নীল নকশাকারীদের শুরু অনেক আগে।
দ্বিজাতিতত্ত্বের ধোঁয়াটে ফানুসে উপমহাদেশ ১৯৪৭ সালে ভারত এবং পাকিস্তান নামক ২টি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের জন্ম হয় । দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রবক্তা মুহাম্মদ আলি জিন্নাহ ব্যক্তিগত জীবনে ইউরোপীয় সংস্কৃতিতে প্রভাবিত একজন সেক্যুলার মুসলিম ছিলেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সেক্যুলার হওয়ার পরও দ্বিজাতিতত্ত্বের মত একটি ধর্মভিত্তিক পন্থা উপমহাদেশের জন্য দিয়ে গিয়েছিলেন
এখান থেকেই উপমহাদেশের মানুষের ধর্ম নিয়ে রাজনীতির নতুন পথচলা। ধর্মের ভিত্তিতে তৈরি একটি রাষ্ট্রের সাথে থাকা আমাদের মত ধর্ম নিরপেক্ষ মানুষের পক্ষে সম্ভব হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের পরে আবারো ধর্ম নিরপেক্ষতা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাঙালির অর্জিত ধর্ম নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু-
ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্মকর্ম করার অধিকার থাকবে। আমরা আইন করে ধর্মকে বন্ধ করতে চাই না এবং করব না। মুসলমানরা তাদের ধর্ম পালন করবে, তাদের বাধা দেয়ার ক্ষমতা এই রাষ্ট্রে কারও নেই। হিন্দুরা তাদের ধর্ম পালন করবে, কারও বাধা দেয়ার ক্ষমতা নেই। বৌদ্ধরা তাদের ধর্ম পালন করবে, খ্রিস্টানরা তাদের ধর্ম করবে, তাদের কেউ বাধা দিতে পারবে না। আমাদের শুধু আপত্তি হলো এই যে, ধর্মকে কেউ রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না।২৫ বছর আমরা দেখেছি, ধর্মের নামে জুয়াচুরি, ধর্মের নামে শোষণ, ধর্মের নামে বেঈমানী, ধর্মের নামে অত্যাচার, খুন, ব্যভিচার এই বাংলাদেশের মাটিতে এসব চলেছে। ধর্ম অতি পবিত্র জিনিস। পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। যদি কেউ বলে যে, ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়েছে, আমি বলব ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়নি।"
এই প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু আরও বলেন –
স্বাধীন বাংলাদেশ ও সেক্যুলার বাঙালী জাতির অস্তিত্বের রক্ষাকারী হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। আমি এই ধর্মনিরপেক্ষতার চারা বাংলাদেশের মাটিতে পুঁতে রেখে গেলাম। যদি কেউ এই চারা উৎপাটন করে তাহলে বাঙালী জাতির স্বাধীন অস্তিত্বই সে বিপন্ন করবে
এরপরে শুরু হল বাঙালী জাতির স্বাধীন অস্তিত্ব বিপন্ন করার পালা। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি এবং ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্র ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান’ প্রেমিক কিছু মানুষ ধর্ম নিরপেক্ষতা কে ধর্ম হীনতার সাথে তুলনা করে নিজদের পুনরায় আমাদের সাচ্চা পাকিস্তানি বানাবার জন্য উঠেপড়ে লাগলেন। যদিও সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে ধর্মহীনতাবাদ (Atheism) এবং ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ (Secularism) এক জিনিষ নয়। ধর্মনিরপেক্ষতার যদিও অনেক বিতর্কিত সংজ্ঞা আছে কিন্তু সেক্যুলার ষ্টেট এর কনসেপ্ট নিয়ে কোন বিতর্ক থাকতে পারে না। সেক্যুলার ষ্টেট এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে-
A secular state is a concept of secularism, whereby a state or country purports to be officially neutral in matters of religion, supporting neither religion nor irreligion
বঙ্গবন্ধুর উপরের ভাষণ এবং উপরোক্ত সংজ্ঞা থেকে বোঝা যে বাংলাদেশ সেক্যুলার ষ্টেট এর কনসেপ্ট এর উপরে প্রতিষ্ঠিত ছিল, কোনভাবেই ধর্মহীনতর উপরে প্রতিষ্ঠিত ছিল না। ‘কিন্তু চোরে শোনে না ধর্মের কাহিনী’, শুরু হয়ে গেল ধর্মের পুনরায় ব্যবহার। ইসলাম এবং পাকিস্তান জন্য হালকা মনের টান আছে এমন কিছু মুক্তিযোদ্ধা শুরু করলেন এদের সাথে কাজ। এরসাথে প্রভাবক হিসাবে কাজ করল বঙ্গবন্ধুর কিছু রাজনৈতিক ভুল। তিনি ইসলামপন্থীদের মন্ত্রীসভায় রেখে দিলেন,তাজউদ্দীন আহমেদের মত সৎ এবং ধর্মনিরপেক্ষ মন্ত্রীকে ভুল বুঝে অপসারিত করলেন। আরও যুক্ত হল চৈনিক পন্থী বাম দলগুলো(Maoist), যারা চীনের প্রতি আনুগত্যের কারণে স্বাধীনতার প্রশ্নে বিভ্রান্ত। এরপরে ইতিহাস সবার জানা, ৭৫ সালের জন্ম হল(এই লেখায় এই প্রসঙ্গে লিখব না, পরবর্তীতে কোন লেখায় এর জন্ম নিয়ে অবশ্যই বলব ) এবং পরবর্তীতে ৭১ পরাজিত শক্তির পুনর্বাসন শুরু হল।
