সময় রাত ৮টা।
চলছে লাইভ সচলাড্ডা।
উপস্থিত আছেন আনোয়ার সাদাত শিমুল ভাই, টুটুল ভাই, সবজান্তা, ওডিন, নির্জন সাক্ষর, এনকিদু, নৈষাদ, গৌতমদা, পথিক রহমান, পলাশ রঞ্জন স্যানাল।
ছবি তুলছেন নির্জন সাক্ষর।
নিচুস্বরে ফুসুর-ফুসুর করে সন্দেহজনক আলাপে লিপ্ত ওডিন,এনকিদু এবং সবজান্তা।
... এইমাত্র এসে পৌঁছলেন আনিস ভাই, মুস্তাফিজ ভাই, বুনোহাঁস, সুরঞ্জনা,তানভীর ভাই, প্রবাসিনী।
শেষোক্ত দুইজন এসেছেন শুভ বিবাহের মিষ্টি নিয়ে।
আপাততঃ মডু টেস্ট এবং পরনিন্দায় যোগ দিতে গেলাম। নির্দিষ্ট সময় পরপর এই পোস্ট আপডেট করা হবে।
প্রথম আপডেটঃ সময় রাত ১১টা ১৫।
এইমাত্র সুস্থ, অক্ষত শরীরে বাসায় এসে আপডেট দেয়া শুরু করলাম।
লাইভ পোস্ট দেয়ার খানিক পরেই আড্ডায় যোগ দিলেন সস্ত্রীক লীলেনদা, আরিফ জেবতিক ভাই, উদ্ভ্রান্ত পথিক, এবং সিএনজি খেদানো-সোফা মড়মড়ানো শাহেনশাহ সিমন।
শাহেনশাহ এবং উদ্ভ্রান্ত পথিক এসেই ক্যামেরা হাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ছবি তুলতে। বলাই বাহুল্য, আমাদের মত সুদর্শন-স্বাস্থ্যবান-ভদ্র,... সর্বোপরি বিনয়ী সচলদের ছবি না তুলে তাঁরা ব্যস্ত হয়ে পড়লেন কেক্কুকের ছবি তুলতে।
হাতেনাতে প্রমাণ পাওয়া গেলো- দুষ্টু বালিকা, সুরঞ্জনা, বুনোহাঁস প্রমুখ সচলারা কেবল পারেন ব্যানার বানানো, ব্যানার রঙ করা- এই জাতীয় অসৃষ্টিশীল কাজকর্মে খুবই পটু। আরে ছোহ, এই জাতীয় কাজ ভালো মানুষ করে ?? রামো রামো...
হুহুঁ বাব্বা, আসল সৃষ্ঠিশীল কাজ যাকে বলে- মানে এইরকম রীতিমত লাইভ একটা ব্লগ পোস্ট করে দেওয়া- এটা করে দেখাক দিকি...
নির্জন সাক্ষর ছবি আপ্লোডানোর পাঁয়তারা কষছেন দেখে পথিক রহমান বড্ড চিন্তায় পড়ে গেলেন। আর্জেন্টিনার একনিষ্ট এই সমর্থক তার ব্রাজিল সমর্থক পিতা কর্তৃক হুমকি পেয়েছেন, তার ছবি কোথাও আপ্লোড করা হলে মেরে হাড় জুড়িয়ে দেবেন। বাংলার ঘরে ঘরে এইরুপ পিতা আজকাল লক্ষণীয় হারে কমে যাচ্ছে...
ঘরে কেউ ঢুকলেই তাকে মডু টেস্ট দিতে হচ্ছে। সচলায়তনের ফ্যাসিস্ট মডুরা নাকি তাহা-শানের গানের ব্যাপক ভক্ত। অতএব, কোন ব্যক্তি তাহা-শানের গানকে গান বলে চিহ্নিত করতে পারলেই তার মডুসত্ত্বার অস্তিত্ত্ব নিয়ে কারো কোন সন্দেহের অবকাশ থাকবে না।
মাঝে লোডশেডিং হলো, এই সুযোগে ওডিনদা ঝাঁপিয়ে পড়লেন মিষ্টির পাত্রে। ভদ্রলোক প্রচন্ড অলস। তীব্র মাইগ্রেনের ব্যাথা নিয়েও গোটা আষ্টেক সাঁটালেন।
প্রিয় গল্পকার শিমুল ভাই গল্পের পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিশ্বেও ভালো দখল রাখেন, তার প্রমাণ পেতে লাগলাম। প্রতি বছর সচলের শ্রেষ্ট পোস্টদাতাকে 'দলছুট স্বর্ণপদকে' ভূষিত করবার বিষয়ে তিনি আমার সাথে একমত পোষণ না করে পারলেন না।
সবজান্তা এবং এনকিদু দু'জন এখনো ফিসিফিস করে বাজে গল্প আলাপ করছেন। অনুপস্থিত কবি তাড়েক ড়হিমের ভুভুজেলা বাজিয়ে তবে তারা ক্ষান্ত দেবেন- এই জাতীয় কি একটা কথা কানে আসলো। আমি আর কথা বাড়ালাম না- কী দরকার বিপদ ডেকে আনার...
