সত্য হল এই যে সত্য আসলে নাই। যে যার মতো সত্য বানায়। তাই পিথিবি জুইড়া এত মারামারি এত কাড়মাকাড়মি। আর এই কাড়মাকাড়মি মারামারিতে যার গলা ও উলের পুতায় জুর বেশি হেই হালায়ই জিতে। অন্যরা মাঠিতে গড়াগড়ি দিয়া হায় হুসেন হায় হাসান বইলা চিকির পাড়ে আর কাঁন্দে..উউউউউ।
ইয়ার পরে আসলে কতা চলে না। কিন্তু মানুষ যেহেতু প্রিয়তমা বউ ও ততোধিক প্রিয় পুলাহান মরিয়া যাওয়ার পরো বাঁচিয়া থাকে, তাই নানাবিধ গিয়ানজামে জড়ানোই তার নিয়তি। নিয়মিত ভৌতিক কিল খাইয়া সে সুখ ছাড়িয়া অজানা অসুখের প্রতি ধাবিত হয়। জীবন্ত মানুষের ইহাই স্বুভাবিক রূপ। মৃতের ন্যায় পড়িয়া থাকা তাকে মানায় না। তাকে অন্য লুকের মতো লাগে।
তাই আমিও এতদিনকার গ্রীষ্ম ঘুম কাটিয়া কিছু বাক্য অপচয় করবার চাই। পথমত, শিরোনামে যারা বাল ছিরা কিম্বা বাক্যে পাকিস্থানিগো মাইরে চুদি হজম করা হারেন না, তাগো যে বাল জ্বালায় নাই, এইডা আমি ভালো কইরাই জানি।
দ্বিতীয়ত, অনেকে আবর এইসব খারাপ বাক্য শ্রবণে পুলাহানদিগের কী হইব, তাই নিয়া আতঙ্কে মুহ্যমান। ছুট্ট কইরা তাগো এট্টা কতা চুদাই, আমরাও একদা পুলাহান আছিলাম এবং আমাগো আব্বা আম্মাউ এইন্যা থিক্যা নিরাপদ দূরত্বে রাহার নানাবিধ উপায় অবলম্বনে গলদঘর্ম হইয়াছে।
কিন্তু লভ্যাংশের গুড় যেমন পিপিলিকায় মারিয়া দেয়, তেমনি তাদের উপায় অবলম্বনও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হইছে। কালের পরিক্রমায় আমাদের ঠিকই বাল জালাইছে এবং আমরাও নানাবিধ চুদাচুদি রপ্ত করিয়া হায়ারে খেলার যোগ্যতা অর্জন করিয়াছি। মাঝখানে থিক্যা রছময় গুপ্তরা পিতা মাতার কষ্টার্জিত উপার্জনে ভাগ কাড়িয়াছে অযথাই কিংবা যথাই। যেহেতু সত্য নিজেই এক বানানো চিজ, ফলে উহার রূপ ভিন্নতর হইবেক, এতে আর অন্যথা কী?
তারপরো আপনাদের উদ্দিশে একটা কথা না বলিলেই না, তাহা হইল, পিখিবির সকল ছুটো পুলাপানেরই বাল জ্বালাবে এবং তারা অচিরেই চুদাচুদি শিখবে, আফনে যতই বাধা দেন না কেন। শুধু কিছু সুশীল বুকাচুদার কুনোদিনো বাল জ্বালাবেন না। কারণ শীল বংশের লুকের কোনোদিন বাল জ্বালায় না, তারা অন্যের বাল ফালাইতেই অধিকতর আমোদে মজিয়া থাকে।
তাহাদের রুচিশীল প্রমোদ বিহারে যদি আকাশে উড়িয়া যাওয়া পক্ষীও ফিনফিনে উঁচিশীল পাঞ্জাবীতে পুরিষ ত্যাগ করিয়া বিঘ্ন ঘটায়, তবে তাহারা পক্ষীর পুচ্ছদেশে টুটু বোর রাইফেলের গুল্লি প্রবেশ করাইতে দ্বিধাবুধ করে না। সেইখানে আমাদের মতো অমার্জিত লুকেরা যখন সততই বাজে বাক্য দ্বারা অসাহিত্য পয়দার পাঁয়তারা কষি, তাহাদের সমূলে উৎপাটনের লাগি এইসব বুকাচুদারা যে একাট্টা হইবে, এতে আর অবাক মানার কী আছে?
নাই। তাই কিছু মূলত কচি পাঁটা যহন উচিশীলতার দুহাই দিয়া, সচলের ভাষা কী রূপ হইবে, তার সম্ভাব্য ফর্দ হাঁকে, সেইখানে আমাগো গলা টিপ দিয়া ধরার প্রচেষ্টা টের পাই ভীষণভাবে। কিন্তু ক্যা?