১৯৭৫ সালে কুখ্যাত রাজাকার শাহ আজিজুর রহমানকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয় এবং ১৯৭৯ সালে তাকে বাংলাদেশে বিএনপি সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বানানো হয় , রাজাকার আব্দুল আলিমকে মন্ত্রী বানানো হয়, সেই ধারাবাহিকতায় ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি শাসনামলে রাজাকার মতিউর রহমান নিজামী এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে মন্ত্রী বানানো হয় । দেলোয়ার হোসেন সাইদীরা বিএনপি জামাত জোটের ব্যানারেই এমপি নির্বাচিত হন ।
পুনর্বাসনের পরে শুরু হল মানুষকে ধর্ম ভীরু করবার পালা, শুরু হয়ে গেল ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশকে ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র’ করবার পালা। ৭৯ সালে সংবিধানকে গণ ধর্ষণ করে অনেক কিছুর সাথে মুছে ফেলা ধর্ম নিরপেক্ষতা, সুযোগ করে দেওয়া হল ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সুযোগ। বিশ্ব বেহায়া এরশাদ তো আরও এক কদম আগে গিয়ে ইসলামকে রাষ্ট্র ধর্ম ঘোষণা করলেন, যার প্রতিবাদে বি এন পি এর মত প্রবল ডানপন্থী রাজনৈতিক দলও ৮৮ সালের সফল এক হরতালে অংশগ্রহণ করেছিল।
এরপরের ইতিহাস আমাদের মুখস্থ। দেখলাম কিভাবে আমিনী, শাইখুল হদিস আজিজুল হক, সাইদীর মত অমানুষরা গর্বের সাথে আমাদের মধ্যযুগে ফিরিয়ে নেবার ঘোষণা দিচ্ছে। এরা এতটাই শক্তিশালী যে এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলেও নির্যাতন নেমে এসেছে। তসলিমা নাসরিন, আজাদ স্যার এর কিছু উদাহরণ। আজ বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগেও ধর্মান্ধ ডানপন্থীদের দাপট। সবার রক্তে বিষ ঢুকিয়ে দিতে পেরেছে বলে নীলনকশা কারীদের সফল বলা যায়। ৫০ বছর আগেও মানুষ এতটা ছিলনা যতটা না ২০১১ সালে। পৃথিবী হাঁটছে একদিকে আর আমরা হাঁটছি একদিকে। আমাদের জন্য এখন দরকার হয় জাকির নায়েক, হিযবুত তাহবির, ইসলামিক টিভি এমন অসংখ্য জিনিষ। আমাদের মেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরেও ধর্মান্ধ হয়ে যাচ্ছে, বোরখা হিজাবের ধারীদের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। আবস্থা থেকে যা মনে হচ্ছে এদেশের মানুষ আগে বিধর্মী ছিল এখন ধার্মিক হচ্ছে।
ব্লু-প্রিন্ট এর বাস্তবায়ন অনেক আগেই হয়েছে, তাই এখন কেউ এর বিরুদ্ধে কথা বললেই শুরু হবে তার ১৪ গুষ্টি উদ্ধার। জাফর ইকবাল স্যারের মত মানুষের কাছে এই নীল নকশা নিজের হাতের তালুর মত পরিচিত। তাই তিনি সুযোগ পেলেই এর বিরুদ্ধে কথা বলেন। ধর্মান্ধ শকুনদের তা কেন পছন্দ হবে? তারা নেমেছে স্যার মূল উৎখাত করতে, যেভাবেই হউক না কেন তাকে মানুষের কাছে ধর্ম বিরোধী, দেশদ্রোহী সাজাতে হবে। এর সাথে প্রভাবক হিসাবে যুক্ত হয়েছে বাম চেতনায় বিশ্বাসী কিছু রক্ত গরম ছেলে-মেয়ের কার্যকলাপ। তার অন্য বিশ্বাস থাকতে পারে তার সমালোচনাও হতে পারে কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে এর ফসল যেন কোন শকুন ঘরে না তুলতে পারে। কিছুদিন আগে সচলে বামপন্থী এক ছাত্র নেতার(মার্ক্স-লেলিনবাদী) একটা পোস্ট করা হল, সেই পোস্ট পড়ে একসময় স্যারের প্রচণ্ড ভক্তও স্যারকে গালি দিতে শুরু করলেন এবং একজন রাজাকারের মত ঘৃণা করতে লাগলেন এবং তাকে ছুঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিলেন। অথচ এখানে ছাত্র নেতা তার মতাদর্শের বাইরের একজনকে রাজনৈতিক আক্রমণ করছেন কি না, তা কিন্তু কেউ বিবেচনায় আনলেন না। কিন্তু যারা এমনটি করেছিলেন তারা মাথা গরমের হয়ে করেছিলেন তা নিশ্চয় এখন বুঝতে পেরেছেন।
যাহোক অনেক কথা বলে ফেললাম, এবার শেষ করবার পালা। সবশেষে বলব যে, মৌলবাদীরা আজ অনেক শক্তিশালী, আমাদের নতুন প্রজন্মের উচিত হবে নিজের ইতিহাসকে জানা এবং মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তার পাশে গিয়ে দাঁড়ানো, কারণ আমাদের সাপোর্ট তার খুবি দরকার। সবাই ভাল থাকবেন।
তন্ময় আহসান
৮ নভেম্বর, ২০১১
মন্তব্য
সব ইতিহাস আমার জানা নেই । তবে যে সব ইতিহাসের কথা আপনি বললেন এবং অবশ্যই যে যুক্তির মাধ্যমে আপনি জাফর ইকবাল এর কথা বলে গেলেন, তাতে আমার ভালোই লেগেছে।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। ইতিহাসকে অবশ্যই জানবেন। ভাল থাকবেন।
তন্ময় আহসান
আওয়ামী বি,এন,পি সব দলের নেতারাই বক্তৃতার শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' বলেন। এটা কি ভন্ডামী নয়? ধর্মের রাজনীতিকরন নয়?
