১. তুমি থেকে আপনি
মফস্বল এলাকায় লোকজন ছোটদের সম্মান করেনা। যেই বুঝতে পারবে আপনার বয়স কম অমনি পথের ভিখারীও তুমি-তামারী শুরু করবে। তো সেই অজমফস্বলে কীভাবে কীভাবে যেন একজন আমাকে আপনি বলে ফেলল। পড়ি তখন ক্লাস সিক্সে। গেছি বই কিনতে। বিক্রেতা দাড়িওয়ালা হুজুর টাইপ। বলল, “আপনার কী বই লাগবে?” নরমালি আমি এই দোকান থেকে কিনি তিন গোয়েন্দার বই। অবশ্য সেদিন গেছি অন্য মিশনে। বেশ কিছুদিন আগে দোকানে একটা ইয়া মোটা মহাভারত দেখে গেছি। মহাভারতের গায়ে দারুণ সব ইলাস্ট্রেশন। কিন্তু দাম অনেক। তার পর থেকেই টিফিনের টাকা, রিক্সা ভাড়া বাঁচিয়ে, এর ওর কাছথেকে ধার করে, অনেক কষ্টে শ-তিনেক টাকা যোগাড় করে ফেলেছি। ভাগ্য মনে হয় প্রসন্ন। শুরুতেই জীবনের প্রথম ‘আপনি’ ডাক শুনে ফেললাম। তাই গলার স্বর একটু বড়দের মত করে বললাম, “মহাভারত!” মহাভারত শুনেই সেই দাড়িয়াল ভাইয়ের ভুরু গেল কুঁচকে। বলল, “নাম কী?” আমি আমার খাঁটি বাংলা ডাকনাম বলে দিলাম। শুনে কিছুক্ষন অনিশ্চিত ভাবে চিন্তা ভাবনা করে সে জিজ্ঞেস করল, “ভাল নাম কী?” আমি বললাম, “মোঃ ‘অমুক-সমুক’ ইসলাম”। এইবার সেই ব্যাটা আপনি টাপনি ভুলে পুরা খেঁকিয়ে উঠলো, “মুসলমানের ছেলে হয়ে রামায়ন মহাভারত উদ্ধার করতে নেমেছ কেন বাপ? আরবী টারবী কিছু পারো?” আমি আমতা আমতা করে বলাম, “যাই এক হুজুরের কাছে শিখতে”। সে বলল “ঠিকাছে এখন যাও। তোমার কাছে মহাভারত বেচব না।” মহাভারত কিনতে না পারলেও পরে বন্ধু মহলে দারুণ বার্কি নিয়েছি। ওদের তো আর কেউ ‘আপনি-আপনি’ করে না!!
২. ভাইয়া থেকে আঙ্কেল
গেছি শাহবাগ। (মহৎ উদ্দেশ্যে) কিছু গোলাপ কিনতে। গোলাপ দিয়ে কি করলাম সে প্রশ্ন করা যাবে না। তো যাই হোক, এক দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে গোলাপগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছি। দোকানের বিক্রেতা এক পুঁচকে। বলে, “আঙ্কেল কোনটা নিবেন? অ্যালবাম আছে আলবাম দেখে নেন” গোলাপগুলো পছন্দই হয়েছিল। কিন্তু এই ছ্যামড়ার মুখে ‘আঙ্কেল’ শুনে মেজাজটা গেল সপ্তমে চড়ে! বললাম, “ঐ! আমারে দেখে আঙ্কেল আঙ্কেল লাগে নাকি। যা (শালা) তোর কাছ থেকে ফুলই নেব না।” তবে পিচ্চিকে ঝাড়ি দিলে কি হবে। রাতে হলে নিজের রুমে ফিরে হঠাৎ করে নিজেকে বুড়ো বুড়ো মনে হতে লাগলো। এর আগেতো কেউ আঙ্কেল বলেনি।
৩. আব্বুউউ!