নজরুল ভাই এবং মুস্তাফিজ ভাই ছোটাছুটি করে সকলকে তাড়া দিতে লাগলেন নীচে যাবার জন্যে। রাস্তার ওপারে ঢাকা বারবিকিউ'তে নাকি কী সব আয়োজন আছে।
... কেউ লিফটে, কেউ হেঁটে, কেউ কেক হাতে, কেউ ব্যানার হাতে, কেউ নিধিকে কাঁধে, কেউ ক্যামেরা কাঁধে নিয়ে নীচে নামতে নামতেই... ইটালির জার্সি পড়ে জিএমটি হাজির। (হেহে, ...হেরো হেরো !!!)
রাস্তা পেরিয়েই ঢাকা বারবিকিউ...
সেখানে কী হলো, তা বিস্তারিত বলবো দ্বিতীয় আপডেটে। সিমন ভাই খাওয়ার সময় যেই লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলেন, পেটে বড্ড ট্রাবল দিচ্ছে মাইরি...
অপেক্ষা করুন... আমি আসার আগেই অন্যেরা মন্তব্যে যোগ করতে থাকুন এই সন্ধ্যের গল্পগুলো...
দ্বিতীয় আপডেটঃ সময় রাত ০১টা ১০।
নজরুল ভাইয়ের বাসায় লোডশেডিং থাকায় আমাকে দেখা যায়নি। অতএব রেস্টুরেন্টের উজ্জ্বল আলোয় এসে গোটা দুয়েক সিএনজিওয়ালা প্যাঁদানো ঘামে জবজবে শরীর নিয়ে উল্লসিত সিমন আমায় দেখে আনন্দে জড়িয়ে ধরে বললেন, "কী রে, বড্ড সেয়ানা হয়েচিস, এঁ ?? কেমন আছিস বল..."
আমি চিঁচিঁ করে বললাম, "এতোক্ষণ তো ভালোই ছিলাম, সিমন ভাই..."
সিমন ভাই উত্তরের অপেক্ষা না করেই ছুটে গেছেন অন্যদিকে। পুরানা পল্টনের রাস্তা হতে কেনা চোরাই ক্যামেরা হাতে নিয়ে বেশ মৌজে আছেন উনি- চেহারায় জৌলুস বেড়ে গেছে অনেকগুণ...।
উদ্ভ্রান্ত পথিক (অথবা সামিলুল ভাই) শাটার টিপছেন সমানে। শখ করে তাঁর কাছে গিয়ে আমার একটা ছবি তুলে দিতে বলতেই উনি আমায় এই মারেন কি সেই মারেন। "মিঁয়া... মশকরি পাইসো ?? জানো না, এই ক্যামেরা জর্মনি থেইক্যা আনা ?? কৃষ্ণবস্তুর ছবি তুলবার লিগ্যা এই ক্যামেরা বাসা থন বইয়া আন্সি ?? ফাইজলামি কর আমার লগে ??..."
নেহাত ব্রাজিল সাপোর্টার বলে ছেড়ে দিলাম সেই বেলা, নাহলে খুনোখুনি হয়ে যেতে পারতো...
ওডিনদা , সুরঞ্জনা'পারা কমিকস নিয়ে আলোচনা করছেন।
বাচ্চারা বেশ আছে। মাতিস বেশ ঘুরেটুরে বেড়াচ্ছে। নিধি সবাইরে বেলুন ফুলাইতে দেয়। কেউ পারে না। সিগ্রেট খাইতে খাইতে বড় মানুষগুলার ফুসফুসের বারোটা বাজছে। নিধিই বেলুন ফুলায়, বেলুন নিয়া ক্যাচ ক্যাচ খেলে...