শুধুই অশ্লীলতা?
একবার প্রয়াত সেলিম আল দীন অশ্লীলতার উদাহরণ দিছিল আরেকজনরে কোট কইরা, যুদি একটা ম্যায়ালুক পুরা ন্যান্টা হইয়া ঘুরাফিরা করে, হেইডা শিল্পের দৃষ্টিতে অশ্লীল না। তয় ওই ম্যায়ালুকই যুদি বেবাকতা বাইর কইরা খালি লাল রঙা হাত আর পাউ মুজা পইরা চেগাইয়া বইয়া থাকে, তাইলে তা অশ্লীল।
কিন্তু আমার এই বেগানা দৃশ্যডারেউ অশ্লীল মুনে হয় নাই। এমন কি ওই ম্যায়ালুক যুদি তার স্ত্রী লিঙ্গের কোটরে ঝুনঝুনি বাইন্দ্যা নাচানাচিউ করে, তাউ। কিংবা বিপরীতক্রমে একটা পুরুষলুক।
কারণ আমি মনে করি যৌন জাতীয় কুনো কিছুই আসলে অশ্লীল না। অশ্লীলতার বসবাস অন্যত্র। সে আলোচনা আরাকদিন। আইজক্যা, খালি এট্টা কতা কইয়া শ্যাষ করবার চাই, তাহলো এইযে আমারে তুমি গলায় টিফি দিয়া ধরবার চাউ, আমি কি কুনোদিন তুমার গলায় টিফি দিবার চাইছি?
আমি কি কইছি, এই হালায় খালি বইয়ের ভাষায় রুচিশীল কতা চুদায়, ওরে সচলে লেকপার দিমু না?
বলি নাই তো।
মনে রাখবেন, অর্থহীন এক লাখ ভালো কতার চাইতে অর্থময় একটা বাজে কতা ভালো।
মন্তব্য
এইবার খ্যান্ত দিলে হয় না, বাঘাদা? মুছেও দিতে পারেন এটা, চাইলে...
_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!
(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)
_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!
(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)
আমি তো পুরোটাই মুছে দিতে চাই জাতক। কিন্তু যে অন্যায় মহাকালের, সে চর্চা যদি কেউ সুচিন্তিতভাবে করে, তবে তাকে আঘাত না করে পারা যায় না।
নিগার সুলতানার কবিতা দ্যান একখান। সে কেমুন আছে জানবার চাই।
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
অনেকদিন পর লগ ইন করেছেন দেখে আপনার কাছ থেকে নতুন একটা লেখা পাবো ভেবে যতোটাই খুশি হয়েছিলাম, আপনার লেখা পড়ে বিরক্ত হলাম তার চাইতেও বেশি! অবশ্য, যেভাবে এই পোস্ট আপনি লিখেছেন তাতে কোন সহ সচলের বিরক্তি কিংবা ভালো লাগা কিংবা ইত্যাদি নিয়ে আপনি কিছুমাত্রও চিন্তিত কিনা, সেটা নিয়ে আমি আর নিশ্চিত নই।
এতো অশান্তি হচ্ছে, এতো মন্তব্য-প্রতিমন্তব্যের ধাক্কায় সচলায়তনের বন্ধুতাময় পরিবেশটাই যেখানে এই মুহূর্তে খুব স্বস্তিকর নেই, সেখানে আপনার এরকম একটা পোস্ট না দিলেই কি চলতো না? আপনার অশ্লীলতা, কি ব্যক্তিস্বাধীনতা, কি ভাষার স্বাধীনতা নিয়ে যা-ই মতামত থাকুক, সেটা আপনাকে এই সময়ে, এই ভাবেই বলতে হলো??
এতো কথা হয়ে গেলো ব্যক্তি আক্রমণ নিয়ে আর এতো কিছু নিয়ে, তারপরও "মূলত কচি পাঁটা"!