গেছি বানিজ্যমেলায় ‘পরীদর্শনে’। আসলে আমার এক দোস্ত অনেকটা ধরেই নিয়ে এসেছে। তো, পরীদর্শনে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি এক মস্তো বড়ো হাঁড়িপাতিলের দোকানের সামনে। পরীদর্শনে গেলে কেন হাড়িপাতিলের দোকানের সামনে দাঁড়াতে হবে সে প্রশ্ন করা যাবে না। জ্যাকেটের হুড মাথায় তুলে রেখেছি। এসব কাজে আবার ‘স্টেলথ’ একটা বড় ফ্যাক্টর। তো এমন সময়। পৃথিবীর সব চেয়ে সুন্দর একটা আঞ্জেল দৌড়ে এসে “আব্বুউউউ” বলে জড়িয়ে ধরল আমার ডান পা। আমার তখন আঞ্জেল দেখার অবস্থা নেই। কোনো সুদূর অতীতে হলিউডি কায়দার কোন দূর্ঘটনায় এহেন ঘটনার বীজ বপন করেছি কিনা, সেই হিসাব মাথার মধ্যে চলতে লাগলো তুমুল বেগে! কিন্তু সে সম্ভবনা তো শুন্যের চেয়েও কম। নাইলে কি আর স্টেলথ মুডে হাড়িপাতিলের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকি! যাই হোক, আঞ্জেল সাহেব ততক্ষণে আমার চেহারা দেখে ফেলেছে। খুব লজ্জা পেয়ে গেছে মনে হয়। একপা দুইপা করে মায়ের কাছে ফিরে যাচ্ছে। আঞ্জেলের মা কে দেখে মনে হচ্ছে সে লজ্জা পেয়েছে আরো বেশী। আমার দিকে লাজুক লাজুক তাকচ্ছে। তরুণী মা। বয়স আমার চেয়ে কম বা সমান হবে। রীতিমত ‘বড়োই সৌন্দর্য’। আমি বুকের মধ্যে উত্তেজনা গোপন করতে করতে ভাবছি। কি দারুণই না হত, যদি এই মেলা থেকে রেডীমেড বৌ আর বাচ্চা সহ ফিরতাম বাসায়!! মেয়েটার দিকে ভদ্রতা সুলভ “ব্যাপার না” টাইপের হাসি মুখ করে তাকিয়ে আছি। এমন সময় আমার মত জ্যাকেট পরা ‘অন্যকেউ’ এসে আমার সেই ক্ষণিকের আঞ্জেল কে কোলে আর বউকে ডান হাতে কেড়ে নিয়ে, চলে যেতে থাকলো দূরে...।
বন্ধুটা কুনুইতে খোঁচা দিলো, “ঐ এই দিকে দেখ। জিনিস একখান!”
মন্তব্য
আমাদের বাসার আশেপাশে ভর্তি পিচ্চি। নানান মাপের। কেউ কেউ চোখের সামনেই জন্মেছে। তাই আঙ্কেল ডাক শুনতে শুনতে হয়রান হয়ে যাওয়ার দশা। এক পিচ্চিনি আবার আমার প্রেমেও পড়েছিলো, সে বাসায় আসলে হিমু আঙ্কেলের জন্য ফুল নিয়ে আসতো সাথে করে। বাকিরা বেশ নির্দয় ছিলো, কারণে অকারণে এসে মারপিট করতো। তবে এরা আপনি বা আব্বু ডাকে নাই কখনো।
হাঁটুপানির জলদস্যু
আপনার তো জীবনের বেশীরভাগ আনাই বৃথা!!
দুনিয়ার সবচেয়ে সেরা ডাক হল ‘আব্বু’। [আসলে ‘আম্মু’ কিন্তু সেইটা স্বীকার করা যাবে না]। এইটা শুনলেই মনের মধ্যে একেবারে পুত্রবাৎসল্য চলে আসে! আর পুত্রবাৎসল্যই হল সেই “ওর্থ লিভিং ফর” আসল জিনিশ। আমিতো রীতিমত বাচ্চা কাচ্চা আডপ্ট করার চিন্তা করছি।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
আব্বুউউ!......
হাহাহা! মজা পাইছি।
-------------------------------------------------------
আমি সেই অবহেলা, আমি সেই নতমুখ, নীরবে ফিরে চাওয়া, অভিমানী ভেজা চোখ।
হুম মজা আর কষ্ট।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
মারাত্নক একটা লেখা। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসতেছে।
শুধু গোলাপ কিনতে গ্যালেন ক্যান- হুনতে ইচ্ছা করতেছে।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল
খাইসে!! লেখা পড়তে পড়তে জ্বর আসলো নাকি? জ্বর গায়ে লেখা পড়লে?
আর গোলাপ বিষয়ক কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করা যাবেনা!!
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
হা হা .. সুন্দর ঘটনা। তারেচেও সুন্দর উপস্থাপনা।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
আমারে কেউ আব্বাও কয় না। আমি চাচা-মামা হওনের আগেই আউট।
আবার লিখবো হয়তো কোন দিন
হায় হায়! মানি কি? ডাক্তার কি বলেছেন যে আপনি কোন দিন আব্বু-চাচা-মামা হতে পারবেন না?
