আজকাল পৃথিবীটা বোঝা বড় দায় হয়ে উঠেছে।
কেন বলছি এ কথা?
একটু বিশদ ব্যাখ্যা করতে হয় তাহলে।
বিজ্ঞান পড়েন এমন অনেক লোক আছেন। কিন্তু বিজ্ঞান পড়েন ও বিজ্ঞান ভালোবাসেন এমন মানুষের উদাহরণ ধীরে ধীরে কমে আসছে। সৌভাগ্যবশত, ভালোবেসে বিজ্ঞান পড়েন, এমন কয়েকজন মানুষকে বন্ধু হিসেবে পেয়েছি। সচলায়তনে স্পর্শ নিকে লেখেন তানভীরুল ইসলাম, এদের মাঝে অন্যতম।
গত বছর স্টিফেন হকিং এর লেখা ‘দ্য গ্র্যান্ড ডিজাইন’ বইটি প্রকাশিত হবার পর অনেক সারা ফেলে বিশ্বব্যাপী। স্পর্শ তখন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুরে রিসার্চ অ্যাসিস্টেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। পদার্থবিদ্যা নিয়ে ওনার আগ্রহ অসীম, বইটা পড়ে উনি সেটা সাথে সাথেই অনুবাদ করা শুরু করেন, এবং সেই অনুবাদ মুক্তমনা ব্লগ সাইটে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
উল্লেখ্য, একই সময়ে সচল আশরাফ মাহমুদ ও বইটি অনুবাদ করা শুরু করেন, তবে এরা একে অন্যের অনুবাদ কর্মের ব্যাপারে অবগত ছিলেন না। দুজনেই পৃথক ভাবে অনুবাদ শেষ করেন।
যারাই অনুবাদ কর্মের সাথে পরিচিত আছেন, তারা জানেন, অনুবাদ করা একটি কষ্টসাধ্য কাজ।
শুধু আরেকটি ভাষা থেকে লেখার আক্ষরিক অনুবাদ করাতেই কষ্টটা সীমাবদ্ধ না, লেখার মূল ভাব বজায় রাখা, প্রয়োজনীয় রেফারেন্স দেয়া থেকে শুরু করে বিজ্ঞানবিষয়ক টার্ম গুলোর সঠিক পরিভাষা খুঁজে বের করা, নির্ঘন্ট যোগ করা, সব মিলিয়ে কাজটা শ্রমসাধ্য এবং কষ্টকর।
এই কাজটি তানভীরুল ইসলাম করেছেন, করেছেন অনেক যত্ন নিয়ে, বিজ্ঞান ভালোবাসেন বলে, বাংলায় বইটি পঠনযোগ্য হোক এই ইচ্ছা থেকে। কোনো ব্যবসায়িক অভিলাষ ওনার ছিলো না। সে কারণে বহু প্ররোচনা সত্বেও এটি বই আকারে প্রকাশ করা নিয়ে ওনার গড়িমসি ছিলো। শেষমেশ টুটুল ভাইয়ের কল্যাণে ‘শুদ্ধস্বর’ থেকে এটি প্রকাশ করতে উনি রাজি হন, এখন এর পান্ডুলিপি সম্পাদনা চলছে।
আজ ফেইসবুক মারফত অবগত হলাম, জনৈক এন. সি. দাস নামক ব্যক্তি ‘দ্য গ্র্যান্ড ডিজাইন’ বইটির অনুবাদ নিজের নামে পিডিএফ করে বিভিন্ন ব্লগে আপলোড করেছেন। শুধু তাই নয়, উনি প্রকাশক খুঁজছেন, ‘ওনার’ করা অনুবাদ কর্ম টি প্রকাশ করবার জন্যে। বলাই বাহুল্য, ওনার অনুবাদটি, মুক্তমনায় প্রকাশিত তানভীরুল ইসলামের অনুবাদ ‘দ্য গ্র্যান্ড ডিজাইন’ এর সবগুলো পর্বের একটা কম্পাইলেশন।
এই চরম অভদ্র (ভদ্র আর বলি কি করে) বঙ্গ সন্তানটির খোঁজ দিয়েছেন সচল আশরাফ মাহমুদ, যিনি নিজেই গ্র্যান্ড ডিজাইন অনুবাদ করেছেন। উনি ভেবেছিলেন লোকটা ওনার লেখা চুরি করেছে, পরে মিলিয়ে দেখে বুঝতে পারেন এটি তানভীরুল ইসলামের অনুবাদের কপি।