আমাদের শুরু থেকেই শেখানো হয় আরবী'তে কুরআন পড়তে। কয়জন বাঙ্গালী মুসলমান বাংলায় বুঝে কোরান পড়েন? ধর্ম ব্যাবসায়ী নেতা আর দলগুলো তাই মানুষ কে ঠকায় খুব সহজে।
ধন্যবাদ। আমরা জন্মের পর থেকেই ভন্ডামীর মধ্যে আছি, না হলে আছি অজ্ঞতার মাঝে। এদেশে একটা শিশু দেশ নিয়ে কতটুকু জানল তা কোন ব্যপার না কিন্তু ধর্ম তাকে জানতেই হবে। এদেশের শিশুরা জন্ম থেকেই দেশ সম্বন্ধে মূর্খ আর দেশের ব্যাপারে মূর্খ এসব শিশু যখন বড় হয় তখন আশঙ্কাজনক পর্যায়ে থাকে এদের দেশপ্রেম। এসব ধর্মভীরু এবং দেশপ্রেমহীন মানুষকে ঠকানো খুব সহজ।
তন্ময়_আহসান
লেখাটা পড়ে অনেক ভাল লাগছিল। কিন্তু তার চেয়েও ভাল লাগল আপনার এই মন্তব্যটি পড়ে।
অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
আমার বৌ (৩৬) কে তার বাবা হিজাব পরায় নাই, আর আমার বৌ পরাইছে আমার মেয়েকে (১১)। বাংলাদেশে বসে তার বাবা যেটা করে নাই আমার বৌ সেটা করছে এই আমেরিকাতে। তাই মাঝে মাঝে লেগে যায়। বলি বাবা'র চেও দেখি বেশি কট্টর। আমি এক জন লিবারেল মুসলিম। এক জনকে তো ছাড় দিতে হয়। খুবই অশহায় লাগে।
এরকম ঘটে যখন মানুষ নিজেকে তার পারিপার্শ্বিকের মধ্যে ফিট করতে পারে না। দেশে যখন আমরা বাস করি, পরিজনের মধ্যে থাকি, আমাদের কাজ আর অবসরের পরিবেশে আমরা নিজের একটা জায়গা খুঁজে পাই। এই জায়গাটা সাংস্কৃতিক। দেশের বাইরে যখন আমরা যাই, আমাদের পরিজনের জায়গা করে নেয় প্রবাসী কমিউনিটি। এই কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই রুচির বৈভিন্ন্য আমাদের পরিজনদের তুলনায় অনেক বেশি হয়। ফলে কমন গ্রাউণ্ড শেষমেশ দাঁড়ায় একটাই, ধর্ম। ফলে এই কমন গ্রাউণ্ডের ভিত্তিতে কমিউনিটিকে নিজের পরিজনের মতো নিবিড় করে তোলার জন্যে দেখা যায় ধর্মীয় চিহ্ন আর আচারগুলো বড় হয়ে দেখা দেয়। আর প্রবাসে গিয়ে আমরা সবার আগে যা করি, সে দেশের মানুষদের কাছ থেকে দাগ টেনে নিজেদের আলাদা করি। ফলে আমরা না পারি তাদের সাথে মিশতে, না পারি দেশে ফেলে আসা পরিজনদের সঙ্গ পেতে, শেষ পর্যন্ত আমাদের আশ্রয় হয় হিজাবনিকাব।
প্রবাসে নিজেদের মনের মতো একটা কমিউনিটি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, রীতিমত ভাগ্যের ব্যাপার। এ কারণেই সম্ভবত সচলায়তন আমাদের অনেকের ভার্চুয়াল কমিউনিটি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চমৎকার ব্যাখ্যা।
অতি সত্য কথা
আমার পর্যবেক্ষণের সাথে সম্পূর্ণ মিলে গেল
আরেকটা কারণ হয় আমেরিকান সংস্কৃতি থেকে বাচ্চাকে দূরে রাখা। এই বয়সে বাচ্চারা যখন গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ডের দিকে ঝুকতে থাকে আর 'ইটস মাই লাইফ' বলা শুরু করে তখন ধর্মটা ঢাল হিসাবে ব্যবহার করা খুব সহজ।
কথাটা ঠিক যে হিজাব আমেরিকান সংস্কৃতি থেকে বাচ্চাকে দূরে রাখার উত্তম উপায়। তবে সেটা কতদিন সেইটা হইল কথা। আবার এইটাও মানি হাতা কাটা আর চিপা জিন্স থেকে হিজাব মন্দনা। আর বেশি রখনশীল হলে দেশে থাকাটা ভাল নই কি?
লেখাটা বেশ ভাল। নতুন কিছু ইতিহাস জানা গেল। চালিয়ে যান ভাই।
সাম্প্রদায়িক শক্তি আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে তৎপর একটু আগে খবর পেলামা উদাচির সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হামলা হয়েছে
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর অনুষ্ঠানে কয়েকটি ইসলামী দলের কর্মীরা হামলা চালিয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খেলাফত মসলিশ, জমিয়তে উলামা ইসলাম, জমিয়তে উলামা দলের স্থানীয় জোট 'ইসলামী বিপ্লবী আন্দোলন'-এর এই হামলায় উদীচীর ১০ নেতাকর্মী আহত হন বলে দেশের অন্যতম এ পুরনো সাংষ্কৃতিক সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন।
উদীচীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় বানিয়াচং-এ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা উদীচীর সহ-সভাপতি অপু চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে হঠাৎ করে ইসলামী বিপ্লবী আন্দোলন নামে একটি জঙ্গি গ্র"প সভায় হামলা চালায়।"
হামলায় আহতদের মধ্যে হবিগঞ্জ জেলা উদীচীর সহ-সভাপতি অপু চৌধুরী, বানিয়াচং উপজেলা উদীচীর সভাপতি ইমদাদুল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক মামুন, উদীচীর কর্মী গৌছ মিয়াকে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
বানিয়াচং উপজেলা জমিয়তে উলামা ইসলামের সদস্য উমর ফারুক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ইসলামী বিপ্লবী আন্দোলন নামের ওই জোটে খেলাফত মসলিশ, জমিয়তে উলামা ইসলাম, জমিয়তে উলামা দল রয়েছে।
হামলার প্রতিবাদে সেখানে তাৎক্ষণিক এক প্রতিবাদ সভা করে উদীচী।
উদীচীর হামলার মধ্য দিয়ে মৌলবাদী শক্তি তাদের শক্ত অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছিল।
তন্ময়_আহসান
আবার শুরু হল
কিসের শুরু? ঝেড়ে কাশুন
আর কিসের পাগলা কুকুরের উন্মত্ততা
ভালো লাগল আপনার লেখা।
_________________
[খোমাখাতা]
ভাই, আমার কথাটা শুনুন, প্রত্যেক সম্প্রদায়ে কুলাঙ্গার থাকে। ইসলাম ধর্মেও তেমন আছে। এসব কুলাঙ্গাররা কোনো ধর্মই মানে না। এসব কুলাঙ্গারদের দেখে ইসলাম ধর্ম কে দোষারোপ করবেন না। সত্যিকার ইসলাম ধর্ম, বা যে কোনো ধর্ম সম্পর্কে জানতে হলে সে ধর্মের ধর্মগ্রন্থ পড়ে দেখুন। আপনি কোনোদিন কুরআন পড়ে দেখেছেন? মানুষ কিভাবে একটা ধর্ম সম্পর্কে না জেনে মিথ্যারোপ করে? আপনি নবী মুহাম্মাদ (স.) সম্পর্কে কতটুকু জানেন?
যারা এসব বলে তারা বিভিন্ন যায়গা থেকে ইসলাম সম্পর্কে ভুল জিনিস শুনে বলে। বর্তমান পৃথিবীতে ইসলাম সম্পর্কে সবচেয়ে বেশী অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অথচ সত্যটা কেও জানতে চায় না !
তাই আমার অনুরোধ , আপনারা সঠিক ইসলামকে জানার চেষ্টা করুন। কুরআন পড়ে দেখুন , ইনশাল্লাহ আপনি দেখেবেন ইসলাম কত সুন্দর।
সঠিক ইসলামের একটা বাস্তব উদাহরণ দ্যান তো ভাই। গাছ থেকে যতো আম পাড়ি তার সব যদি টক হয় তাহলে কি "এই গাছের আম টক" বলে খাওয়া বাদ দিবো না খেতেই থাকবো কারণ গাছটার "সত্যিকারের" আম মিষ্টি হবে?
