এক খরগোশের খুব সখ হলো ছেলেপুলেদের গাজর খাওয়াবে। নিজের ছেলেবেলা ও গাজর খাওয়ার কথা মনে পড়লে এখনও তার জিভে জল আসে। কি দিনকালই যে ছিল, বনে জঙ্গলে ভরা ছিল সব। বিশাল এলাকা ছিল সবই যেন তাদের নিজেদেরই। সারাদিন ঘোরাফেরা আর খাওয়া দাওয়াই ছিল কাজ। কিন্তু দিনকাল বদলেছে। আজ প্রায় সব বনজঙ্গলই মানুষের খামার, ঘন কাঁটাতারে ঘেরা, ঢোকার উপায় নেই। সারাদিন পালিয়ে থাকাই কাজ। কিন্তু বাছারা আমার রসালো ...
[justify]নদীতে তেষ্টা মেটাতে যেয়ে এক হাতির সাধ হলো, সে-ও জলহস্তীদের মতো ওরকম সারাদিন নদীর মাঝে ডুবে ডুবে জল খাবে।
যে-ই ভাবা সে-ই কাজ। নেমে পড়লো সে নদীতে।
কিছুদূর যেতেই হাজির হলো গাঁট্টাগোট্টা এক জলহস্তী। খ্যাঁক করে উঠলো সে, "এইখানে কী চাস ড়্যা?"
হাতি শুঁড় বাড়িয়ে জলহস্তীর বোঁচা নাকের সাথে নাসিকামর্দন করে বললো, "আজ থেকে আমিও এখানে তোমাদের সাথে মিলেমিশে নদীতে থাকবো।"
জলহস্তী বললো, "বটে? ...
আজ সচলায়তনে "গরু" আর "গাধা" নামে দুটো গল্প প্রকাশিত হতে দেখে এই প্রবাহে অবদান রাখার লক্ষ্যে খুদে একখানা গল্প অনুবাদ করে ফেললাম । রূপকধর্মী এই গল্পটি প্রকাশে কিছুটা দ্বিধা অবশ্য ছিলো...
শুয়োর
মূল রচনা: তুরখান রাসিয়েভ
এক সবজি-বাগানে ঢুকে পড়লো শুয়োর। দেখে বাগানের মালিক চিত্কার করে উঠলো:
- ভাগ! বেরিয়ে যা আমার বাগান থেকে! আমার বাগানে এসে কেন ঘাঁটাঘাঁটি করতে হবে তোকে!
...
বাজারের রাস্তায় একটা মালিকছাড়া গরু চরে বেড়াত, হুটহাট এর ওর দোকান থেকে ডালটা, ছোলাটা, শাকটা, সিংগাড়াটা খেয়ে নিতো।
একদিন বাজার কমিটির প্রধান সর্বজনাব খালেক সাহেবের কাছে সব আড়তদার বিচার দিল, হাজী সাহেব, এই গরু তো বস্তা বস্তা চাল নষ্ট করে ফেললো, কিছু করেন, সব সব্জি বিক্রেতা অভিযোগ করলো, মাচালে একটা শাকের ডগাও রাখা যাচ্ছে না, গরু সব খেয়ে ফেললো, কিছু করেন, সব হোটেল মালিক দাবি করলো, বজ্জা...
ছেলেবেলায় আমি চুড়ান্ত রকমের হাবা ছিলাম। প্রথম স্কুল যাত্রার বয়সে আমার চেয়ে বেশী হাবা নাকি শহরে খুব বেশী ছিল না।
সময়কাল ১৯৭৪ সাল। শহরে নতুন এসে প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি হয়েছি প্রথম শ্রেনীতে। স্কুলে ভর্তির আগে আমি ঘরে বসেই বাবা মার কাছে পাঠ নিয়ে ক্লাস ওয়ান, ক্লাস টু দুটোর বইই পড়ে শেষ করে ফেলেছিলাম। তাই কথা ছিল আমাকে সরাসরি ক্লাস টু-তে ভর্তি করিয়ে দেয়া হবে যাতে একই ক্লাসে পাঠরত মাম...
তৃণতুচ্ছ উনকল্প
বর্ণমালা শেখার ফাঁকে তখন রূপকথা শোনার কাল। হাঁড়ির ভেতরে মুখ ঢুকিয়ে হুংকার দেয় দাড়িয়ল ছাগল- সিংহের ভাগিনা আমি নমহরি দাস- আঠারো আঠারো বাঘে করি একেক গরাস...
সেই আওয়াজ শুনে পণ্ডিত শিয়াল দে দৌড় দে দৌড় দে দৌড়... মাঠ ঘাট প্রান্তর পেরিয়ে নিজের গর্তে কিংবা গুহায়। আর ওইখানে আড়াল থেকে বের হয়ে ছাগলের সে কী হাসি... ইঁহিঁহিঁ... ডঁরাইছে। ডঁরাইছ...
দিনকে দিন আমাদের ডিজিটাল তথ্যের ভান্ডার বাড়ছেই। ছবিগুলো সব ডিজিটাল, ভিডিওগুলি ডিজিটাল, লেখালেখিগুলো ডিজটাল, আপনার গানের সংগ্রহগুলি, নাটক, সিনেমার ভিডিও সংগ্রহ, কনটাক্ট এড্রেসগুলি, পাসপোর্ট, ভিসা, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য, ইলেকট্রনিক বিল, পড়াশোনার ডকুমেন্ট, প্রজেক্টের তথ্য, অফিসের তথ্য সবকিছু ডিজিটাল। আপনার হার্ডড্রাইভের কোন কোনায় হয়ত পড়ে রয়েছে সেগুলি। আপনিও নিশ্চিন্তে ঘুরে বে...
অনুবাদ করার দুঃসাহস মাথায় নিয়ে ঘুরছিলাম বহুদিন ধরেই, তবে অনুবাদযোগ্য গল্প ( কলেবর এবং কাহিনী- দু'দিক দিয়েই) পাওয়াটা বেশ সমস্যা হয়ে গিয়েছিলো। শেষ পর্যন্ত এই শখপূরণে সাহায্য করেছেন প্রিয় সচল সংসারে এক সন্ন্যাসী। তাঁর ঝোলা থেকেই তিনি এই ভিনদেশি গল্পটি বের করে দিয়েছেন। এ'ছাড়া তাঁর মতামত দিয়েও সাহায্য করেছেন আমার প্রথম অনুবাদ প্রচেষ্টাকে আলোর মুখ দেখাতে। তাই কৃতজ্ঞতা রইলো তাঁর প্...