যা হোক, এবার আসি কেন পৃথিবী বোঝা দায় হয়ে উঠেছে সেই প্রসঙ্গে।
এই এন সি দাস ছেলেটি এ আই ইউ বি নামক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। তার বিষয় দেখছি তড়িৎ প্রকৌশল। বিভিন্ন ব্লগে ইনি নিজের পরিচয় দিয়েছেন বিজ্ঞানের সাধনায় উৎসর্গীকৃত প্রাণ হিসেবে।
বিজ্ঞানের এ সাধকটিকে দেখে মনে প্রশ্ন জাগে, যদি বিজ্ঞান এতই ভালো লেগে থাকে, অনুবাদটি নিজে করলে ক্ষতি কি ছিলো? অন্যের কাজ নিজের নামে চালিয়ে দিয়ে, মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো বিতরণ করতে হবে?
একজন শিক্ষিত মানুষ, কোনো দ্বিধা ছাড়া, প্রকাশ্য দিবালোকে অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালাচ্ছে, এবং বই আকারে প্রকাশ করার জন্য প্রকাশক খুঁজছে। কেমন করে সম্ভব?
জগৎ বড়ই রহস্যময়। বিজ্ঞানীরা যত সে রহস্য উন্মোচনের উপায় খুঁজছে, এন সি দাসেরা ততই রহস্য আরো ঘোট পাঁকিয়ে তুলছে।
তাই বলি, পৃথিবীটা বোঝা বড় দায় হয়ে উঠেছে।
[পুনশ্চঃ নমুনা হিসেবে একটি স্ক্রিনশট জুড়ে দিলাম, আরো গোটা বিশেক স্ক্রিনশট জি. এম. তানিম যোগাড় করেছেন, বিভিন্ন ব্লগে এন সি দাসের অনুবাদ যজ্ঞের খবর বিষয়ক, পোস্টের শিরোনামটিও তানিম ভাইয়ের দেয়া, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।]
মন্তব্য
অপশিক্ষিত চোরটিকে একটা থাপ্পড় মারতে ইচ্ছা করতেছে!!!!
(কিছু বিষয়ে আমি নিম্ন শ্রেণির প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়ি। অশোভন আচরণের জন্য দু:খিত।)
স্পর্শ ভাই, এরে ছাড় দেবার দরকার নাই, মামলা করে দেন!!!
কি আশ্চর্য! ছাপায় দিতে চায় নিজের নামে? পোলাটার কলার মুচড়ায় ধরে কানপাট্টির তলায় খিঁচে থাবড় দেয়া দরকার দুইটা।
আপনারা যেমন নানা ফ্রন্ট থেকে ছেলেটার কার্যকলাপ উদ্ঘাটিত করে দিচ্ছেন, সেটা ভালো। জলদিই ব্যাটা বুঝতে পারবে, কী রকম 'দ্য গ্রান্ড কিচাইন' এ ফেঁসেছে!
সচলায়তনে দুটি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে:
১। কপি, প্রিন্ট, সেইভ এজ, রাইট ক্লিক বন্ধ করা হচ্ছে।
২। ফ্লাশ ভিত্তিক পিডিএফ এমবেডিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
তা ভালোই হয়েছে, কিন্তু রাইট ক্লিক বন্ধ করে এখন আর নতুন ট্যাবে কিছু খুলতে পারছি না
।
কমেন্টে লিংকই বা করবো কী করে? অন্য কোন উপায় আছে?
১। নতুন ট্যাব = Control + Click
২। কমেন্টে Control + V
Context menu রিপ্লেস করে কিছু ফাংশন এনে দেয়া যায়। এই পদ্ধতি আরো রিফাইন করা হবে।
আপনার ভাষার যা ছিরি! এই জ্ঞান নিয়ে আপনি প্রকাশক খুঁজছিলেন?