আমরা কোন ধর্মের বিরুদ্ধে লাগিনি। আমরা ধর্ম নিরপেক্ষতা চাই। আপনি পালন করুন আপনার ধর্ম। কিন্তু তা রাষ্ট্রের জন্য ব্যবহার না করলেই ভাল। আর এই লেখা আপনাকে পতি ক্রিয়াশীল করে তুলল কেন বুঝলাম না??? শুনুন-
শুধুমাত্র নিজের অনুভূতির কথা কেন ভাবেন, অন্য ধর্মের মানুষ কি বাঙালি না নাকি? আমাদের পরিচয় আমরা বাঙালি, আমাদের জাতীয়তাবাদ বাঙালি। এজন্য যখনি কোন আঘাত আসে সব বাঙালি একসাথে রুখে দাঁড়ায়। ধর্ম আমাদের কাছে এসবের পরে। ধর্ম পালনের যেমন স্বাধীনতা থাকবে না পালন করার স্বাধীনতাও থাকবে। ইহাকেই বলে ধর্মনিরপেক্ষতা। ইহাকেই বাঙালি ভালবাসে। আপনিও বাঙালি হলে ভালবাসতে শিখুন। ধন্যবাদ।
তন্ময়_আহসান
@তন্ময়_আহসান
আপনি কি জানেন ইসলাম একটা অসাম্প্রদায়িক ধর্ম? অথ্যাৎ ইসলাম অন্য ধর্মের অধিকার হরন করে না।
আমরা শুধু তাদের কাছে সত্যটা প্রচার করতে পারি। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন-
"আর ( হে ঈমানদারগণ!) এরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে ডাকে তোমরা তাদেরকে গালি দিয়ো না৷ কেননা, এরা শিরক থেকে আরো খানিকটা অগ্রসর হয়ে অজ্ঞতাবশত যেন আল্লাহকে গালি দিয়ে না বসে"[সুর৬ আয়াত১০৮]
ইসলাম অন্য ধর্ম পালনে বাধা দেয় না। তাই ইসলাম অসাম্প্রদায়িক।
বললেন,"আর এই লেখা আপনাকে অতি ক্রিয়াশীল করে তুলল কেন বুঝলাম না???"
ভাই এই লেখা না , লেখার মন্তব্যগুলো আমাকে ক্রিয়াশীল করে তুলেছে। আপনার সাথে আমি একমত , ধর্ম যার যার , রাষ্ট্র সবার। আল্লাহ বলেছেন- “দ্বীনের ব্যপারে জোর-জবরদস্তি নেই, ভ্রান্ত মত ও পথ থেকে সঠিক মত ও পথকে ছাঁটাই করে আলাদা করে দেয়া হয়েছে।“[২:২৫৬]। আমরা সবাই বাঙালী, বাঙালী হিন্দু, কেউ বাঙালী মুসলিম, কেউ বাঙালী বোদ্ধ, কেউ বাঙালী খ্রিষ্টান , আমরা সবাই বাঙালী, এতে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশের ইতিহাস দেখলে মুসলমানদের বাঙালী জাতি ও দেশের প্রতি ভালবাসার যে ইতিহাস দেখা যায় তা হিন্দু , বোদ্ধ , খ্রিষ্টান দের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয় বরং বেশী।
ভাল থাকবেন
@মুহাম্মাদ কামরুল,
সচলের আরেকটা পোষ্টে ও আপনি একই রকমের মন্তব্য করেছেন। আপনি যদি সত্যি সঠিক ইসলাম, মুহম্মদ আর কোরান সম্পর্কে এতই জানেন, আলাদাভাবে পোষ্ট দিন। তখন দেখব আপনার ইসলামী জ্ঞ্যানের ভাণ্ডার!!! দয়া করে যুক্তি/ ব্যাখ্যা সহ মন্তব্য করুন। শুধু ইসলাম সুন্দর, মুহম্মদ কাবিল- এইসব আবোল তাবোল মন্তব্য করবেন না। আশা করি মুসলিম থেকে মানুষ হবেন।
@আমি আমার
ধন্যবাদ ভাই। চেষ্টা করবো আলাদাভাবে পোষ্ট দেবার। আর আমি চেষ্টা করি যুক্তি/ ব্যাখ্যা সহ মন্তব্য করতে।
কিন্তু আপনারাও তো যুক্তি/ ব্যাখ্যা ছাড়াই বা অজ্ঞতাবশত কথা বলেন। বললেন মুসলিম থেকে মানুষ হতে, ভাই মুসলিম হতে হলে আগে ভালো মানুষ হতে হয়, ভালো মানুষ না হয়ে মুসলিম হয়া যায় না।
একজন মুসলিম হলো সেই মানুষ , যে সৃষ্টিকর্তাকে মেনে চলে, মিথ্যা বলে না, মানুষ মারে না, ঠকায় না,
হিংসা করে না..ইত্যাদি। আশা করি আপনিও মুসলিম হতে চাইবেন।
কামরুল ভাই, আপনি কি মুসলিম?
@হিমু
আমি একজন মুসলিম হিসেবে গর্বিত এবং সবারই গর্ব করা উচিত।
এখানে ইস্লামকে আক্রমণ কোথায় করা হলো? ইস্লামকে ব্যাবহার করে যারা ফায়দা লুটতে চায় তাদের চেনানো হচ্ছে। কি বুঝলেন? ইতিমধ্যে আপ্নিও অবশ্য বুঝিয়ে দিয়েছেন অনেক কিছু !
লেখাটি ভালো লেগেছে। জাফর স্যারের মৌলবাদ বিরোধী সাহসী ভুমিকাকে সেলুট জানাই। আসলে দেশে মৌলবাদীদের বিস্তার এমন হয়েছে যে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও উপাচার্যরাও মোল্লাতন্ত্র দখলে প্রতিযোগিতায় নেমেছেন ! আজকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চালকেরাও জননেতার মত ভাষন শুরু করেন "বিসমিল্লাহ" দিয়ে, আর শেষ করেন "জয় বাংলা" দিয়ে !
সকল মৌলবাদ বিরোধী কার্যক্রমের প্রতি নৈতিক সমর্থন থাকবে।
মৌলবাদকে মুছে দিতে হবে। আমিনীরা এত সাহস পাই কোথা থেকে??? কারণ আমরা কিছু জানি না, এরা আমাদের অজ্ঞতার সুযোগ নিচ্ছে।
অসাধারণ balanced একটা লেখা। দ্বিজাতিতত্বের উৎপত্তি থেকে শুরু করে ধর্মজীবিদের কর্মকান্ডের ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ পর্যন্ত প্রায় সব বিশ্লেষণই আমার ব্যক্তিগত reasoning এর সাথে মিলে যায়।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। আপনিও লিখুন। এদের মুখোশ খুলে দিতে হবে।
আপসি যেভাবে বিশ্লেষণ করেছেন তা অবশ্যই সাধুবাদ পাবার যোগ্য।আপনার লেখায় ভাবনার খোরাক পেয়ে ভার লাগলো।
মূর্তালা রামাত
ধন্যবাদ
ভালো লাগলো!