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
৩/৪ বছর আগের কথা । ট্রেনে চেপে সিলেট যাচ্ছি , হাতে একটা সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ।
কয়েক সিট দূরে কয়েকটি মেয়ে বসা , টিনেজ পেরিয়ে হয়তো কলেজের শেষ বর্ষে অথবা ইউনির ফার্স্টইয়ার ।
একজন কাছে এসে বিনয়ের সাথে বলল , আংকেল , ম্যাগাজিনটা দেখতে পারি ।
মেজাজ এমন খারাপ হলো , মুখে তাই হাসি ফুটিয়ে বললাম - ওগুলো বড়দের ম্যাগাজিন , তোমার জন্য নয় ।
---
সিলেটে গিয়েই প্রেমিকাকে বললাম - ঐ , ১ মাসের মাঝে যদি বিয়া না করস , তাইলে অন্যখানে বিয়া কইরালামু । আংকেল হইয়া গেলাম ,বিয়া করতে পারলাম না , এইটা কেমুন কথা !
আপনি তো মহা ভাগ্যবান!
কিন্তু আমার কি হবে? আব্বু ডাক শুনে ফেলাচ্ছি, কিন্তু ঝাড়ি দেওয়ার মত এখনো কোন প্রেমিকা পেলাম না।
আজকাল তো ভয় হয় সেই "আইয়ামে জাহিলিয়াতের বর্বর যুগের মত" অ্যারেঞ্জ ম্যারেজই শেষ সম্বল হবে।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ঐটাই ভালো । হতাশ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না ।
সম্ভাবনা না থাকলে কি হবে? হতাশ যা হবার তা তো আগেই হয়ে যাচ্ছি।
এর পরে তো রীতিমত সুইসাইড স্কোয়াডের মেম্বারের মত গায়ে পাগড়ী সেরোয়ানী বেধে সোজা গিয়ে কবুল টিপে দিতে হবে।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
তবে এখনকার পুলাপাইনগুলাও বড়ই বেত্তমিজ। রাস্তা ঘাটে জলজ্যন্ত ইয়াং মাইয়াগোও আন্টি কইয়া বুলায় আর মিচকা মিচকা হাসে!
-------------------------------------------------------
আমি সেই অবহেলা, আমি সেই নতমুখ, নীরবে ফিরে চাওয়া, অভিমানী ভেজা চোখ।
এইটা একটা ঠিক কথা বলছেন আন্টি
................................................................................................
খাদে নামতে আজ ভয় করে, নেই যে কেউ আর হাতটাকে ধরা ...
বান্দর পুলাপাইন বললে সমস্যা নাই। আঞ্জেলরা বললে সমস্যা।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
দীর্ঘশ্বাস ...
অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...
অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...
হ
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
আমারেও একবার নিউমার্কেটে এক পোলা আইসা বলছিলো আন্টি বাচ্চাদের ছড়ার বই নিবেন? আন্টি শুইনা আমি হতভম্ব আমি এক চিৎকার। পোলা উইঠ্যা দৌড়। আমার বর বলল, চিল্লানের কি আছে? তোমারকি আন্টি হওয়ার বয়স হয় নাই? আমি ভাবলাম তাওতো কথা।
তানবীরা
---------------------------------------------------------
চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে
*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়
সেই দৃশ্যটা দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে!
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
বয়সের কথা আর বইলেন না ভাই... যে-সে এখন 'আংকেল' ডাকে। কপাল। সবাই সব বুঝলো, বাপ-মা বুঝলো না শুধু!! রাস্তার লোকজনের চেয়েও বিরক্তিকর হল বিবাহিত বন্ধু-বান্ধব। ভাবই আলাদা!
r
/r
হা হা হা! আর আমার অবস্থা আরো করুণ! তাবলীগার বাবা মা হইলে যেমন ছেলেরে বলে, "চাইর চিল্লা দিয়া না আসলে বিয়া দিমুনা" তেমনি আমার উপর হুকুম জারি হইসে। আগে পি এইচ ডি করা লাগবে!!
ফেব্রুয়ারীর গিফটের জন্য
এখনই এইগুলোর ইশতেমাল করছি।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
আমাকে শুধু বলে "নিজের পায়ে দাঁড়াতে", "বড় হতে"। একমুখে এটা বলে, আরেক মুখে বলে বাবা-মায়ের কাছে ছেলে-মেয়েরা সব সময় ছোট!!