স্নিগ্ধা, শুদ্ধ ভাষায় কথা বলেন তো, তাই টের পান না অশুদ্ধ ভাষায় কথা বলার কি জ্বালা। যখন আমি আপনার কথা বলার স্বাধীনতায় নানা নিয়ম কানুন চাপাবো, আপনার তখন একদম ভালো লাগবে না আমি নিশ্চিত।
সুশীলদের চরম বিরুক্তি উৎপাদনই আমার কাম্য। তাদের ভ্রকুটি দেখতে আমার ভাল্লাগে, অস্বস্তিতে ফেলতেও। সচলে ঝগড়াঝাটি থেকে আমিউ দূরের কেউ নই। প্রতিদিনই খিয়াল করছি, সচল কীভাবে সুশীলদের চাপে আরো বেশি সুশীল হচ্ছে।
ব্যক্তি যখন অসহনীয় হয়ে ওঠে তখন তাকে আক্রমণ বিনা দখল অসম্ভব।
প্রিয় সবুজ বাঘ, সচলায়তনের নীতিমালায় পরিষ্কার উল্লেখ করা আছে,ব্যক্তি আক্রমণ সচলায়তনে নিরুৎসাহিত। আপনার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হচ্ছে,
১. "ব্যক্তি" যদি "অসহনীয়" হয়ে ওঠে, তার "অসহনীয়" বক্তব্যে "আপত্তি" জানান, তাকে আক্রমণ করবেন না।
২. সচলায়তনে দখল করার মতো কোনো কিছু নেই। যারা দখল করার চেষ্টা করে তারা সচলায়তনে স্বাগতম নয়। আশা করবো কথাটি স্মরণে রাখবেন।
প্রিয় সাদা মডু, সবুজ বাঘ কুনো প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালায় আওতায় পড়ে না। তার নিজস্ব কিছু নীতিমালা আছে। যদি পছন্দ না হয়, দ্বার বন্ধ করুন, সে আর এই পথে আর পা মাড়াবে না।
সুশীলদের করতলগত হওয়ার পরো সচলায়তনে দখলের কিছু নেই বলছেন? হাহাহাহা। বিজ্ঞান আর কাহাকে বলে?
এইটা কী কইলা মামা? আমাদের সবারইতো নীতিমালা আছে আর নীতিমালার মধ্যে থাকাটা তো ভালো জিনিস। ব্যক্তি আক্রমণ না করাই তো এখানকার নীতি। সেটা তো মামা না মানতে চাইলে অনেকটা জোর করে নীতিমালা ভঙ্গের মতো শোনাবে।
সুশীলদের করতলগত বলতে তুমি কি বুঝাইলা তা হয়তো বুঝবার পারিনাই। তাই দখল বিষয়ক মন্তব্যে কিছু বলতে পারছিনা।
আপনাকে *****
_________________________________________
Any day now, any day now,
I shall be released.
রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক
ধন্যবাদ তোরে, তোর চোখ আছে।
অনেকদিন পর লিখলি মামা, কিন্তু লেখায় সহমত জানাইতে পারলাম না। এখন একটা কমিতা ছাড়, অনেকদিন অপেক্ষায় আছি। কেউ তুমার মুখের ভাষা কাইড়া নিবার চায় না, চাইলেও পারব না, বাঘের মুখে হাত দেয় এমন সাহস কার আছে??
স্নিগ্ধার সাথে সহমত। খুব-ই বিরক্ত এবং হতাশ হলাম।
এমনি জানতে চাইছি: আপনি কোন হরফ? সচলে একাউন্টওয়ালা হরফ না অন্য কোন হরফ?
আমি সাট্টিফিকেট দিলাম আপনার পুরা পুস্টটাই শিলিল। খালি এক পুস্ট দুইবার দেওন ইট্টু অশিলিল হইছে
আমি সাট্টিফিকেট নেই না, দেই, আম্নের মন্তব্য অশিলিল হইচে।
-----------------------------------------------
মানুষ যদি উভলিঙ্গ প্রাণী হতো, তবে তার কবিতা লেখবার দরকার হতো না
অনেকদিন পর সবুজ বাঘের লেখা।
আমি পাঁচতারা দাগালাম।
একটা পোস্ট মুছেন...ডাবল দেখা যায়..
মূল্যবোধ, সত্য ইত্যাকার বিষয়গুলো যে স্যোশাল কনস্ট্রাক্ট, এবং স্যোশাল কনস্ট্রাক্ট যে স্থায়ী কোনো বিষয় নয়, এই বিষয়ে আপনার সহজাত ভাষায় একটা লেখা দেন - আনন্দের সাথে পড়ি।
-----------------------------------------------
মানুষ যদি উভলিঙ্গ প্রাণী হতো, তবে তার কবিতা লেখবার দরকার হতো না
-----------------------------------------------
মানুষ যদি উভলিঙ্গ প্রাণী হতো, তবে তার কবিতা লেখবার দরকার হতো না
ধন্যবাদ বস, চেষ্টা করব।
এর পরে উচি বা রুচির প্রশ্ন আনা বোধ হয় একেবারেই অনুচিত হবে। তবু মনে হয়, এতো ভক্ত পাঠক যাঁর, কোনো লেখার প্রসঙ্গে হেলায় মন্তব্য ছুঁড়ে দেওয়ার আগে তিনি একটু সময় নিয়ে পড়বেন, বক্রোক্তি শুধু নয়, সরাসরি গালি যে লেখা নিয়ে দিলেন তার ভিতর কী বক্তব্য আছে সেটা সামান্য হলেও জানবেন। সময়ের অভাবই হবে হয়তো, কিংবা অকিঞ্চিৎকর লেখা, গুরুত্ব দিয়ে পড়ার প্রয়োজন নেই।
যাক, আপনার দেশোদ্ধারে বাধা দেওয়া আমার উদ্দেশ্য নয়। আপত্তিকর অভিযোগ করা বা এক তারা দেওয়া, এর কোনোটাই করছি না। সুশীল নামক প্রাণীরা এই সব কথায় এমন পরিস্থিতিতে যে রাগে না তার একটা কারণ আছে, তবে সেটা আপনাকে বোঝানো বৃথা। এই গাল পেড়ে আপনার ক্ষোভ মিটে থাকলে এবার শান্ত হোন, অনেক তো হলো বিপ্লব। এবার না হয় একটু শান্তি আসুক?