চমৎকার উদ্ধৃতি। আগে শুনিনি, কিন্তু একদম ১০০% আসল কথা এইটা।
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
আবহমান কাল থেকেই বাংলাদেশ একটি ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ। কিন্তু কতিপয় স্বার্থান্বেষী মানুষের মূর্খতার কারণে আমরা এ অনন্য সাধারণ গুণটি আজ হারাতে বসেছি এবং আমাদের দেশপ্রেমিক ত্যাগী মানুষগুলোকে অসম্মান করছি, যা আমাদের জন্য একটি লজ্জার ব্যাপার ছাড়া আর কিছুই না। ধন্যবাদ লেখককে।
ভালো লেখা। ধর্মনিরপেক্ষতা আর ধর্মহীনতার পার্থক্য না বুঝে ওঠা পর্যন্ত সাধারন জনতাকে বোকা বানিয়েই যাবে ধর্ম ব্যবসায়ীরা। দুটি পয়েন্টে খটকা লেগেছে। ১ - ১৯৯১ - ২০০১ সালে কি কোন জামায়াত নেতা মন্ত্রীত্ব পায় নি? ২ - ধর্মান্ধ নারীরা সবাই হিজাবধারী এটা সত্যি, উল্টো যুক্তিতে সব হিজাবধারী নারী ধর্মান্ধ এই সিদ্ধান্তে কি আসা যায়?
২. না। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের (পুরুষ-নারী উভয়েই) চাপে হিজাব পরতে বাধ্য হন। কিন্তু এঁরা সচরাচর নিজেরা হিজাবের সপক্ষে তর্ক করেন না, কিংবা কেউ হিজাব না পরলে তাকে রাস্তাঘাটে ধরে চটকনা মারার আহ্বান জানিয়ে করা ফেসবুক নোটে লাইক মারেন না।
আপনি কিছু জানলে জানান। ১৯৯৬-২০০১ এর মধ্যে আমার জানা মতে কেউ নাই।
সমাজ কাউকে কিছু পড়াতে বাধ্যা করবে না। আমাদের পোশাক হবে আমাদের সংস্কৃতির পরিচয়, ধর্মের পোশাক আমরা পড়তে চাই না।
মেয়েরা ফতুয়া-টি-শার্ট-জিন্স পরলে একগ্রুপের সমস্যা।
আর বোরখা পরলে আরেকগ্রুপের সমস্যা।
কে কি পরবে সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার হওয়াটাই কি সমীচিন হয়?
আমার কাছে দুই গ্রুপকেই মৌলবাদী মনে হয়।
হ! সবাই মেয়েদের কাপড় ধরে এত টানাটানি করে কেন? মেয়েরা কি পড়বে এটা নিয়ে মেয়েরা কি কম চিন্তা করে মনে করেন? ছেলেদের এত মাথা ঘামানোর কোন দরকার নাই।
মেয়েরাও তো বলতে পারে, "ছেলেদের হাফ প্যান্ট পরা যাবে না, লোমশ ঠ্যাং দেখিয়ে ঘুরে বেরানো যাবে না, এতে মেয়েদের মেজাজ খারাপ হয়, ইত্যাদি ইত্যাদি।" সেটা নিয়ে কখনো কোন মেয়েকে এইরকম বিরাট লেভেলের গেঞ্জাম করতে দেখেছেন?
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
সেটাই। মেয়েরা যেমন গ্যাঞ্জাম করে না, তেমন ছেলেদেরও উচিত এটা নিয়ে গ্যাঞ্জাম না করা।
একগ্রুপ আছে জাফর ইকবালের মেয়ের ড্রেস নিয়ে লাফালাফি করার জন্য। আর জাফর ইকবাল স্যার, যাকে আমরা শ্রদ্ধা করি তার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর তার কাজের জন্য, তার দেশাত্ববোধ জাগ্রত করার ভুমিকার জন্য, বাংলা বিজ্ঞান-কল্পকাহিনীতে অসামান্য অবদানের জন্য; সেই তিনি এখন সাথে সাথে এই মেসেজটাও দিচ্ছেন যে, বোরখা বা হিজাব পরা প্রগতির অন্তরায়।
বলাই বাহুল্য, প্রথমগ্রুপ চরমনোংরা মানসিকতার।
আর জাফর ইকবাল স্যার তার মেসেজ প্রদানের সাথে সাথে দ্বিতীয় গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাচ্ছেন। দ্বিতীয় গ্রুপ প্রগতির কথা বলে স্বল্পবসনকে প্রযুক্তি আর প্রগতির সাথে সামঞ্জস্য বিধানে ব্যস্ত। কিন্তু বাস্তব দুনিয়ার স্টাডিগুলো কতটুকু উলটা কথাবলে বলে সেটার উপর প্রচুর মেটেরিয়াল অনলাইনে আছে; যে কেউ দেখে নিতে পারে আর সেটা এখানকার আলোচ্য বিষয়ও নয়। আসল বিষয় হলো, একটা মেয়ে তার শিক্ষা, আদর্শ, চিন্তা-ভাবনা দিয়েই ঠিক করুক সে কি পরবে; কোনটা তার জন্য মর্যাদার, কোনটা তার জন্য নিরাপদ, কোনটা তার জন্য পুরুষের ইচ্ছার ক্রীড়ানক নয়।
আপনে বলতে চান হিজাব/বোরকা মেয়েরা নিজেরা আবিষ্কার করেছে? হিজাব/বোরকা ধর্ম ও পুরুষদের চাপিয়ে দেয়া না?
১ লাখ ২৪ হাজার পয়গম্বরের ভেতরে একজনও মেয়ে না কেনু কেনু কেনু বুইলতে পারবেন?
সব ড্রেসই কারো না কারো চাপিয়ে দেয়া। সারা বিশ্বে শার্ট প্যান্ট পরে - এটা ইংরেজ উপনিবেশিকতার চাপিয়ে দেয়া। যখন একটা স্কুলে পড়েন- সেই স্কুল তার ইউনিফর্ম জোর পূর্বক চাপিয়ে দেয়। ফ্যাশন হাউজ গুলো নিয়ন্ত্রণ করে কে কি ড্রেশ পরবে।
তাহলে??????
