
১.
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি পাখির গল্প শুনেছি বহুদিন ধরে। ঢাকায় এসে প্রথমেই ভেবেছি ঢুঁ মারবো ঐদিকে। সচলাড্ডায় ফারুক ওয়াসিফ এর সাথে দেখা। ভদ্রলোকের জন্য "জিনিস" আনার একটা ঘোষনা দিয়েছিলাম মধ্যযুগে। আমি ভুলে গেছি, তিনি ভোলেন নাই। কিছুক্ষন তার ধূসর রসবোধ নিয়ে মস্করা করার পর পাখির প্রসঙ্গটা তুললাম। কামেল মানুষ, দুই মিনিটের মধ্যে ফোন্দিয়া নিশ্চিত করলেন "পাখি এসেছে!"
পাখি এসেছে, খুবই আনন্দের কথা। কিন্তু কেমনে যাব? কার সাথে যাব? নানাসূত্রে এই খবর কানে গেল আমাদের পাইলটের। দেখা গেল উৎসাহের হিসাবে সে আরো দুই কাঠি উপরে। সে-ই খানিকটা ধাক্কা দিয়ে নিয়ে গেল কাল, জাহাঙ্গীরনগরে...
জাহাঙ্গীরনগরের মতো সুন্দর ক্যাম্পাস কম আছে। সময় থাকলে হয়তো ক্যাম্পাসেরই ছবি তুলতাম। যেহেতু ভরদুপুরে (দেড়টা) গেছি তাই পাখিই প্রায়োরিটি। পোস্টঅফিসের সামনে যে জলাটা আছে সেখানে গিয়েই বোঝা গেল জায়গামতো চলে এসেছি। কিচির-মিচির! কিচির-মিচির!
মহাজ্ঞানীরা বলেছেন ৪০০মিলিমিটারের নীচে টেলিফোটো নিয়ে পাখির ছবি তোলা ঠিক্না। গরীবের ভরসা ৭০-৩০০, তাই খুব "জুইত" করা গেল না ছবি তুলে। মুস্তাফিজ ভাইকে শাপশাপান্ত করতে থাকি মনে মনে, এই লোক ৪০০মিলিমিটার DO লেন্স কেনার ধান্দায় আছে। নিষ্ঠুর!!
পুরো জলাশয় জুড়ে অসংখ্য হাঁস, এদের সম্ভবত বলা হয় হুইসলিং টীল (Whistling Teal)। ছবি তুলতে তুলতে সাদা বক, কানি বক, ডাহুকও দেখা গেল কিছু।
লোকে জানালো আরেকটু ঠান্ডা পড়লে নাকি আরো পাখি আসবে। হাতে সময় নেই, না হলে আবার আসা যেত। কপাল, সব কপাল...
২.
ফেরার পথে জাতীয় স্মৃতিসৌধ আর বধ্যভূমি দেখা হল। আমি স্থাপত্যকলার মানুষ না, গুনবিচার করা কাজ না আমার। তারপরও এই দুটো কীর্তি দেখে আমি অবাক হয়ে রই। এই দুই এর স্থপতিযুগলে পদধূলি নিতে পারলে ভালো হতো..


কি লাভ সৌধ গড়ে যদি মূল্য না দেই?
৩.
অজানা এক তেলেসমাতিতে চালের দাম বস্তাপ্রতি ১০০টাকা কমে গেছে। কালকে বাবা জানালেন ভোজ্য তেলের দামও নেমে গেছে শ খানেক টাকা। মহাজোট কি খেল দেখানো শুরু করলোরে বাবা!
৪.
কালকে গেছিলাম ধানমন্ডি ২৭ এর "বারবিকিউ টুনাইট" এ। রুমালী রুটি সহযোগে চিকেন টিক্কা আর খাটাখাট খেলাম বহুদিন পর। আহা! কুয়ালালুমপুরে যদি একটা ব্রাঞ্চ খুলতো...
....
অ্যাজ অফ সকাল আটটা, ডজনখানেকবার টয়লেটে গেছি। বাংলাদেশ আকার ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিল আমি আর তার ছেলে নই 
মন্তব্য
রঙ্গীন পাখি গুলো খুব সুন্দর।
কখনও দেখার সৌভাগ্য হয় নি আমার...