হাহাহা। দাদা, তরে কিন্তু আমি পছন্দ করি। কিন্তু তর টেন্ডেন্সিরে না। তর প্রবণতাই হচ্ছে নানান নিয়ম কানুন ফাঁদা, যেগুলো আমাদের মতো মানুষরে কষ্ট দেয়।
সৈয়দ মুজতবা আলী কাবুলীদের বে-এক্তিয়ার "স্বাধীনতা" দেখে কি লিখেছিলেন মনে আছে তো? "এমন স্বাধীন যেন আমরা কখনো না হই"। নিয়ম-কানুনের ব্যাপারে বিরক্ত হলে মাঝে মধ্যে অন্তত আলী সাহেবের কথাটা ভেবে দেখবেন, তিনি সুশীল হলেও বিচক্ষণ ছিলেন।
আমার 'টেন্ডেন্সি' বাদ দিয়ে আমি নই। তাছাড়া পছন্দের বা তদজনিত অনুমোদনের প্রসঙ্গে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, বিশেষতঃ যদি আপনি যাঁদের পছন্দ করেন সেই সব ঘনিষ্ঠ আত্মীয়বন্ধুজনের জন্য "কচি পাঁঠা" জাতীয় বিশেষণ জমিয়ে রাখেন।
পছন্দ করার পরিবর্তে মন্তব্যের আগে সাভিনিবেশ পাঠ কাম্য ছিলো। গালির উপর স্বনিয়ন্ত্রণের কথা এনেছিলাম যা আপনার ম্যাৎকার ঠেকেছে, সেটা থেকে অনেক অনুসিদ্ধান্ত বেরিয়েছে। এর অনেকগুলোই স্বয়ম্ভূ, এদের দায়িত্ব আমার নেওয়ার কথা নয়। ব্যাখ্যারও দরকার ছিলো না হয়তো, কিন্তু দেখাই যাচ্ছে এখনো নব নব ব্যাখ্যা বেরিয়ে আসছে।
কোনো রকম গালি কেউ যেন না দেন এমন বেয়াড়া অনুরোধ আমি করি নি। পাকিস্তানকে গালি দিলে আমার গাত্রদাহ হয় কি হয় না তা নিয়েও কোনো মন্তব্য করি নি। সাহিত্যে হিজাব পরানোর কথাটা আমার নয়। তবে সাহিত্যের নিচে মন্তব্যে যা আসে তাকেও এক ধার থেকে সাহিত্য ভেবে তার গালিকে পবিত্র বিবেচনা করার কারণ দেখি না। সচলায়তনের পরিবেশ যাতে অন্য কিছু সাইটের মতো না হয় সে জন্যই এই কথা। মডারেটেড সাইটে আত্মনিয়ন্ত্রণের কথায় এতো রোষের কারণটা আমার বোধগম্যতার বাইরে।
প্রমিত ভাষায় লিখতে হবে এমন দাবি আমি করি না। অনেকের অনেক পোস্টেই বানান নিয়ে মন্তব্য করেছি, যদি সামান্য মনোযোগ দিয়ে পড়তেন তো দেখতে পেতেন, আঞ্চলিক ভাষান্তর বা ডায়ালেক্টের কারণে শব্দের ভিন্ন রূপকে ভুল কখনো বলি নি। আত্মবিশ্বাসের সাথে এ কথা বলতে পারছি তার কারণ ঐ জিনিসটিকে আমি ভুল মনে করি না। কিন্তু আমি যেহেতু প্রমিত ভাষায় লিখি, অতএব ধরেই নেওয়া যায় যে এ ব্যাটা শ্রেণীশত্রু। আরো মজার কথাটা কী জানেন? আমি এই ভাষারূপগুলোকে অশুদ্ধ ভাবি না, কিন্তু আপনি নির্দ্বিধায় একে অশুদ্ধ বলে ডাকতে পারেন, যেমন ডেকেছেন স্নিগ্ধাকে লেখা মন্তব্যে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আর যথেচ্ছাচারের মধ্যে ফারাকটা তেমন সূক্ষ্ণ কিছু নয় যে সেটা শুধু সুশীলদেরই মেনে চলতে হবে।
সুশীলদের রাগিয়ে দেবেন এবং পুলকিত হবেন সে আনন্দে, এই প্রবণতার পরিবর্তে যদি সচলায়তনের ভালো কিসে হয় সেইটা ভাবতেন তাহলে কিছু কাজ হতো। আমার লেখা ও 'টেন্ডেন্সি' নিয়ে আর ভাববেন না, সচলের নীতিসংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলা যে অনধিকার চর্চা সেটা বোঝাতে আপনার ত্রুটি হয় নি। এবার অবকাশ থেকে ফিরে এসে আর বাকি যা যা ভ্রান্ত ধারমা আছে সেগুলোও পরিষ্কার করে দিন।
দুঃশীলতার জয় হোক।
আরে মামা অনেক দিন পরে আইছো দেখে ভালো লাগছে। পাঁচটা লাল তারকা দিলাম। এই লাল আবার সেই লাল না কিন্তু
পুরো সহমত। অশ্লীলতার উদাহরন আপনি নিজেই দিয়েছেন...নীচে দিলাম।