অধিকাংশ প্রতিষ্টান তার অঙ্গিভুত জনগনকে পোষাক-আশাক, আচার-ব্যবহার ইত্যাদির একটা গাইডলাইন দেয়। এবং গাইডলাইন গুলো মানা অনেক ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক থাকে, অনেকক্ষেত্রে একটু সিথিলও থাকে।
যাইহোক, যদি কোন ব্যাক্তি কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্টান দ্বারা কনভিন্সড হয়ে স্বেচ্ছায় সেই প্রতিষ্টানের প্রেস্কাবড ড্রেস পরতে চায়, তাহলে কারুর এটা বলা উচিত নয় যে উক্ত প্রতিষ্টান তাকে সেটা চাপিয়ে দিয়েছে। আশা করি বোধগম্য হয়েছে।
রুমী ভাই, কালকে থেকে বোরখা পরা শুরু করেন। আমার কথায় কনভিন্সড হন, আমার প্রেসক্রিপশন মেনে নিন। বোরখা পরেন কালকে থেকে। তবে আমি কিন্তু বোরখা আপনার ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না। আমি চাই আপনি স্বেচ্ছায় কালকে থেকে বোরখা পরে ঘোরাঘুরি করুন।
আপনার কথায় কনভিন্সড হতে পারতেছি না বলে দুঃখিত।
যদিও ব্লগে মডারেশনে সুবিধার জন্য মডুর কথায় কনভিন্সড হওয়াটাই ভাল। হা হা হা।
প্রবলেম এক্টাই, কনভিন্স করার মত যুক্তির অভাব রয়েছে।
যা বুঝতে পারলাম আপনি ইংরেজদের চাপিয়ে দেয়া প্যান্ট-শার্ট পরেন না।
তাহলে কি আপনি পাকিস্তানিদের চাপিয়ে দেয়া পাজামা-পাঞ্জাবি পরেন, নাকি বাংলাদেশিদের চাপিয়ে দেয়া পোষাক লুঙ্গি-গেঞ্জি পরেন? নাকি কিছুই পরেন না?
ইসলামে পর্দার কথা যেমন বলা হয়েছে তেমনি অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা, তাদের হত্যা করা, জিজিয়া কর দিতে বাধ্য করার কথাও বলা হয়েছে।
যান না পারলে দুই-চারটা ইউরোপিয়ান/আমেরিকান মেরে দেখান। নাকি আমেরিকান/ইউরোপিয়ানদের সাথে গায়ের জোরে পারেননা দেখে কোরানের ওই নির্দেশগুলো মানেন না? মেয়েদের গায়ে জোর কম দেখে ওদের বস্তায় ভরা সহজ তাই না?
ইসলামে তো মদ খাওয়া যেমন হারাম, তেমনি গান শোনা, ছবি আকাঁ ইত্যাদিও হারাম। মদ খাওয়ার বিরুদ্ধে মুমিন মুসলমানদের খুব লাফাতে দেখি, কিন্তু কোনদিন কোন মুমিন ভাইকে গান শোনা, ছবি আঁকার বিরুদ্ধে লাফাতে দেখি না কেন?
হায় হায়, মুমিন ভায়েরা কি বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের ছবি আঁকা ডলার, দ্বিতীয় এলিজাবেথের ছবি আঁকা পাউণ্ড, শেখ আর উটদের ছবি আঁকা রিয়াল কিংবা শেখ মুজিব আর রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ছবি আঁকা বাংলাদেশী টাকা ব্যবহার করেন নাকি?
ফেসবুক হারাম তাই বিকল্প হিসাবে "মেড ইন পাকিস্তান' মিল্লাত ফেসবুক আছে। ফেসবুক তো অনেক পরের ব্যাপার, প্রথম কথা হচ্ছে কাফেরদের বানানো ইন্টারনেট ব্যবহার করা কি হালাল হইতে পারে?
অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ইসলাম সম্পর্কে আমাদের আরো জানার প্রয়োজন রয়েছে।
বলেন শুনি, কী জানার প্রয়োজন আছে। আপনি কী এমন বেশি বিদ্যা পকেটে নিয়ে বসে আছেন, একটু শেয়ার করেন আমাদের সাথে।
তা আপনে যখন এত বিদ্ধান তাইলে বলেন দেখি:
কাফেরদের আবিষ্কৃত ইন্টারনেট ব্যবহার করা হালাল নাকি?
@রুমীঃ ভাই বেশিবিদ্যাধর, আপনি কি জিন্স পরেন? জিন্স পরা কিন্তু ইস্লামে নিষেধ। মানে টাইট জিন্স পরা ছেলেদের জন্যও নিষিদ্ধ। এটা জানেন তো? আপনি কি পরেন জানতে মঞ্চায়।
আমার কমেন্ট পড়ে এটা বুঝলে ত মুসকিল। মনে হয় আমার বোঝানোরই ব্যর্থতা।
কোন সংস্কৃতি কর্তৃক চাপিয়ে দেয়া হলেও যদি আপনি কনভিন্সড হন যে, এটা ভাল আপনার জন্য তখন অন্য কারোর লাফানোর কিছু নাই তাই নয়কি?
আপনি তাহলে বোরখা পরতে রাজি হচ্ছেন না কেন? আপনি কি বোরখার ব্যাপারে কনভিন্সড না?
দুনিয়ার সব পোষাকইতো কারো না কারো চাপায়া দেয়া।
আল্লাহ তো কাউরে বোরকা পিন্দায়া পাঠায় না। সেই হিসাবে তো ন্যাংটা থাকা উচিত সবার।
আপনার মন্তব্যের ২য় অংশ পোষ্টের সাথে অপ্রাসাংগিক। আমার মন্তব্যের সাথে প্রাসাংগিক হলে আলোচনা করতে সুবিধা হয়।
বোঝেনই তো; জ্ঞানের স্বল্পতা।
বর্ণালির দুই চরম প্রান্তের বাইরে কিছু দেখতে না পেলে তো সমস্যা। জাফর স্যার বোরখা পড়তে না করছেন কিনা সে তর্ক বাদ দিয়েও বলা যায়, বোরখা আর স্বল্প বসনের মাঝেও নানা ধরণের পোষাক আছে। বোরখা পড়তে না করলেই স্বল্প বসনের কথা মাথায় চলে আসা সুবিধার ব্যাপার না।
---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়
----------------------------------------------------------------------------
একশজন খাঁটি মানুষ দিয়ে একটা দেশ পাল্টে দেয়া যায়।তাই কখনো বিখ্যাত হওয়ার চেষ্টা করতে হয় না--চেষ্টা করতে হয় খাঁটি হওয়ার!!