নিজের ওয়েবসাইটে লিখে রেখেছেন "Stay true to yourself " আর এদিকে এমন জঘন্য কাজ! কেমন ভুল এইটা? আপনি বুঝেন নাই যে অন্যের লেখা নিজের নামে চালানো কত বড় অন্যায়? আবার বই ছাপাতে চান?
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
মন্তব্য লাফাং
, পইড়া মনে হইতেছে মামু রে ঝাড়িটা দিতাছেন 
থেংকু স্বাধীন ভাই। মন্তব্যের লাফাং-ঝাপাং এর কথা আর বইলেন না।
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।
ইয়ে মুর্শেদ ভাই, দুইটা মন্তব্য করেছিলাম। আপনাকে করা মন্তব্য হারিয়ে গিয়েছে।
ঐটা ছিল: "Control + Click দিয়ে ট্যাব খোলা যায়! আরে, নতুন একটা জিনিস শিখলাম।"
আর অন্য মন্তব্যটা ছিল চোরের উদ্দেশ্যে।
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
ধন্যবাদ মুর্শেদ ভাই।
রাইট ক্লিক এনেইবল করা হয়েছে।
সাধুবাদ ভাইয়া। কিন্তু কোট করতেও দেন!!!!!!
ও ভাইজান
চুরি ঠেকাতে এমন ব্যবস্থা করলেন যে একন লেখা কোট করার জন্যও কপি কত্তে পারি না
এর সমাধান কী হবে?!
কপি করতে পারলে তো কপি প্রোটেকশন রেখে কোনো লাভ নাই। দুটা কনফ্লিক্টিং রিকোয়ারমেন্ট। হয় কপি পেস্টিং ঠেকাতে হবে নইতে কোটিং করা পদ্ধতি বদলাতে হবে।
কোট না করে রেফারেন্স ব্যবহার করুন। প্রিন্ট পদ্ধতির বইয়ের ক্ষেত্রে কি করেন? অমুক বইয়ের অমুক পৃষ্ঠার অত প্যারা থেকে রেফারেন্স দেন। সেরকম ভাবে বলবেন http://www.sachalayatan.com/suranjana/39255 লেখার দ্বিতীয় প্যারার তৃতীয় লাইন। ইত্যাদি।
সরি। কিন্তু আমার মনে কপি প্রোটেকশন বেশী জরুরী।
অসৎ কপি পেস্টিং ঠেকাতে হবে, এটা তো ঠিকই জাজ্বল্যমান। কিন্তু ভাইয়া রেফারেন্স পদ্ধতিতে কোট করা মনে হয় খুবই কষ্টসাধ্য হবে। প্যারা গণনা, তারপর লাইন গণনা! এমন পদ্ধতি বের করতে পারলে মনে হয় ভালো হত যাতে ওটাও ঠেকানো যাবে আবার কোট করাও অপেক্ষাকৃত সহজ হবে!