আপনার বাল ছেঁড়ার চেয়েও বিরক্ত হয়েছি এই লেখায়। আরেকটা কথা সরাসরি বলি...অশুদ্ধ ভাষাটাও দয়া করে শিখুন।
++++++++++++++
ভাষা হোক উন্মুক্ত
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
একটু বুঝিয়ে বলবেন কি? সবুজ বাঘ একদম চোষ্ত টাঙ্গাঈলের অ্যাকসেন্টে লিখেন, মাঝে মাঝে একটু জামালপুরি টান এসে যায়, তাই আপনার মন্তব্যটা বুঝতে পারলাম না
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী
আমি এক্সেন্টের কথা বলি নি, লেখার বক্তব্যের কথা বলেছি।
++++++++++++++
ভাষা হোক উন্মুক্ত
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
++++++++++++++
ভাষা হোক উন্মুক্ত
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
কত্তাম হালুম, কি দিলা এইডা!
পাক্কা পাঁচ তারা তুমার লেখায়! সহজ কতা হাজারবার কওয়া হইয়া গেছে, শালীন অশালীন এই ঝগড়া তো অনেকদিন চলল, কিন্তু সমাধান তো দেখলাম না, মাঝখান থিকা হবাই হবাইরে গলাটিপাটিপি করতাছে, এর থিকা কুনু পরিত্রাণ নাইকা!
কে কি লিখপ, সেই স্বাধীনতা নেখকের হাতেই থাকুক, এইটাই আমার মুনে হয় একমাত্র সমাধান, অহন এক গামলা হরিঙের মাংসু দ্যাও দিকি, খাই একলগে!
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী
এই পোস্টটা ব্যক্তি আক্রমনের দুর্দান্ত উদাহরন। আমি একটাকে আপত্তিকর অভিযুক্ত করেছি। এর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে মডুদের উদাহরণ করছি।
সচলে পরিস্কারভাবে সুশীল ও দুঃশীল দুটো ভাগ তৈরি হয়েছে, এবং পরস্পরের প্রতি ব্যক্তি আক্রমন দুই দিক থেকে আসছে। এই অবস্থায় মডারেশনের একটা স্ট্যান্ড নেওয়া উচিত।
আমরা এখানে আমাদের সময় অপমানিত হওয়ার জন্য খরচ করি না। এই ধারা চলতে থাকলে সচল থেকে বহু লোকই চলে যাবেন, ঘোষনা দেওয়ারও প্রয়োজনবোধ করবেন না।
এইটুকু বোঝার মত বুদ্ধি আশাকরি সচলের সবারই আছে। আমি আশা করব আপনাদের বোধদয় হবে।
++++++++++++++
ভাষা হোক উন্মুক্ত
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
এটা সচলের সেরা টু-দ্য-পয়েন্ট পোস্টগুলোর একটা। স্যালুটের সাথে পাঁচতারা।
---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো
পোস্টটা ভালো লাগে নাই পড়তে।
পোস্টটা প্রথমে পড়ার পর আমার কাছে আপক্তিকর মনে হয়নি। দুইবার পড়েছি। তবে তোমার এই মন্তব্য না পড়লে হয়তো আপত্তিটা ধরতে পারতাম না। আসলে আমরা একেকজন জিনিসগুলোকে একেকভাবে দেখি। বাঘ যদি এরকম কিছু বুঝিয়ে থাকে অবশ্যই তা অনুচিত হয়েছে।
একটা বিষয় বলা দরকার যে সুশীল শব্দটা একটা গালিতে পরিণত হয়েছে দেখে আমার ভয় হয় কবে কে আমার উপর এটা প্রয়োগ করে। তবে খারাপ ভাষা না ব্যবহার করেও যেমন কারো লেখার প্রতিবাদ করা যায় তেমনি 'খারাপ' ভাষা দিয়েও দারুণ লেখা নামানো যায় (বাঘ আগে যেমনটা করেছে)।
তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে লেখক কিছুটা আনস্ট্যাবল। ওনাকে আমি বিশ্রামের পরামর্শ দিতে চাই। একটা কথা প্রচলিত আছে যে রাগান্বিত অবস্থায় যেন চিঠি না লেখা হয়। বিষয়টা সব লেখার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য তা নতুন করে বুঝলাম।