স্বল্পবসনের কথা এজন্য আসছে যে, প্রথমগ্রুপ মাতছে জাফর ইকবালের মেয়ের স্বল্পবসনকে কেন্দ্র করে। আর দ্বিতীয় গ্রুপ মাতছে বোরখাকে নিষিদ্ধ করার মন্ত্রণায়।
মাঝামাঝি ড্রেস- শাড়ী বা শালোয়ার-কামিজ পরা যা আমাদের সংস্কৃতিতে ট্রাডিশনাল তা নিয়ে কোন গ্রুপই কিন্তু প্রশ্ন তুলছে না।
এক গ্রুপের (২য়) সমস্যা তারা বোরখাকে প্রগতি বিরুদ্ধ হিসেবে প্রচার করে যা হাস্যকর এ কারণে সে, কোন গবেষনা থেকেই সেটা প্রমাণ হয় না; বরং অধিকাংশ গবেষনায় তার উল্টোটাই উঠে এসেছে।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, যেহেতু শ্রদ্ধেয় স্যার এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত বলে আপাত ভাবে প্রতিয়মান হন এবং এই গ্রুপের সদস্য স্যারের পরিবারের সদস্য স্বল্পবসনা হবার ফলে, আরেক গ্রুপ(১ম) এই গ্রুপকে স্বল্পবসনধারী মনে করছে। এই গ্রুপ (২য়) স্বল্পবসন পরে কি না পরে তার প্রশ্ন এখানে অবান্তুর; বান্তর হলো এই যে, তারা এটাকে মার্জিত/এলাউড মনে করে।
আরেক গ্রুপের (১ম গ্রুপ) সমস্যা, তারা একজন মানুষের পারসোনাল চয়েস অনুযায়ী ড্রেস পরার যে অধিকার সেটাকে তারা কুৎসিত ভাবে তুলে ধরছে। এই গ্রুপ ২য় গ্রুপের স্বল্পবসনাকে টার্গেট করছে।
এক গ্রুপ বোরখা নিয়ে টানাটানি করছে, আরেক গ্রুপ স্বল্পবসনকে নিয়ে টানাটানি করছে। আমার কাছে মনে হয়, মাঝামাঝি ড্রেসগুলা নিয়ে কোন গ্রুপেরই কোন আপত্তি নেই।
বস্তুত কে কি পরবে সেটা ঠিক করার অধিকার কোন গ্রুপেরই নেই, তার একমাত্র অধিকার তার নিজের; সে তা ঠিক করবে তার নিজের শিক্ষা দিয়ে; তার বিশ্বাস দিয়ে; তার মুল্যবোধ দিয়ে। এই বোধই প্রকৃত প্রগতিশীলতা।
ভাই, আপনি এক কাজ করেন, আপনিও এখন থেকে বোরখা পরা শুরু করেন। মেয়েদের বোরখা পরানোর জন্য আপনার সংগ্রামী ভূমিকাকে আমরা সশ্রদ্ধ স্যালুট জানাবো। আপনি নিজে টিশার্ট পরে ঘুরবেন, আর মেয়েদের বস্তায় ঢুকাবেন, কেমন না জিনিসটা? আজকেই নিউমার্কেট থেকে বোরখা কিনে পরে চলাফেরা করুন। বিভিন্ন গবেষণায় যেহেতু প্রমাণিত হয়েছে যে বোরখা প্রগতিবিরুদ্ধ নয়, আপনার কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না। কাম অন ম্যান, আপনি পারবেন। ইয়েস ইউ ক্যান!
আজকাল ছেলেদের কি সব বুক খোলা ফতুয়ার ডিজাইন বের হইছে। ছি! ছি! ছেলেদের বোরখায় আবৃত করা হোক। এইসব দেখলে মেয়েদের ঈমান টলে যায় না বুঝি?
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
@হিমু
ভাই, আপনি এক কাজ করেন, আপনিও এখন থেকে শর্ট পরা শুরু করেন। মেয়েদের শর্ট পরানোর জন্য আপনার সংগ্রামী ভূমিকাকে আমরা সশ্রদ্ধ স্যালুট জানাবো। আজকেই নিউমার্কেট থেকে মিনি-শর্ট কিনে পরে চলাফেরা করুন। আপনার যেহেতু এত ভালো লাগে আপনার কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না। কাম অন ম্যান, আপনি পারবেন। ইয়েস ইউ ক্যান!
কামরুল ভাই, আসেন আমরা মেয়েদের ৫টা কাপড়ের নাম বলি। আমি প্রথম দুইটা বলি, আপনি বাকিগুলি বলেন।
১. বোরখা
২. শর্টস
৩. ?
৪. ?
৫. ?
উনি যে বোরখার বাইরে শর্টসের নাম জানে, তাতেই শোকর গুজার করেন।
---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়
কামরুল ভাই, ৩ এ বিকিনি লিখবেন, তাই ওযু করতে গেছেন।
মন্তব্যে সহিষ্ণুতা ভদ্রতার পরিচায়ক তাই নয়কি?
আমার বক্তব্য দেখে এতটুকু আশা করি বুঝতে পারছেন, আমি উপরিউক্ত দুই চরমপন্থী গ্রুপের কোন গ্রুপের না। মধ্যপন্থী ও সহিষ্ণু গ্রুপের। প্রকৃত প্রগতিশীল শুধু স্বেচ্ছায় স্বল্পবসন পরার স্বাধীনতায় বিশ্বাসী না, স্বেচ্ছায় বোরখা পরার স্বাধীনতায়ও বিশ্বাসী না। আমি অবস্থান সেটাই। তাই শুধু বোরখা পরতে বলাটা কমেন্টকারীর বোধগম্যতার জন্য দরকারী জিনিসের অভাবই নিশ্চিত করে।
আমি বরং এটা খুব সহজে বলতে পারি, একগ্রুপের পুরুষদেরকে অফিসে সেই স্বল্পবসন পরতে যেটা তারা সুকৌশলে মেয়েদের উপর চাপিয়ে দিচ্চেন, আরেক গ্রুপের উচিত বোরখা পরে এখানে ওখানে বেড়ানো।
ধন্যবাদ।
অন্যের কাপড় পড়ার স্বাধীনতায় আপনার বিশ্বাসের ভূমিকা কী?
আপনি তো কথা শুরুই করেছেন জাফর ইকবালের মেয়েকে স্বল্পবসনা বানিয়ে। আপনার কথা শুনে যে কেউ মনে করবে, জাফর ইকবালের মেয়ে জামাকাপড় ঠিকমত পরে না, এবং সে "সুকৌশলে স্বল্পবসন চাপিয়ে দেয়া" গ্রুপের একজন নেতৃস্থানীয় কেউ। এই টুইস্টটা দিয়ে আপনি ভদ্রলোক সেজে কথা বলে যাবেন, আর সবাই আপনার সাথে পাল্টা ভদ্রতা করবে? ভাই, আপনি সহিষ্ণু হতে পারেন, কিন্তু আপনি মধ্যপন্থী নন।
এইবার আপনার বাকি কথায় আসি। বোরখা প্রগতির বিরুদ্ধে না, এটা অনেক গবেষণা থেকে উঠে আসছে বলছেন, এই গবেষণাগুলি কে কোথায় বসে করেছে, আর এই গবেষণা কোন জার্নালে ছাপা হয়েছে, একটু জানান আমাদের। আর বোরখা যখন প্রগতির বিরুদ্ধে না, আপনার তো বোরখা পরতে বলায় গোস্বা করার কোনো কারণ দেখতে পাচ্ছি না। কালকে থেকে পরা শুরু করে দেন।
আমারও একই প্রশ্ন। কোথায় ছাপা হয়েছে?