ওয়েইটারেরা ব্যানার টানিয়ে দেয়।
"শুভ জন্মদিন, সচলায়তন "
সেই ব্যানারের সামনে পাংশু মুখে সবজান্তা বসে থাকেন। তাকে দেখে গুরুতর ইনজুরির শিকার হয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া মিডফিল্ডার এলানো'র কথা মনে পড়ে আমাদের। আশেপাশে বসে থাকা অন্যান্য লোকেরা হয়তো সন্দেহ করে, ইনি-ই সচলায়তন এবং আজকের এই আসরের বিলটা হয়তো তিনিই দেবেন...
দুষ্টু বালিকা এর মাঝে দুর্বোধ্য একটা জ্যামিতির সমস্যা হাজির করেন। পেন্সিল নাকি তার কাছে আছে, অতএব চাঁদা চেয়ে বেড়ান সকলের কাছে।
শাটার টেপায় বিরতি দেন না জিএমটি এবং নির্জন সাক্ষর।
আনিস ভাই গল্প করেন, বুনোহাঁসেরা শুনতে থাকেন।
ল্যাপটপ নিয়ে সচল খুলে টুকটাক মন্তব্য করেন এনকিদু। নির্জন সাক্ষর সেই অবসরে ফটু সাইজে ব্যস্ত হন।
তানভীর ভাই এবং প্রবাসিনীরা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত। আমাদের দিকে ফিরেও তাকান না...
নিধি বেলুন ফুলায়, বেলুন নিয়া ক্যাচ ক্যাচ খেলে...
গৌতমদা বাচ্চাদের সাথে সময় কাটান, নৈষাদদা গল্প করেন।
শিমুল ভাই এবং আরিফ জেবতিক ভাই আলোচনা শুরু করেন। বিষয়বস্তু অতীব জটিল। বাংলা ছোটগল্পে ব্লগীয় সংস্কৃতি এবং এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব। আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে শিমুল ভাইয়ের পাশ থেকে উঠে যাই...
ওডিন ভাইয়ের পাশে বসে সুখ আছে, উনি মানুষ ভালো। আমায় কবে লাচ্ছি খাওয়াবেন, এই জাতীয় ভালোমানুষি কথাবার্তা বলেন...
আড্ডায় নতুন মুখ আমার দোস্তো পলাশ এবং পথিক রহমান চুপচাপ চারপাশ পর্যবেক্ষণ করেন...
এইসব বলতে বলতে কেক কাটা হয়। নিধি-মাতিস-প্রবাসিনী আপু কেক কাটেন। ব্যাপক করিৎকর্মা নজরুল ভাইয়ের হুমকি-ধামকিতে খাবার সার্ভ করা হয়।
খাবার মাঝে হঠাৎ রেস্টুরেন্টে ব্যাকগ্রাউন্ডে তাহা-শানের গান বেজে ওঠে। আমরা নিশ্চিত হই, আমাদের মাঝে কোন না কোন মডু আছেই। আমি ওডিনদাকে অফ-হোয়াইট মডু বলে সন্দ করি- জানতে পারে, উনি আমায় কালা (জাহাঙ্গীর) মডু বলে সন্দ করছেন।
খাওয়া চলতে থাকে। আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতবে না, এই দুঃখে শাহেনশাহ সিমন খাওয়ায় মন দিতে পারেন না পর্যন্ত...। সকলেই খাওয়া দাওয়ায় খারাপ পারফরম্যান্স দেখায়। আসছে বিশ্বকাপে 'সচলায়তন একাদশ'-এ জায়গা নিশ্চিত করতে এখন থেকেই সকলে ডায়েট শুরু করেছে ভেবে ভালোই লাগে...
খাওয়ার পরে বেশিক্ষণ আর বসা হয় না। সবাই হুড়োহুড়ি করে বেড়িয়ে যায়।
মাশ্রুমাড্ডার লোকেরা ভুভুজেলা সংক্রান্ত কতিপয় বড়মণিদের কৌতুক আবিষ্কার করে। ওডিনদা হেঁড়ে গলায় হুমকি দেন, " অক্করে ভুভুজেলা বাজায় দিমু কৈলাম !! "
সবাই ধীরে ধীরে বিদায় নেয়।
নিধি বেলুন ফুলায়, বেলুন নিয়া ক্যাচ ক্যাচ খেলে...আর হয়তো মনে মনে বলে, "দেখিস- বড় হয়ে আমিও সচলায়তনের জন্মদিন করবো। "
মন্তব্য
আমি জ্যামে আটকা পড়েছি। আসতে আরো কিছুক্ষণ সময় লাগবে।
কি মাঝি, ডরাইলা?