সচলায়তন wrote:
উপরের উদ্ধৃতিটুকু তিন-চারদিন আগের ঘটনা। অনেকেরই মনে আছে আশা করি। মডুদের কাছে বিনীত জিজ্ঞাসা, সহসচল মূলত পাঠককে সরাসরি গালি দেয়ার কারণে তাঁরা এই পোস্ট লেখককে এমন কোন কারণ-দর্শাও নোটিস দেবেন কি না। সেটা না দিলে, আজকের গালি দেয়া পোস্ট এবং উপরে উদ্ধৃত পদক্ষেপ যে কারণে, দুটো ঘটনার পার্থক্যটা একটু বুঝিয়ে বলবেন আশা করবো।
একাধিক পোস্টের কারণে এবং সহসচলদের প্রতি আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগের কারণে এই পোস্টটি প্রথম পাতায় সরিয়ে দেয়া হলো। ভবিষ্যতে যদি সহসচলদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ধরে রাখতে না পারেন, সচলে আপনার লেখার সুযোগ সীমিত করা হবে।
তার মানে একবার গালি দেয়াটাকে আপনি হালাল বলতে চাইছেন?
আমি এ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দাবী করছি।
...........................
Every Picture Tells a Story
আমার মনে হয় একবার গালি দেওয়াকে হালাল বলা হচ্ছে না। সতর্কতা সংকেত দেওয়া হচ্ছে।
_____________________
আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।
তার মানে আমিও কাউকে গালি দিতে পারবো তাইতো? আসলে ব্যাখ্যাটা মডু থেকে আসাটাই ভালো।
...........................
Every Picture Tells a Story
অযাচিত মন্তব্যের জন্য দুঃখিত।
_____________________
আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।
না, একবার গালি দেয়া হালাল নয়। শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শাস্তির মাত্রা নিয়ে সিদ্ধান্তের জন্যে মডারেটররা আলোচনা করবেন। এ জন্যে সময় প্রয়োজন। কিন্তু মডারেটর একবার সীমারেখা টেনে যাবার পর লেখক যাতে আত্মসংবরণ করেন, এবং পুনরাবৃত্তি করে পরিস্থিতি অযথা আরো দূষিত না করেন, সেজন্যেই এই সতর্কবার্তা।
অনুরোধ থাকবে, কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজনবোধ করলে, কিংবা কোনো ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করতে বললে কনট্যাক্ট অ্যাট সচলায়তন ডট কমে মেইল করার। এটি সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ধন্যবাদ।
সেই ক্ষেত্রে মানে 'মডারেশন সতর্কতা' নিয়ে মন্তব্য আসার পর সহমত জানিয়ে করা অন্যান্য মন্তব্য গুলোর ব্যাপারেও একটা সীমারেখা মডারেশন থেকে আসা উচিত।
...........................
Every Picture Tells a Story
এটি স্বতসিদ্ধ। আলাদা করে তাই বলার প্রয়োজন মডারেশন দেখছে না। মন্তব্য করতে গিয়ে যদি কেউ সীমালঙ্ঘন করেন, তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে যেটি বলা হয়েছে আগেই, সময় প্রয়োজন।
কেউ যদি মডারেশনকে নিরুচ্চার থাকতে দেখে উৎসাহিত বোধ করেন, এবং এই পোস্ট বা অন্য কোনো পোস্টে মন্তব্যে সীমা অতিক্রম করেন, সেক্ষেত্রে তার ফলও তিনি ভোগ করবেন।
ধন্যবাদ আপনাকে।
আমাকে কেউ গালি দিলে যদি কেউ তার পিঠ চাপড়ে দেয় তাহলে সেই পিঠ চাপড়দাতার সাথে গালি দাতার কোন আমিল আমি দেখিনা। আবার কাউকে অন্যায় ভাবে আঘাত করা হলে সেই আঘাত সমভাবে আমার উপরেও পড়ে। হোকনা সে আমার পরিচিত বা অপরিচিত।
...........................