আমার মাথায় দুটো আইডিয়া আসল, লেখার বডিতে প্রতি নতুন লাইনের শুরুতে লাইন নাম্বার যুক্ত করা যেতে পারে(প্রোগ্রামিং সফ্টওয়ারে যেমন থাকে), বডির ইন্টারফেসটা কিছুটা পরিবর্তন করা লাগতে পারে, রেফারেন্স পদ্ধতিতে কোট করা মন্তব্যকারীর জন্য সহজ হবে।
আরেকটি যেটা করা যেতে পারে তাহল বডিকে লাইন-কলাম ম্যাট্রিক্সে ভাগ করা যেতে পারে, কোন অক্ষরে কার্সর রাখলেই তার পজিশন দেখাবে এরকম। আর তখন বর্তমান কোটের অপশনাল দুটি আর্গুমেন্ট যোগ করা লাগবে তা হল মন্তব্যকারী যতটুকু কোট করতে চায় তার শুরুর ম্যাট্রিক্স পজিশন আর শেষের পজিশন। মন্তব্যকারী এ দুটো দিয়ে দিলেই ইমপ্লিসিটলি কোটেড হয়ে যাবে এরকম, পুরো কন্টেন্ট কপি করার দরাকার হবে না।
অনভ্যস্ত বিষয়ে আইডিয়া বললাম, হাস্যকর মনে হতে পারে-হলে অগ্রিম দু:খিত।
@এস এম মাহবুব মুর্শেদ: এটা কোন সমাধান না। শুধু শুধু ভালো মানুষেরা বিরক্তির মুখামুখি হবেন। কারণ ফায়ার-ফক্সে (এবং খুব সম্ভবত সব ব্রাউজারেই) ইচ্ছা করলেই "কনটেক্টস মেনু রিপ্লেসমেন্ট" ডিজেবেল করে দেয়া যায় Javascript বন্ধ করে দিয়ে। ফায়ার-ফক্সে তো সরাসরি অপশনই দেয়া আছে Options->Content->Enable JavaScript->Advance->Disable or Replace context menus অপ্ট আউট করে দিলেই এই কপি প্রটেকশন পদ্ধতি আর কাজে আসবে না।
এটা ঠিক যে এটা ফুলপ্রুফ কোনো মেথড না। কিন্তু খানিকটা বাঁধার সৃষ্টিতো হবে ঠিকই।
জাভা স্ক্রিপ্ট বন্ধ করে দিব্যি করা যায়। তাছাড়া আমার ফায়ারফক্সে সিলেক্ট করলে অটো কপি হয়ে যাওয়ার অপশন আছে, আমি জাভা স্ক্রিপ্ট চালু রেখে-ও কপি করতে পারছি!
আসলে এভাবে হবে না। সবার সচেতনতা দরকার।
১। দেশে এই সম্পর্কিত আইনের কী অবস্থা? আইনী পদক্ষেপ নিয়ে কতো সময়ে কতটুকু কী করা যায়?
২। সবগুলো বাঙলা ব্লগ মিলে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া দরকার। ওপেন আইডির মতো করা যায়? কপি-পেস্ট বন্ধের ব্যাপারে (শুধু মাত্র লেখক বা ব্লগার নিজে করতে পারবেন) নীতিমালা করা দরকার।
৩। ব্লগ-কর্তৃপক্ষকে এই ব্যাপারে আরেকটু সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে। যেমন- সচলায়তনে প্রকাশিত আমার একটি লেখা আমার ব্লগে আরেকজন প্রকাশ করেছিলো, পরে আমি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে মুছিয়েছি; অথচ অন্যত্র আমার আরেকটা কবিতা মোছাতে পারি নি।
৪। আমরা পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারি। অনেকে একাধিক ব্লগে লিখেন, ফলে নানা পোস্ট পড়া হয়। যেমন- আমার ব্লগে আমার লেখা কপি হওয়ার খবর দিয়েছিলেন সচল নীড় সন্ধানী; সচল স্পর্শের ক্ষেত্রে আমি। এভাবে বেশ ভালো একটি জাল সৃষ্টি করা যাবে।
৫। প্রকাশকদের উচিত আন্তর্জালে খোঁজখবর নেয়া, যেকোনো কিছু প্রকাশের আগে।
==============================
হা-তে এ-ক প্র-স্থ জো-ছ-না পা-ড়ে-র ঘ্রা-ণ
খোমাখাতা
সামুতে চোরের ব্লগটা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার নিজের ব্লগে দেখছি...
মনে হয় স্পর্শের বইটা এই ছোকরা নিজের নামে ছাপিয়েও দিতে পারে।
এই ঘটনার ব্যাপক প্রচার দরকার।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
এন সি দাস চোর! নামটা দেখে চরণ দাস চোরের কথা মনে পড়লো!
লাল গানে নীল সুর, হাসি হাসি গন্ধ
সুজন্দা, একটা কার্টুন হলে মন্দ হতো না এন সি দাস কে নিয়ে।
ঐ কার্টুন না আবার কেউ চুরি করে ফেলে !!
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
I am sorry for that. It has all done by mistake.