আশাকরি ২০১১ সালের আড্ডায় দেখা হবে...
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
সত্বর আড্ডার ছবি না দেয়া হলে ১ দাগানো হইবে।
আমি ও আছি জেগে!
লাইট পোষ্টের আলো হয়ে।
(আজ চাঁদ নেই আকাশে)
এইমাত্র সচলের জন্মদিনের কেক কাটা হল। দৃঢ় মাতিস এবং নিধি সবার হয়ে কেক কাটলেন।
লীলেন ভাই নিধির হাত থেকে বেলুন কেড়ে নিয়ে, সেই বেলুন ফাটিয়ে, সেই ফাটান লবাট দিয়ে মুখে চুষে ছোট ছোট বেলুন বানিয়ে ফাটাচ্ছেন। ভদ্রলোক বেলুন ফাটানর দুষ্ট চক্রে পড়ে গেছেন।
ততোধিক দুষ্ট চক্রে আবদ্ধ ফটুরেরা নিজেরা একে অপরের ছবি তুলে হাত মশকো করছেন। আসল ছবির খবর নেই।
এদিকে সচলদের হাউ কাউ শুনে অতীষ্ট হয়ে পাশের টেবিল থেকে সুন্দরী মেয়েটা উঠে চলে গেল, ধ্যত্তর শালা!
অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...
অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...
ভিটামিন সি সাথে থাকলে কিছু হইলেও হইতে পারত
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।
আমারে কয় নাই ;(
........................................................................................................
সব মানুষ নিজের জন্য বাঁচেনা
........................................................................................................
সব মানুষ নিজের জন্য বাঁচেনা
গত কিছুদিন এমন ব্যস্ততা যাচ্ছে, ভাত খাওয়ার সময় পাচ্ছি না। আজকে সারাদিনেও খাওনের সময় পাই নাই।
এর মধ্যে এই আড্ডা, আয়োজনের জন্য একটু যে বসে দুটো কাউকে ফোন করবো, সে সময়টুকুও নাই। তার উপর গত একমাসে তিন তিনটা সেলফোন সেট ভাঙছে তাই অনেকের নাম্বারই নাই। সেজন্য গতরাতেই সচলে পোস্ট দিয়ে আমার সেল নম্বরটাই দিয়ে বলেছিলাম আড্ডায় যারা যোগ দিতে চায় তারা যেন একটু কষ্ট করে যোগাযোগ করে।
আমার কোনো দোষ নাই
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
আমিও সারাদিন ভাত খাই নাই।
...........................
Every Picture Tells a Story
আমরা এখন রেস্তরায়। খাবারের অপেক্ষায়। কেক কাটা হলো সারা। ব্যাপক ফটোসেশন চলছে।
আড্ডায় সবাই এতো ব্যস্ত যে
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
- সুন্দরী বালিকাদের ফটুক না থাকলে, নামগুলা জানা থাকলো। ধরে ধরে কইষ্যা মাইনাস দাগানো হবে, হুঁ!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
আপডেট নাইক্কা!! তেব্র নিন্দা!
থাকতে পারলাম না ,দুইটা জরুরি কাজ ছিলো আজ
_________________________________________
ৎ
_________________________________________
ওরে! কত কথা বলে রে!
কেক মিষ্টির ছবি পাডাইলেও বুজতাম, নাকি সব খাইয়া ফ্যালসে..
অনন্ত আত্মা
ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক পুরোটা জ্যামে আটকে আছে, শুনছি নাকি সবাই সচলাড্ডার খবর পেয়ে একযোগে বাড়ি থেকে আড্ডার উদ্দেশ্যে বেরিয়েছেন! আজকে আর পৌঁছুন হবে না! কেক-কুকের ছবি দেখতে পেলেও শান্তি হত...
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।
আজকের দিনের সবচে' অভাগা কে? এই অধম! সচলাড্ডা, খাওয়া-দাওয়া সব হচ্ছে আমার মহল্লায়, আর আমি এখনো (মানে এই রাত সাড়ে দশটায়ও) অফিসে। একেই বলে কপাল!! লোকজন আটলান্টিকের ঐপাড় থেকে চলে আসল আর আমি এইটুকু পথ পাড়ি দিতে পারলামনা।
তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।
তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।
তেব্র দিক্কার জানাইলাম। খাবার নিয়ে ভবিষ্যতে যেসব মন্তব্য আসবে তাতে অগ্রিম আপত্তি জানাইলাম
তেব্র দিক্কার জানাই! খাবার দাবারের ছবি দিলে বিপায়ক হারা মাইনাচ দিমু।
মডু টেস্টের ফলাফল জানতে মঞ্চায়।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
মডু টেস্ট কি
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।
জানি না। সুহান ভালো বলতে পারবে। তয় মনে হয়, সন্দেহজনকদের গায়ে পানি ঢালা হয়। এক জগ পানি ঢালার পরও যে ভিজে না, সেই মনে হয় মডু।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
চ্রম মজা পাইসি এই মন্তব্যটা পড়ে...