Every Picture Tells a Story
কেনো? এখানে প্রকাশ্যে কথা হলে সমস্যা কি? একটা বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা চলছে। সবার মন্তব্যের উত্তর প্রতি উত্তর চলছে। এখানে মডু কিছু একটা বল্লে সেটার উত্তর বা প্রশ্ন করার জন্যে আমাকে কন্টাক্ট এট সচলে যেতে হবে কেনো? হাশরের ময়দানে হুজুরদের নাকি বিচার হবে গোপনে। এখানে কি সেরকম ঐশ্বরিক কোনকিছু আছে নাকি? যে মডুদের বা তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন করতে হলে গোপনে পর্দার আড়ালে করতে হবে?
------------------------
ভুল সময়ের মর্মাহত বাউল
------------------------
ভুল সময়ের মর্মাহত বাউল
এখানে কথা বললে আপাতদৃষ্টিতে কোনো সমস্যা নেই, যেমন সমস্যা নেই মেইল করলে।
মডুরা দিনে ২৪ ঘন্টা এবং সপ্তাহে ৭ দিনের সর্বক্ষণ তো সচলে উপস্থিত থাকেন না। আপনার একটি প্রশ্ন যদি আপনি সচল বরাবর মেইল করেন, তারা সকলে নোটিফায়েড হন এবং প্রশ্নটির একটি উত্তর নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে দিতে পারেন। এতে করে যোগাযোগটি যতদূর সম্ভব সুচারু হয়।
আপনি মডুদের সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি প্রশ্ন যদি পোস্টে করেন, সেটির উত্তর আসার আগে আরো এমন কিছু বক্তব্য চলে আসে, কিংবা এমন কিছু কাজ ঘটে যায়, যেগুলো অন্যথায় এড়ানো সম্ভব হয়।
বেগুনী মডুর কথাটাকে অ্যাসার্ট করতে চাই। এই ধরণের ব্যক্তি আক্রমণ একেবারেই কাম্য নয়। ব্যক্তি আক্রমণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে।
নীতিমালা পরিমার্জন এবং সাম্প্রতিক গোলযোগের সাথে জড়িতদের কী করলে সর্বোত্তম পদ্ধতিতে বিষয়টির সমাধান করা যায় যাতে ভবিষ্যতে এইরকম পরিস্থিতি এড়ানো যায় সেটা আলোচনা চলছে। বিষয়টির সেনসিটিভিটির জন্য সিদ্ধান্ত প্রয়োগে সময় প্রয়োজন।
তবে আগামী কালকের মধ্যে নীতিমালা পরিমার্জনটি প্রকাশের চেষ্টা করা হবে। গোলযোগের সাথে জড়িতদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত প্রকাশে আরেকটু সময় লাগবে।
*****, আর কিছু দিবার ক্ষমতা নাই। হেঁতাল বন নড়তে দেখলে ভালো লাগে.....
.........
আমাদের দূর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা
.........
আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা
সবার কাছে অনুরোধ এই পোস্টে বাঘাকে আর কেউ কিছু দয়া করে বলবেন না। এই সময়ে আমাদের সবার ওর পাশে থাকা উচিত। স্বজন হারানোর বেদনার সাথে কোনো কিছুর তুলনা হয় না, হতে পারে না।
বাঘাদা, তোমার সাথে একমত নই। গালাগাল নিয়ে ঢালাওভাবে কেউ কিছু বলেনি। হিমু পাকিস্তানী যুদ্ধপরাধীদের একটি গালি দেয়, সেটা তার মতে যথাযথ ছিল, আমরা বলেছি পাকিস্তানী যুদ্ধপরাধীদের ঘৃণা করে সব পাকিস্তানী মায়েদের গালাগাল দেয়া যায় না। এই বিতর্কে তোমার লেখার গালাগাল কে এক করে ফেলছ কেন?