...নামহীন
হ, আপনেরে কইসে, আমি কি গাঞ্জা খাইছিলাম নাকি?
...........................
Every Picture Tells a Story
তাইলে কিনলাম, যান্, আরেকটু 'নর্মাল' থাকলে দানও কইরা দিতে পারি
...........................
Every Picture Tells a Story
...........................
Every Picture Tells a Story
- আমরা কী দুষ কর্ছি?
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
পাখীগুলিরে আলাদা করে রঙিন করার টেকনিকটা কি?
---------------------------------------------------------
আমরা যারা শিখিনি চাষবাস,ফসলের গীত
গুলালিতে পাখি হত্যা
---------------------------------------------------------
ঘাস তুমি ঘাসের মতো থাকো মাটি ছুঁয়ে
যে দেখার সে নতজানু হয়ে ছুঁবে তোমার আঙুল
অবরুদ্ধ মাঠ থেকে তুমি লাফিয়ে নেমোনা প্লিজ পাথরের পথে
________________________________________
http://ahmedurrashid.
জাহাঙ্গীরনগরে আসা বেশিরভাগ পাখি আমার রসবোধের মতোই ধুসর বালি হাঁস। কয়েকটি পাখির কিছু জায়গায় বেশি লাল দেখে আমারো তাই সন্দেহ হইতেছিল। তাই ফোন্দিয়া সন্দেহ ঘুচাইলাম। ঘটনা সত্য, কয়েকটা পাখি নাকি সেখানে আসা ফটোগ্রাফারদের ভয়ে যৌন নিপীড়ন বিরোধী নীতিমালা দাবি করেছে।
হাঁটাপথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে। হে সভ্যতা! আমরা সাতভাই হাঁটার নীচে চোখ ফেলে ফেলে খুঁজতে এসেছি চম্পাকে। মাতৃকাচিহ্ন কপালে নিয়ে আমরা এসেছি এই বিপাকে_পরিণামে।
- তারা সংবাদ সম্মেলন করে নাই ফারুক ভাই?
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
আহারে, জাহাঙ্গীরনগরে কখনো পরিযায়ী পাখি দেখতে যাওয়া হয়নি। তবে 'অন্য' পাখিদের দেখতে ঠিকই গেছিলাম বর্ষার মাতাল বৃষ্টির মাথা নিয়ে।
সামনে তিন দিন ছুটি। আমারে খবর দিয়েন। যথাসময়ে পৌঁছে যামু।
কি অদ্ভুত ছবি সবগুলো !
প্রথম ছবি দুটো দেখে মনে হচ্ছে, কি আরাম করে, অলসভাবে উড়ছে ওরা।
ওভাবে উড়তে পারলে....
...........................
সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন
...........................
একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা
হে হে, ঐটাও সম্ভব, মানে উড়তে পারবেন তবে শর্ত হইলো 'নর্মাল' থাকতে হবে।
কিভাবে নর্মাল থাকবেন ঐটা অরূপ দা কে জিগান
...........................
Every Picture Tells a Story
আমি 'নর্মাল' থাকতে চাই।
...........................
সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন
...........................
একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা
ছবি চমৎকার হয়েছে, বিশেষ করে প্রথম দুইটা...
=======================
কোথাও হরিণ আজ হতেছে শিকার;
ছবিগুলো দারুন।
তিন নম্বর ছবির গুলো এত নাদুসনুদুস যে দেখেই রান্না করে খেতে ইচ্ছে হচ্ছে
_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে
_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে
আমার ভাগ্নে তার মাকে আদর করে হাঁস বলে ডাকে। হাঁস তার সবচেয়ে প্রিয় পাখি। আর ওই কারণে হাঁসের মাংসও সে খায় না। একদিন ওর প্রাইভেট টিউটর রোকন স্যারকে ও জিজ্ঞেস করেছে, "স্যার, হাঁস আপনার কেমন লাগে?" রোকন স্যারের উত্তর, "সেই ইউনিভার্সিটিতে থাকতে খাইছিলাম..."
.......................................................................................