আরে এর পিছনে ছায়েন্টিফিক কারন আছে তো। মডুরা তো ত্যাল হারামী। এতো ত্যাল যায় কই। এরা নিচ্চয় ওয়াটারপ্রুফ।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
আজকে আহমেদুর রশীদ টুটুল ভাইয়ের কমেন্ট ছিল, 'শিমুলও ওয়ান কাইন্ড অব মডু'। হা হা হা!
ওয়ান কাইন্ড অব মডু.. হা হা ... প্রোফাইল পিকের রঙের একটা মডু আছে বৈকি।
ফটু কৈ!
লাল গানে নীল সুর, হাসি হাসি গন্ধ
লাল গানে নীল সুর, হাসি হাসি গন্ধ
থাকতে পারলাম না।
--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'
--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'
এই মাত্র ফিরলাম সচলাড্ডা থেকে। দারুণ মজা হইল।
আর মডু টেস্টের কোশ্চেন আউট কইরা দেই!
সেটা হইল-
আপনি কি তা-হাসানের গান পছন্দ করেন?
উত্তর যদি ভেবে বলেন তো সবাই?
বি দ্রঃ আমার ফটুক কেউ আপ্লোড কইরেন না। আমার বাপও সচলের নীরব পাঠক!!!
পথিক রহমান
প্রথম আপডেট দিলাম... একটু পরে দ্বিতীয় আপডেট দেওয়া হবে।
ঘটনা বহুল এই সন্ধায় কী কী ঘটেছিলো, এই ফাঁকে অন্যেরা মনে করিয়ে দিয়ে সাহায্য করুন...
_________________________________________
সেরিওজা
এক টেবিলে শাহেনশাহ, আরিফ জেবতিক ভাই আর ওডিন বসা সত্ত্বেও সমস্ত খাবার খেয়ে শেষ করা যায়নি।
দুষ্ট বালিকা চেচামেচি করে কান ঝালাপালা করেদিয়েছিল।
আমরা ভুভুজেলা বিষয়ক কিছু বড়মনিদের কৌতুক আবিষ্কার করেছিলাম।
আপাতত এগুলোই মনে পড়ছে।
অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...
অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...
কদু, তোমার আর হিমালয় থেকে নামন লাগবো না...আমি ধাক্কা দিয়া ফেলায় দিমু কইলাম! আমি কই ক্যাচর ক্যাচর করসি? [মার ব্যাটারে ইমো! :| ]
-----------------------------------------------------------------------------------
...সময়ের ধাওয়া করা ফেরারীর হাত থিকা যেহেতু রক্ষা পামুনা, তাইলে চলো ধাওয়া কইরা উল্টা তারেই দৌড়ের উপরে রাখি...
**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।
মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।
পোস্টে আপডেট দিলে একদম প্রথম লাইনে এরকম লেখা উচিত
আপডেট ২/৩/৪... সময়ঃ ০০ ০০ ০০
তাহলে বুঝতে সুবিদা হয়
...........................
Every Picture Tells a Story
সচলাড্ডার কুইজ, সঠিক উত্তরদাতার জন্য বেঁচে যাওয়া কেক পাঠানো হইবে
প্রশ্নঃ আমি যে গাড়িতে সচলাড্ডায় গেলাম সেই গাড়িতে পাঁচ জন লম্বা চুল ওয়ালা ছিলো, বলতে হবে তাদের নাম কী?
...........................
Every Picture Tells a Story
মু হা হা হা...
মুস্তাফিজ, আনিস ভাই, মুস্তাফিজ ভাই, বুনোহাঁস, সুরঞ্জনা।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
হয় নাই। চারজনের নাম বলেছেন।
...........................
Every Picture Tells a Story
খাড়ান আরেকটু সহজ করি, পাঁচ জনের চুল লম্বা, দুই জনের গোঁফ আছে, তিন জনের দাড়ি নাই। পাঁচ জনেরই নীক অথবা নামে 'স' আছে।
...........................