ইশতিয়াক, খোমাখাতায় কিছুদিন আপনার প্রফাইলের ছবি ছিল বাচ্চাসমেত। আমি ভেবে ছিলাম আপনি জীবিত নন এবং কারো আব্বু। ও আল্লা! পরে দেখি আপনার বিয়াই হয় নাই, মানে আপনি জীবিত।
তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।
তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।
না রে ভাই, সেই কপাল আর হল কোথায়? কিছু কিছু দুর্দশাও সৌভাগ্য।
তবে হ্যাঁ, বৌ নামজ জিনিসটা বাইপাস করে বাচ্চা-কাচ্চায় চলে যেতে পারলে ভাল হত। সময় যত খারাপই যাক না কেন, তা ভাল করে ফেলার জন্য একটা শিশুর সাথে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর মত কিছু নেই।
নাহ্, রোববার দিন রাত বিরাইতে অফিস আইসা চুরি কইরা একটু সচলায়তন খুইলা বসলাম। পোলাপাইনের লিখা পইড়া না লগায়া পারলাম না।
তা, বানিজ্য মেলায় বানিজ্য তাইলে ভালই হইতেছে! ভাল ভাল!! আহা বড়ই আনন্দের সময় গুলান ছিল!
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
রোববার দিন অফিসে কেন?!! ছুটিনা?
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
খাইছে।
আর আমার দুঃখ বালক বালক চেহারা দেখে ছোট্টরাও তুমি তুমি বলে।
যাও বাবু দুঃখ কোরো না। একদিন তুমিও বড় হবে।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
Well begun is half done ...... কিন্তু চালকের উপর নির্ভর করে গাড়ি কোনদিকে যাবে।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
নির্মলেন্দু গুণের সঙ্গে দেখা করতে গেছে ২০০০-এর প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক গোলাম মোর্তোজা। পলাশীতে গুণের বাসায় গেলেই তখন এক দঙ্গল পিচ্চিকাচ্চা দেখা যেত। তারা গুণের সাদা দাড়ি, চুল, গায়ের জামা ধরে ইচ্ছেমতো টানা হেঁচড়া করত, উত্পাত করত ঘরের মধ্যে। গুণ পরম স্নেহে সেগুলো সহ্য করতেন।
মোর্তোজা বলল, গুণদা, এগুলা কারা?
গুণদা ঠোঁট উল্টে বললেন, এই আশপাশের সব ঘরের বাচ্চাকাচ্চা, আমার এইখানে আইসা মনের আনন্দে বানরামি করে...
একটু থেমে উদাস ভঙ্গিতে যোগ করলেন, আমার নিজেরও আছে বোধহয় দুই একটা...
---------------------------------------------
রাজাকার আলবদর নিপাত যাক!
জয় বাংলা আমার থাক!
--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'
খাইসে! আসে পাশের ঘরে দুই একটা নিজের !!!! ঘটনা তো প্যাচ লেগে গেল।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
আহারে, একটা পুলা বা মাইয়ার জন্য মনটা কেমন কেমন করে!
(আসলে পুলা বা মাইয়ার মার জন্য। তারেই তো পাইলাম না, পুলা/মাইয়া পামু ক্যামনে)
-------------------------------------
হাত বাঁধা, কিন্তু দড়ি মুক্ত - হায় পৃথিবী!
-------------------------------------
হাত বাঁধা, কিন্তু দড়ি মুক্ত - হায় পৃথিবী!
ব্যাপার না আপনার হবে।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
মজা হইছে লেখা।
০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০
"আমার চতুর্পাশে সবকিছু যায় আসে-
আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা!"
___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
০০
একটা 'আস্তকমেন্ট' করেছিলাম, 'নৈটিক' গোলযোগে হারিয়ে গেল। আবার করি।
০১
আমি ঠিক বুঝছি না যে সবাই এরকম হাসি-তামাশা-মশকরা করছে কেন। ব্যাপারটা আমার কাছে বেদনাদায়ক, স্পর্শ ভাইয়ের স্ত্রী বিয়োগেও আমি এর চেয়ে বেশি দুঃখ পেতাম না (যদিও দুর্মখেরা বলেন, ভাগ্যবানের মরে বউ, দুর্ভাগার গরু)। এই মন্দার বাজারে রেডিমেড বাচ্চা সহ এঞ্জেল বউ হারিয়ে যাওয়া যে কী দুঃখের...