দুর্দান্তদা,
মন্তব্যে অযাচিত অংশগ্রহণের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি শুরুতেই।
এ বিতর্ক কিন্তু পাকিস্তানি মায়েদের গালাগাল দেওয়া দিয়েই শুরু হয় নি। অতীতে বাঘাদার ভাষা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার কারণেই তিনি "মুখের ভাষা কেড়ে নেওয়া"র কথা বলেছেন। তবে আমি ব্যক্তি আক্রমণের ঘোর বিরোধী। আমার মতে এই পোস্টের রস নিংড়ে নিয়েছে "মূলত কচি পাঁটা" অংশটুকু। স্পষ্টতই বাঘাদা একটা খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তাই এই অনভিপ্রেত আচরণকে আমি তাঁর দুঃসময়ের একটি বিচ্ছিন্ন, বেহিসেবি ভুল হিসেবে দেখতে চাই।
_____________________
আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।
বাঘার পুরো লেখাটি পড়ার পরেও যদি আপনার এই উপসংহার হয়, তাহলে আর কিছু বলার নেই। ভাল থাকুন।
জানি এখানে সামগ্রিক নীতিমালার কথা বলা হচ্ছে, তাও যা নিয়ে আপত্তি সেই বাক্যাংশটি আমার উদ্দেশে প্রযুক্ত বলেই আরেকবার নাক গলাচ্ছি। পোস্টের লেখক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন এবং সে কথা যদি না-ও ধরি, ইতিমধ্যে অনেক বাকবিতণ্ডা হয়ে যাওয়ার দরুণ নানা জনের নানা বক্তব্য মিলেমিশে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে যার প্রভাব লেখা ও মন্তব্যে পড়ে থাকতে পারে এই আশঙ্কায় সকলের কাছেই অনুরোধ করছি, এই একটি দৃষ্টান্তকে আমরা না হয় বাদ দিই? আমার এই অনুরোধ না হয় সুশীলজনোচিতই হলো, শুধুমাত্র সেই কারণে কেউ এর বিরোধিতা করবেন না আশা রাখছি। মাঝে মাঝে সদভাবনার কথা বলাটা তেমন খারাপ কিছু নয়, না হয় আজ সে কাজটাই করি।
সবুজ বাঘ, এই খারাপ সময়ে আপনার কাছে এ সব কথা তুচ্ছ লাগবে হয়তো, তবু বলি, কেউ কারোর মুখের ভাষা এতো সহজে কেড়ে নিতে পারে না। মতপ্রকাশে ঘেরাটোপ বসিয়ে লেখালেখিকে কুচকাওয়াজ বানাতে চাইলে তার প্রতিবাদে আপনার সাথে থাকবো, আপাততঃ এই কথাটা মেনেই নিন।
ভালো থাকুন।
চরম বিরক্তবোধ করছি।
------------------------
ভুল সময়ের মর্মাহত বাউল
------------------------
ভুল সময়ের মর্মাহত বাউল
এদ্দিন পরে নতুন কইরা এই পোস্ট হয়তো সবুজ বাঘে খুইলাউ দেখবো না
..আমিও বেশ বিরক্ত বোধ করতাছি
------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'
-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'
এইখানে আমার দুইটা কথা :
১. লেখার বক্তব্যের সাথে শতভাগ সহমত। কিন্তু পোস্টটা করা হইছে ভূল সময়ে।
২. শুধুমাত্র
অজ্ঞাতবাস
অজ্ঞাতবাস
প্রিয় সুমন,
এই কথাগুলি আপনার কাছে সহসচলদের প্রতি গালি মনে হয় না?
টয়লেটে আমরা সবাই যাই, বাজে গন্ধ যাতে বাইরে না ছড়ায় সেজন্য দরজা বন্ধ রাখি, আমাদের এখানে অনেকে দরজা খুলেই টয়লেটে বসা শুরু করেছেন।
প্রেম উথলে উঠলে প্রিয় জনের টয়লেটেও বাজে গন্ধ পাওয়া যায় না।
...........................
Every Picture Tells a Story
পাকিস্তানীদের মায়েরে কিছু কইলে কেউ যদি সেইটা নিজের মায়ের ওপর বলাৎকারাশঙ্কায় কান্নাকাটি শুরু করে, তাইলে তাকে আবাল বলে বাঘা নিশ্চিতভাবেই অন্যায় করছে।
---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো
এতদিন খালি পড়লাম, কিছু বলিনাই, কোথায় কার খারাপ লাগবে সেই ভেবে... তবে মনে হলো একটা কথা বলা দরকার... এই কথা বলার স্বাধীনতা এখানে আমার আছে নাকি আমি আসলে এই মুহূর্তে নিশ্চিত না... তাও বাকস্বাধীনতা নিয়ে যখন পোস্ট.. মনে হইলো বলি। নিচের অংশ রেস্ট্রিক্টেড।
__________________________
ঈশ্বর সরে দাঁড়াও।
উপাসনার অতিক্রান্ত লগ্নে
তোমার লাল স্বর্গের মেঘেরা
আজ শুকনো নীল...
__________________________
ঈশ্বর সরে দাঁড়াও।
উপাসনার অতিক্রান্ত লগ্নে
তোমার লাল স্বর্গের মেঘেরা
আজ শুকনো নীল...
এই পোস্টটির জন্যে পোস্ট লেখকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, এ কথা একজন মডারেটর জানিয়ে যাবার পরও এই পোস্টে একই বাদানুবাদ চলমান, যা কখনোই কাম্য হতে পারে না। পোস্টে মন্তব্যের সুযোগ রহিত করা হলো।
সবুজ বাঘ, সচলায়তনে আপনার অ্যাকাউন্ট ২ সপ্তাহের জন্য মডারেশনের আওতায় আনা হলো। ভবিষ্যতে সহসচলদের বিরুদ্ধে এ ভাষায় আক্রমণ করলে আপনার বিরুদ্ধে কঠোরতর ব্যবস্থা নেয়া হবে।