Every Picture Tells a Story
আনিস ভাই, মুস্তাফিজ ভাই, বুনোহাঁস, সুরঞ্জনা, প্রবাসিনী
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
এত সহজ করে দিলাম তারপরেও পারলেন না, আপনাকে মাইনাস।
...........................
Every Picture Tells a Story
লাস্ট টেরাই। মুস্তাফিজ, আনিস, সুরঞ্জনা, সায়কা, বুনোহাঁস।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
আচ্ছা কেক থাকলো আপনার জন্য।
...........................
Every Picture Tells a Story
বড়ুই অনুচিত হইল! আমি একবারেই ঠিক উত্তর দিতে পারতাম! [কেক মিস হওয়ায় মাথার চুল ছেঁড়ার ইমো]
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।
বলকি? মিষ্টি আসলো কোত্থেকে??? কেউ আমারে কিছু জানাইলো না ক্যানো? আমাকে মিষ্টিবঞ্চিত করার এই সাম্রাজ্যবাদি চক্রান্তের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিমু!!!
ঢাকা কাবাবের মালিক সচলের একজন মডু। সেইখানে দেখি তাহসানের গান বাজায়। মোস্ট প্রবাবলি কুখ্যাত 'অফ-হোয়াইট' মডুটাই সে।
______________________________________
যুদ্ধ শেষ হয়নি, যুদ্ধ শেষ হয় না
______________________________________
যুদ্ধ শেষ হয়নি, যুদ্ধ শেষ হয় না
খাবার আইতে যে টাইম লাগছে মাশাল্লা!!!
সেই টাইমে নিজেরাই জবাই করে বার-বি-কিউ করতে পারতাম(শুধু আমার না অনেকের মত এইটা)।
যাই হোক কেকটা ভালো ছিল, দুই পিছ লইছি।
পলাশ রঞ্জন সান্যাল
ফটুরেরা এখনো ফটো দেয় না কেন?
অনিক ফেসবুকে দিছে কিছু। আধাঘন্টার মধ্যে সচলেও দিবো কইলো। জিএমটি, শাহেনশাহ্ আর নির্জন সাক্ষর কই?
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
আমার ফটোগুলো-ও অনিকের কাছে
আরেকটা আপডেট মার্লাম...
_________________________________________
সেরিওজা
৩ টা জিনিষ বাদ পড়ছে,
১। উপস্থিতির তালিকা দেওয়া হয় নাই।
২। সায়কা টাকা মারছে কী না সেই সম্পর্কে কিছু বলা হয় নাই।
৩। আনিস ভায়ের যেই গল্প বুনো শুনছে তাতে কয়টা ভুল বানান বের করছে তা জানায় নাই।
...........................
Every Picture Tells a Story
উপস্থিতির তালিকা অর্গানাইজার লেভেলের কেউ দিলে ভালো হয়।
(এইটাও একটা মডু টেস্ট হৈতারে। যে তালিকা দেবে- বুঝা যাবে সে একজন মডু...)
_________________________________________
সেরিওজা
ভাইজান...তোমারে গিফট দিয়া হাতে রাখার টেরাই করলাম...তাও আমার নামে এই বদমন্তব্য দিলা? আমি কী সিমন? [ কান্তে কান্তে মইরা যাওনের ইমো! ]
-----------------------------------------------------------------------------------
...সময়ের ধাওয়া করা ফেরারীর হাত থিকা যেহেতু রক্ষা পামুনা, তাইলে চলো ধাওয়া কইরা উল্টা তারেই দৌড়ের উপরে রাখি...
**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।
মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।
নতুন পোশাক, গহনা আর বাহানায় বোঝা যাবে কত মারলা। (ভাগ দিও কইলাম )
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না
সবাইকে আসতে বলেছি ৭টায়, আমি নিজে বাইরে ছিলাম। ঠিক সাতটায় বাড়ি ঢুকে দেখি ঘর ভরে গেছে।
ব্যানার আঁকার দায়িত্ব ছিলো দুষ্ট বালিকার। কিন্তু সে নিজে আসছে ৮টার সময়। অবশেষে মুস্তাফিজ ভাই দুষ্ট আর সুরঞ্জনার যৌথ উদ্যোগে চমৎকার একটা ব্যানার হয়।
ইচ্ছে ছিলো গতকালই কেক অর্ডার দিবো। সচলায়তনের লোগোর মতো কেক। কিন্তু কালকে একটা মিনিট সময় পাই নাই। আজকে দুপুরে কোনোমতে গিয়ে হাজির হলাম বেইলী রোডে। নগদে সবচেয়ে বড় যে সাইজ পেলাম তাই নিয়ে এলাম। চিন্তিত ছিলাম সবার হবে তো?