আমি অপার হয়ে বসে আছি...
.......................................................................................
Simply joking around...
উহ! অনেকদিন ক্যাম্পাসে যাই না। অসাধারণ সুন্দর ছবি দেইখা যাওয়ার বিগার উইঠ্যা গেলগা।
ছবিগুলান সত্যিই সুন্দর হইছে!!!
এই লোকটা দেশে আইছে আন্ধা মানুষগোর কইলজা জ্বালাইবার লাইগ্যা..!
-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’
বাংলাদেশকে এত সুন্দরভাবে দেখার সুযোগ হয় নাই, বাংগালী হয়েও ।
সে সুযোগটা করে দেবার জন্য লেখককে ধন্যবাদ ।।
আব্বা,
ছবিগুলো সিরাম!!!!!!!!!!! পাখি দেখা বিষয়ে মুখফোড়ের বড় বড় শব্দযুক্ত গল্পের কথা মনে পড়ে গেল।
শিরোনামটা এভাবে দিতেন:
অল্পবিস্তর কথা আর ফাঁকিবাজি পোস্ট ...
যারা বেশি সুন্দর লেখে তারাই দেখি আজকাল লিখতে চায়না। আরেকটু বেশি লিখলে কী এমন হতো? ছবির কথা নাহয় নাই বললাম। বুঝতে পারছি দেশের মায়া ছাড়ছেনা।
- দেশে ফেরৎ এক মিয়া ভাই হসপিটাল থেকে পড়শুদিন ফোন্দিলেন। পুরা কাহিল অবস্থা! আমি ডরে আছি, লাস্ট টাইম তেমন অসুবিধা ফেস না করলেও এইবার মনেহয় বয়সের কারণে 'থাবড়া'টা ভালোই খামু।
ফটুকের কথা তো সবাই বলেই দিলো। আমার ভালো লাগছে কালো পাখীগুলো। আকাশকে পেছনে রেখে তোলা। মনে হচ্ছে সাদার ওপর কালোর কাজ করা পাখী!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
উপরের হাঁসের মত সবগুলিই Lesser whistling Teal (ছোট সরালি) (বড় সরালিও থাকতে পারে, তবে ততটা কমন নয়)। তবে একটাও বালি হাঁস (Cotton Teal) নয়। একটা ফিঙে। নিচের পাখিটা Bronze-winged Jacana (বাংলা নাম জানিনা)। জাসানা'র জন্য ৫।
পাখির ছবিগুলো অসাধারণ হইছে!
আর বাংগালির সৌন্দ্যর্যবোধও অসাধারণ । আত্ত্বস্থ না করলে তার শান্তি নাই। তাই সে ঘাস (জীবনানন্দ দাশের) আর গোলাপ (জানি না কার) পারলে ঘি-য়ে ভেজে খায়। মাঝে মাঝে ভাবি মানুষ ময়ূরের মাংস খায় ক্যামনে?
অন্য দিকে আমি ডাইনোসরের "নেহারি" খাবার আশায় বইসা আছি।
নদী
- কুমীরের কাটলেট খাইছেন?
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
ধুসর গোধূলি ভাই, আপনি এই দুবলা (!) প্রাণীর পিছনে লাগলেন ক্যান? এক্সটিংক্ট প্রজাতি (গড ফরবিডস) হইলে না হয় কথা ছিল।
নদী
- কার কথা কন ভাই? কুমীরের কথা নাকি...!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
যদি সময় ও সুযোগ থাকে, এই সময়ে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে ঘুরে আসুন। হাওরের মাঝখানে নৌকায় মানুষ- চারদিকে হাজার হাজার পাখি। ছবি তোলার কথা হয়তো ভুলেই যাবেন।
সেই সাথে বোনাসও পাবেন একটি। পুরোপুরি স্বচ্ছ পানির নিচে তাকালে পাখির সাথে মাছেরাও আপনাকে সঙ্গ দিবে।
-------------------------------------
হাত বাঁধা, কিন্তু দড়ি মুক্ত - হায় পৃথিবী!
-------------------------------------
হাত বাঁধা, কিন্তু দড়ি মুক্ত - হায় পৃথিবী!
নতুন মন্তব্য করুন