তাই বিভাগে যেতে হয়না, কিন্তু কতদিন এরকম বরফ আমি চেয়েছি, বিশেষ করে পরীক্ষার দিনগুলোতে!! কেউ কথা রাখেনি
দুই চোখ দেখে যাকে অনুভবে রাখে তাকে
অথবা চোখের আড়ালেই মনের আড়াল
এ রকম সত্যের মুখোমুখি যখন কাটছে রাত
স্বপ্নেরা উড়ায় ঘুড়ি ঐ দূরের নীলাকাশে
যাপিত দিন কখনো যায় বাড়ি মুক্ত ডানা মেলে।
যাদের ফোন করার কথা ছিলো
তারা ভুলে গেছে নম্বর অথবা হারিয়েছে
যদের ফোন করেছি বারবার
তারাও ভাবেনি ফিরতি কল করার
তাই জমানো কথারা কাঁদে একাকীত্বের আঁধারে
স্মৃতিরা ঘুমায় ক্লান্ত বালিশে মাথা পেতে।
“আই থট কানাডা উড স্কোর এইটি এইট!”
কথা ছিলো ৯ তারিখে খোসা ছাড়ানো হবে “গোয়েন্দা ঝাকানাকা ও জাদুঘরে চুরি রহস্য”-এর।