ও মা, ত্রিশজনে মিলেও দেখি দুই কেজি কেক শেষ করতে পারলো না। দিক্কার...
এমনকী খাবারও শেষ করতে পারলো না। ত্রিশজনে মিলে এই কয়টা খাবার শেষ করতে পারলো না? পুনরায় দিক্কার...
অবশ্য খাওয়ার কথা শুনে হিমুর দীর্ঘশ্বাসটা এতো তীব্র ছিলো সে নাকি আমার মতোই, সারাদিন কিছু খায় নাই
বিদেশ থেকে হাসান মোরশেদ আর হিমু ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাড়ির পাশে আরশী নগরের পাণ্ডবদা আসতে পারেননি। রণদাও না। মৃদুলদা শেষ মুহুর্তে জানিয়েছেন ক্লান্ত আমায় ক্ষমা করো নজু...
ইস্কাটনেই অফিস সংশপ্তকের। বিকেলে আসবে বললো, কিন্তু এলো না। আহমেদুর রশীদ টুটুল ভাই আড্ডায় এলেও জরুরী একটা কাজে চলে যান। খাওয়ার সময় আবার আসার কথা থাকলেও আর আসতে পারেননি।
সচলাড্ডায় প্রথম এলো প্রবাসিনী, পলাশ রঞ্জন স্যানাল আর পথিক।
মুস্তাফিজ ভাইয়ের স্পেন প্রবাসী ভাবী এবং মাতিসের কাজিন এসেছিলো।
আর আজকের আড্ডার স্পেশাল দুই আকর্ষণ দুই নবদম্পতি। লীলেন দা এসেছিলেন সস্ত্রীক। দুজনে আবার ম্যাচিং করে লাল পরে এসেছেন। আর এসেছিলো তানভির-প্রবাসিনী জুটি। দুই জুটিকেই আন্তরিক অভিনন্দন।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
আমার কুনু দুষ নাই! আমিতো থোতো!
-----------------------------------------------------------------------------------
...সময়ের ধাওয়া করা ফেরারীর হাত থিকা যেহেতু রক্ষা পামুনা, তাইলে চলো ধাওয়া কইরা উল্টা তারেই দৌড়ের উপরে রাখি...
**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।
মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।
আনিস ভাইয়ের লগে আমিও আইসিলাম...পুলাটা বেমালুম আমারে গায়েব করে দিসে!
[বানান ভুল পাইসি!] মুয়াহহাহাহা...
-----------------------------------------------------------------------------------
...সময়ের ধাওয়া করা ফেরারীর হাত থিকা যেহেতু রক্ষা পামুনা, তাইলে চলো ধাওয়া কইরা উল্টা তারেই দৌড়ের উপরে রাখি...
**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।
মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।
আমি মডু... সবগুলা কালারের মডু আমি একলাই
এইবার তালিকা দেই আজকের উপস্থিতির-
১. আমি স্বয়ং নজরুল ইসলাম
২. নূপুর
৩. নিধি
৪. মুস্তাফিজ ভাই
৫. রিতা ভাবী
৬. মাতিস
৭. মুস্তাফিজ ভাইয়ের ভাবী
৮. মাতিসের কাজিন
৯. নৈষাদ ভাই
১০. তানভির
১১. প্রবাসিনী
১২. লীলেন দা
১৩. ভাবী
১৪. টুটুল ভাই [হাফটাইম পর্যন্ত ]
১৫. আনিস ভাই
১৬. আরিফ জেবতিক ভাই
১৭. সবজান্তা
১৮. এনকিদু
১৯. পলাশ রঞ্জন স্যানাল
২০. পথিক
২১. সুহান রিজওয়ান
২২. উদভ্রান্ত পথিক
২৩. শাহেন শাহ
২৪. নির্জন সাক্ষর
২৫. বুনোহাঁস
২৬. দুষ্ট বালিকা
২৭. সুরঞ্জনা
২৮. আনোয়ার সাদাত শিমুল
২৯. গৌতম
৩০. ওডিন
বাহ্, আমার স্মরণশক্তি তো দেখি ম্যালা... মনে হয় গুনে গুনে সবার নামই বলতে পারলাম। কেউ বাদ যায় নাই
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
চিরশত্রু নজু ভাই আমারে বাদ্দিসে... খেলুম্না! ইইইইই (কান্না)
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।
আমারেও বাদ দিসে খেলুম্না! ইইইইই (কান্না)
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ব্যানারটা বানানোর পরে সেখানে সকলের অটোগ্রাফ নেওয়া শুরু হলো। একটু ঘুরে এসে দেখি সেখানে হিমুর নাম, স্নিগ্ধা আপার নাম... পুরাই কস্কী মমিন!
