রাতের বেলা ব্যাঙ বাবাজি শুধায় "ওরে পেঁচারে..
বেল পাকলে কাকের কিগো ? বলতে পারো আমারে ?
শালিক বুড়ো হলে পরে নতুন রো কি ফের গজায় ?
গান না জেনেও গাধা কেনো রাত-বিরেতে ফের চেচায় ?
ঞ্জল গেলে কেন্ কানের ভিতর ছাগল নাচে তা ধিং ধিং ?
ভেবে ভেবে ভাবছি আমার মাথায় না ফের গজায় শিং ! "
বিরস মুখে বুড়ো পেঁচা শুনছিল সব একমনে,
ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখলো হুতুম চাঁদ ডুব্বে এখ্খনে ।
বনের আলোর পাট চুকিয়ে চাঁদ ভায়া যেই ডুবছিলো,
এদিক ওদিক তাকিয়ে পেঁচা ব্যাঙের ঘাড়ে ছো দিলো !
চেচিয়ে উঠে ব্যাঙ বাবাজি ! " ওরে..এ..এ খেয়ে ফেল্লে রে..এ..এ !!
ওরে ইঁদুর ওরে বেজি কই তোরা সব মরলি রে !!"
এসব দেখে ইঁদুর তখন বৌ-ছা নিয়ে ভাগছিলো,
বেজি তখন দূরে অনেক সাপের আন্ডা চাকছিলো ।
চেচামেচি শুনলো না কেউ, শুনলো না কেউ ঘেঙর ঘেঙ
বুড়ো পেঁচার হাতেই শেষে প্রাণটি দিল ডোবার ব্যাঙ
খাওয়ার পালা চুকে গেলে পেট ফুলিয়ে হুতুম কয় -
"এক জীবনে এত কিছু জানতে চাওয়া উচিত নয়"।
মন্তব্য
অসাধারণ , ছড়াকার খেকশিয়াল। আশা করছি অচিরেই পূর্ণ সচল হবেন, ও দারুন কিছু ছড়া উপহার দিবেন।
----------------------------------------------------------
অলমিতি বিস্তারেণ
অলমিতি বিস্তারেণ
আরে এতো দেখছি উপেন্দ্র কিশোর রায়ের নতুন ভার্সন। চলুক মহাশয়। আরো কিছু দেন, পড়ি।
সবজান্তা , প্রকৃতিপ্রেমিক আপনাদের ধন্যবাদ ।
- খেকশিয়াল
দারুণ লিখেছিস । শেষের লাইনটা মোক্ষম।
facebook
কি অসাধারন!! এই লেখক কি আর লেখেন্নি? এক্দম সুকুমারের স্বাদ- নিশিতা
নতুন মন্তব্য করুন