টুইটার
কোন কারনে আমি থিসিসের লিংক/url দিলে পাবলিস হচ্ছে না। সম্ভবত বাগে ধরেছে।
আপাতত গুললে সার্চ দেন এটা লিখেঃ Veiled Muslim Women in Australian Public Space: How do Veiled Women Express their Presence and Interact in the Workplace?
সার্চ রেজাল্টের প্রথম pdf টা আপাতত ডাউনলোডান। এটা পড়েন আর এর রেফারেন্স গুলাও দেখেন।
ধন্যবাদ।
রুমী ভাই, সায়হাম উয়াজিফ নামে এক লোকের মাস্টার্সের থিসিস দেখায়। মাস্টার্সের থিসিস, ডিসার্টেশন দেখতে চাই না। জার্নালে প্রকাশিত পেপার দেখান। কুষ্টিয়ার ইসলামী ইউনিভার্সিটিতে বসে আমিও মাস্টার্স থিসিস লিখে দেখাতে পারবো যে বোরখা পড়লে ক্যানসার হয় না। জার্নালের পাবলিশড পেপার হচ্ছে পিয়ার রিভিউড গবেষণা। সেইটা দেখান।
ভাবলাম কোন অ্যাকাডেমিক থিসিস বুঝি! ডাউনলোড করে দেখি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম লেখা নাই। ডাউনলোড সোর্স : http://www.antropologi.info/blog/anthropology/pdf/Veiled_Muslim_Women_in_Australian_Public_Space.pdf
সোর্স "antropologi.info/blog" কেন? থিসিসটা অস্ট্রেলিয়ান কোন বিশ্ববিদ্যালয় ডোমেইনে খুঁজে পেলাম না। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে থিসিসটা জমা দিসে?
অ্যানথ্রোপলজিতে মাস্টার্স করা কোন এক আরব ছাগুর লেখা ৬৫ পাতার একটা প্রবন্ধ যদি হিজাবের উপকারিতা বর্ণনার একমাত্র উদাহরণ হয় তাহলে কীভাবে হবে? মুসলিম উম্মাহর লোকজন এত আনপড় হলে হবে?
আসেন প্রবন্ধ ব্যবচ্ছেদ করি। যদিও আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে আপনে আদৌ বুঝবেন কি না।
পুরা অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ খুঁজে ১৬ জন হিজাবি মুসলিমাহকে পাওয়া গেল? ১৬ জন হিজাব পরে দেখে পুরো মুসলিম উম্মাহ উন্নত হয়ে গেল কীভাবে বুঝতে পারলাম না। ১৬টা স্যাম্পল দিয়ে ১ বিলিয়ন মুসলিম কী করবে সেইটা ডিফাইন করা যায়?
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী তো নাস্তিক। তাহলে একই যুক্তিতে কি এইটা বলা যায় না যে নাস্তিক হইলে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্ভব?
লিংকড ইনে দেখলাম আপনের শাইহাম উয়াজিব নরওয়েতে ইন্সুরেন্স কনসালটেন্ট। এত বড় গবেষক ইন্সুরেন্স কনসালটেন্ট হইলে তো মহাবিপদ!
জাফর ইকবাল স্যারের পয়েন্ট টা হচ্ছে যে, আমরা কি রকম সমাজে বাস করছি, যেখানে একটা মেয়েকে নিজের শারীরিক মানসিক নিরাপত্তার জন্য নিজেকে একটা কালো বস্তায় ঢুকিয়ে ফেলার চিন্তা করতে হয়।
ধরেন যেই সমাজে সবাইকে সশস্ত্র হয়ে ঘুরাফেরা করতে হয় সেটা কি নরমাল সমাজ? একটা মেয়েকে কেন কুদৃষ্টি থেকে বাচতে সবসময় এরকম তটস্থ হয়ে চলাফেরা করতে হবে? সমস্যাটা কোথায় বুঝতে পারছেন? মেয়েদেরকে একটা স্বাভাবিক জীবন ধারন করতে দেয়া হচ্ছে না। নানাভাবে তাদেরকে আগলে/আটকে রাখার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। কেন?
মেয়েদের লাইফ তাদেরকেই ভাবতে দেন। সিদ্ধান্ত না নিতে নিতে মেয়েদের চিন্তা করার ক্ষমতাই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে/ গ্যাছে ।
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
----------------------------------------------------------------------------
একশজন খাঁটি মানুষ দিয়ে একটা দেশ পাল্টে দেয়া যায়।তাই কখনো বিখ্যাত হওয়ার চেষ্টা করতে হয় না--চেষ্টা করতে হয় খাঁটি হওয়ার!!
শুধু কি তাই? ভদ্রগোছের কোন দাওয়াতে/অনুষ্ঠানে/আয়োজনে তাদের জামাইরা কি পরবে তা নিয়ে কি তাদের চিন্তা কম থাকে?
হ! নাইলে ভাবিদের কাছে আবার মান সম্মান যায় গা! মর জ্বালা!
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
কমেন্টে লাইক দিলাম।
লেখাটা ভালো লেগেছে। কিন্তু, আমি একটা জিনিষ জানতে চাচ্ছি-আমার মনে হলো- আপনি বললেন যে শেখ মুজিব "secular state" এর পক্ষে ছিল এবং এরশাদ আসার পর ইসলামকে রাষ্ট্র ধর্ম করলো। তার মানে এরশাদ আসার আগে কি আমার সংবিধানে ইসলাম "রাষ্ট্র ধর্ম" ছিল না? আমি কি ভুল বুঝলাম? এই ব্যাপারে আরো কিছু information কোথায় পাওয়া যেতে পারে, কষ্ট করে জানাবেন?
এরশাদ একটা সংশোধনী দিয়ে সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করে, সেটা সপ্তম সংশোধনী নাকি অষ্টম এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না। এরশাদের এই কাজের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো রাষ্ট্রধর্ম ছিলো না।
এখানে বলছে অষ্টম সংশোধন।
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।
৮৮ এর আগে সংবিধানে রাষ্ট্র ধর্ম ছিল না।
নতুন মন্তব্য করুন