আবার একটু ঘুরে এসে দেখি ততক্ষণে সেটা যেমন খুশি তেমন আকোঁ প্রতিযোগিতা হয়ে গেছে। কেউ আঁকছে হাঁটুপানির জলদস্যুর ছবি, কেউ আঁকছে সুজনদার কার্টুন, কেউ আঁকছে ধূগোর ছবি,.. স্পর্শ-র ছবি... উন্মাদের ছবি... এমনকী দলছুটের ছবি পর্যন্ত!!!
ব্যানারটা আসলেই দারুণ একটা শিল্পকর্ম হয়ে গেছে। আমার পড়ার ঘরে দেয়ালে টাঙ্গায়া রাখছি
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
আচ্ছা, এটাকে সচলায়তনের ব্যানার করে দেয়া যায় না?
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।
প্রস্তাবে সহমত
এটার ছবি তোলার জন্য আমি ফটুরেদের হাত পাও পর্যন্ত ধরছি। জানি না এরা তুলছে কী না। না তুলে থাকলে আগামী এক বছর সচলাড্ডায় এদেরকে না খাওয়ায়ে রাখুম।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
ব্যানার দেক্তে চাই
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
শিল্পকর্মটি কি এখনও আছে? দশবছর পূর্তিতে এটিকে গণসম্পত্তি হিসেবে উন্মুক্ত করে দেয়া হোক!
____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?
ফোন দিতে চাইছিলাম। অফিসে ব্যস্ততা এত বাড়ছে! তার উপর ভাবলাম আনন্দের মধ্যে ফোন দিয়া ডিস্টার্ব করুম? শেষ মেষ সময় চলে গেল।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
পান্থদার দায়িত্ব তাইলে দুষ্ট বালিকা পাইছে। কিছুদিনের মধ্যেই মনে হয় দুষ্ট বালিকার এফবি অ্যালবাম নতুন জামা কাপড়ে ভরে উঠবে ...
----------------------------------------------
আমার যত অগোছালো চিন্তাগুলি,
রয়ে যাবে এইখানে অযতনে ।।
আআআআআ!!!!!?????
-----------------------------------------------------------------------------------
...সময়ের ধাওয়া করা ফেরারীর হাত থিকা যেহেতু রক্ষা পামুনা, তাইলে চলো ধাওয়া কইরা উল্টা তারেই দৌড়ের উপরে রাখি...
**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।
মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।
সচলাড্ডার জন্য এখন কয়েক একর সরকারি জমি বরাদ্দের দাবি জানানোর সময় হয়ে গেছে
চিপাচুপা জায়গায় আর সচলরা জায়গা হয় না এখন
বাইচা থাকলে আগামিবার ঢাকার বাইরে সচল জন্মদিন পালন হবে। যেসব মুমিন বান্দা চাকরি বাকরি করেন তারা এখন থেকেই ছুটির দরখাস্ত করে রাখেন।
...........................
Every Picture Tells a Story
কোন মহাদেশে জানতে পারলে সুবিধা হইত।
ক্যা, আজিজের কোঞ্চিপা পসন্দ হয় না ??
_________________________________________
সেরিওজা
সুহান, কঞ্চিপা কিন্তু দিন শেষে একটা চিপা। ঐখানে রাউটারের দোখানের খালা যতই সমাদর করুক, বেশি মানুষ নিয়ে বসা আসলেই সম্ভব না।
অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...
অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...
ভাইরে কী আর কমু, দেশের বাইরে থাকি বইলা কি সচলাড্ডায় আমাগো জায়গা নাই?
আফসুস আমাগো কথা কেউ বিবেচনা করেনা
দুর্দান্ত লেখা, আর তেমনই মজারু সব কমেন্ট। থাকতে না পারলেও গল্পসল্পগুলো শুনে দুধের স্বাদ চোখের জলে মেটালাম...
তোমাগের সবকয়টার প্যাট যদি না ছুটসে ...
ব্যাপক ব্যাপার-স্যাপার দেখি!
নতুন মন্তব্য করুন