এরচেয়ে হাস্যকর যুক্তি আর কী হতে পারে!!!!!!!
আপনি-ই কি আমাদের আলোচ্য NC সাহেব? বাংলা টাইপ করতে পারেন না, দুই বাক্যের ইংরেজী লিখলে তাতে একখানা আজব গঠনের বাক্য থাকে, আর ইংরেজী বইসুদ্ধ ধরে বাংলায় অনুবাদ করে ফেললেন???
ভুল করে সরি বললে মাফ করে দেয়াই যেতো হয়তো, তবে যে কর্মটির কথা বলা হয়েছে সেটি জেনেশুনে করা অপরাধবিশেষ। ভুল আর অপরাধ সমার্থক নয় এবং জেনেশুনে করা অপরাধীকে ক্ষমা করলে ক্ষতি ছাড়া লাভ হয়না।
নাচোন কোদন দাশ,
খাইছে আমারে, পুরা বইডা আফনে ভুলে অনুবাদ কইরা লাইছেন? কন কী? ভাই আমারে একটু শিখাইবেন নি? আফনেরে চুরি করা বহুত মাল দিমুনে বিএনপি বস্তির তে আইন্যা। দিবেন ভাইডূ????????????????
এই লাইনটার অর্থ কী। হকিং সাহেবের মূল বইয়ে পেয়েছিলেন নাকি??
আপনে আমার ছড়া মুছে ভালো করেন নাই:
চোর এন চি
দিমু খামচি
কুম্ভীলক তুমি বড্ড বেহায়া
কপি-পেস্ট বন্ধ করো বায়া
কুম্ভীলক এন সি দাস
কপি-পেস্ট করে ঠাসঠাস
কীবোর্ড কলমে হবে না বদমাশ
তোর জন্য দরকার তৈলাক্ত বাঁশ
==============================
হা-তে এ-ক প্র-স্থ জো-ছ-না পা-ড়ে-র ঘ্রা-ণ
খোমাখাতা
==========================================================
ফ্লিকার । ফেসবুক । 500 PX ।
এন সি দাস?
মানে কী? নবীন চোরা দাস?
তাইলে তো ঠিকই আছে। ওয় চুরি করব না তো কি ডাকাতি করব?
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
লীলেন দা আপনার খুশী হবার কারণ নাই। সাকিন সুন্দরবন লিখে গুগুলে সার্চ দেন কিছু একটা পেতেও পারেন।
...........................
Every Picture Tells a Story
চাঁদের নিজের আলো নেই বলেই না সূর্যের কাছে আলো ধার করে। এটি পিউর সায়েন্স। মানব সমাজে টাকা-পয়সা ধার-কর্যের প্রচলন থাকলেও কারো অনুবাদ ধার করে নিজের নামে চালানোর প্রচলন নেই বলেই না ভুল পথে পা দেয়া বেচারা সি এন দাসের
এনসি চোরারে ফোন করছিলাম... রিসিভ করলো না... তার সঙ্গে একটু বাতচিত করার খায়েশ ছিলো... আহারে... কতো কষ্ট কইরা অনুবাদটা করছে... বেচারা
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
দ্রুত খ্যাতির লোভে পড়লে যা হয় আরকি...!!!
ছি ছি ছিঃ কি অবলীলায় এইসব লোক চুরি করে!!
-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'
আস্ত একটা বই গাপ করে ফেলতে চাইলো "নির্লজ্জ চোরা" !!!!!! এই ব্যাটা কী খায় যে লজ্জাশরম এইভাবে লোপ পাইসে !!!
পোস্টটার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
এ ধরনের জোচ্চুরির ভিকটিম হবার পরে সবাইকে সঙ্গে পেয়ে ভালো লাগছে। গতকাল সকালে ব্যাপারটা দেখে খুবই ডি মোরালাইজড হয়ে গেছিলাম। আসলেই সময় এসেছে এসব বিষয়ে অর্গানাইজড ভাবে সতর্ক হবার।
ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...