০২
স্পর্শ ভাই এত গোলাপ কিনেন কেন ? এর আগের কোন লেখাতেও জানি গোলাপ কেনার কথা পড়েছিলাম
অলমিতি বিস্তারেণ
অলমিতি বিস্তারেণ
একমাত্র তুমিই আমার দুঃখটা বুঝলা।
এইটাও সেই আগের ঘটনারই সাব ঘটনা।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
এইসকল বিবর্তন ভালু...খুব ভালু।
তুমি থেকে আপনি... আংকেল থেকে আব্বু... ভাইয়া থেকে সাইয়া। খালি খিয়াল রাইখেন সাইয়া থেকে কাছের অথবা দূরের যেকুনু প্রকার দেবরে কিংবা ভাসুরে যেন পরিণত না হন।
---------------------------------------------------------
দুঃখ তোমায় দিলেম ছুটি...
বুক পাঁজর আজ ফাঁকা।
দুঃখ বিদায় নিলেও সেথায়...
দুঃখের ছবি আঁকা।
দৃশা
---------------------------------
বিষণ্ণতা, তোমার হাতটা একটু ধরি?
---------------------------------
বাঁইচ্যা আছি
আমি ভাইয়া থেকে সাইয়া হতে চাইইইই!!!
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ভাইসাব তো পুরা ফাটায়া দেখসেন (এবং লেখসেন)
ব্যাপকস।
---------------------------------
বিষণ্ণতা, তোমার হাতটা একটু ধরি?
---------------------------------
বাঁইচ্যা আছি
নাহ্ তেমন আর দেখলাম কোথায়।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
আমি মনে হয় এখনও ছোটই আছি, তাই না... এখনও কেউ বাপ, চাচা ডাকে নাই। বাবা হওয়য় আপনার জন্য সমবেদনা।
=============================
হুম সমবেদনা দেও।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
সবগুলোতেই দারুন মজা পেলাম।
তবে আসলেই রেডিমেড বাচ্চাসহ বৌ পাইলে ভালই হইত !
ব্যাপার না খুঁজতে থাকেন ভাইয়া, পরী মিলে যাবে।
----------------------------------
--------------------------------------------------------
দোয়া কর ছোট্টবন্ধু দোয়া কর।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ব্যাপক মজার
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস
আমার স্ত্রী সন্তান বিয়োগের ঘটনায় মজা পাবার তীব্র প্রতিবাদ!!
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
- হান্ডি পাতিলের দোকানের সামনে খাড়াইতে মঞ্চায়।
আপনের এঞ্জেল আর তার মায়ের (মতান্তরে আপনার হোলেও হোতে পারতো রেডিমেড ইয়ে) প্রস্থানে যারপরনাই কষ্ট পাইলাম।
স্কুলের শেষের দিকে খালি মনে হতো শালার সবাই কি কানা নাকি, দেখে না যে আমি বড় হইছি? এখন একা একা বাসে চড়তে পারি! প্রথম কোথায় আপনি শুনেছিলাম নে নাই। তবে এইটা মনে আছে যে সময়টারে ইউরেনিয়াম দিয়া ঘেরা কোনো ডিব্বায় ধরে রাখতে চাইছিলাম!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
জর্মনদেশে হাড়িপাতিলের দোকান নাই?
যাক আরেকজন সমব্যাথী পাওয়া গেল।
আসলেই প্রথম 'আপনি' শুনতে ভালো লাগে! আর খারাপ লাগে শেষ 'তুমি' হারাতে। এখন লাস্ট ফেজের দিকে যাচ্ছি।
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
রাস্তাঘাটে লোকজন এখনও আমারে "ইয়াং ম্যান" কইয়া ডাকে! পিচ্চিরা কয় "আঙ্কেল"। তবে ইউনিভার্সিটিতে পড়া পোলাপানরেও "আঙ্কেল" ডাকে পিচ্চিরা - সেইটাই রীতি এইখানে। অতএব আমি এখনও ভীষণ যুবক
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
যৌনদুর্বলতায় ভুগছি দীর্ঘকাল। দুর্বল হয়ে পড়ি রূপময়ী নারী দেখলেই...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু?
আপনি হইলেন ভীষণ 'দূর্বল' যুবক। তা ঐ দেশে হাড়িপাতিলের দোকান আছে তো? দুর্বলতা কাটান কি করে?
....................................................................................
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
আমি আপনার সাথে একাত্বতা পোসন করছি। 'আব্বু' হতে পারলে মন্দ হয় না...
দারুন মজা পেলাম।
জীবনে পরথম আন্টি হইছি ৫বছর বয়েসে।
হা:হা:
ধারাবাহিক বিবর্তন বড়ই চমকপ্রদ হইয়াছে!
পড়ে মজা লাগলো খুব।
[বিষন্ন বাউন্ডুলে]
নতুন মন্তব্য করুন