এআইইউবির পোলাপান্দের কাছে তাদের ইউনি বিশ্বের সেরা ইউনি। এরা বুয়েটকে পর্যন্ত পাত্তা দেয় না। যত্তোসব বান্দরের দল। স্পর্শ ভাইকে বিশেষ অনুরোধ, চোরের উপর রাগ করে ডিমোটিভেটেড হবেন না ভাই। একটা কাজ করেন, বেশি কষ্টসাধ্য হবে না, এই চোরের অপকর্ম নিয়ে ওদের ইউনির ভিসিকে অবগত করে একটা চিঠি দেন, কাউন্সিলগুলোকে কপি দিয়ে। তেনারা সৎ হলে এন্সি চোরাকে রাস্টিকেট করে দেবেন। আর তেনারা যদি রিয়্যাক্ট না করেন, ছোট্ট একটা প্রেস কনফারেন্স করে দিয়ে থেমে যান। তারপর দেখবেন খেলা!
------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।
আমার মনে হয় এই ছেলে সত্যি AIUB-এর ছাত্র হলে, রাতঃস্মরণীয়'দার করা সাজেশন ফলো করা উচিত। কোন স্টুডেন্ট যদি এরকম ছোটলোকি কাজকর্ম করে, তা ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের জানা দরকার এবং তাদেরও উচিত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।
___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।
রাতঃ ও যাযাভাই, আমি একটু দ্বিমত করছি।
প্রথমত, সত্যি কি ছেলেটা AIUB এর স্টুডেন্ট? এইটা ১০০% নিশ্চিত না হয়ে অভিযোগ করাটা মুশকিল হবে।
দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগের চেয়ে বরং তাকে সামাজিক শাস্তি দেওয়া হোক। বাধ্য করা হোক অপরাধের বয়ান লিখতে এবং তা ব্লগে প্রকাশ করতে। ভেবেন না যে চোরের সাফাই গাচ্ছি, আমার কাছে রাস্টিকেট করার থেকে অনলাইনে তাকে নাকে খৎ দেওয়ানোটা বেশি কার্যকরী মনে হচ্ছে। তার ফেইসবুক প্রোফাইলে স্ট্যাটাস হিসেবে অন্তত একমাস তার কুকীর্তির বিস্তারিত বিবরণ নিজেই দিক। নাহলে আরো কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। অন্যান্য চোরা ব্লগার/ফেইসবুকের পোলাপান তখন বুঝবে যে পার পাওয়া এত সহজ না।
---------------
@ রাতঃস্মরণীয় ভাই:
সবাই তো আর এক রকম না। কেউ কেউ আছে ভাব মারে, আবার ভালো ছাত্র-ছাত্রীও আছে। একজন চুরি করেছে দেখে সবাইকে বান্দরের দল বলাটা ঠিক হল না। যেখানে আপনি নিজেও নিশ্চিত না চোর এআইইউবি -তে পড়ে। আমি তার নেটওয়ার্কে American InT School দেখেছি। চোরের ইংরেজির যা ছিরি তাতে করে বোঝা যায় সে ঐ স্কুলের না। এর আগে সুহাস ভাইয়ের আরেকটা চোর বিষয়ক পোস্ট ছিল। চোর ছিল বুয়েট পড়ুয়া। কিন্তু আপনিই বলেন এজন্য সব বুয়েটের পোলাপানের উপর রাগ ঝাড়া কি যৌক্তিক?
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
Fahim Bhai, I came to know from this blog that NC is a student of AIUB; I don't have any idea whether this information is correct. But I can tell you that the arrogance is shown by the AIUB students is, may not be 100, but largely true. My first cousin is a AIUB student and I often meet many of his mates at home, and I see the AIUB students quite often as my office is behind this uni. I have not seen such pride and arrogance in the students of NSU or others. I may be wrong. To make my statement clear, I have meant the group of arrogant students by 'Bandor', not all the students of AIUB, but my articulation was not very well done in the comment.
Sorry for writing in English. I am using a temporary office laptop.
------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।
আপনি যদি বাংলা লিখতে ফনোটিক পদ্ধতি ব্যবহার করেন তাহলে সচলে কোন সফটঅয়্যার ব্যবহার করা ছাড়াই বাংলা লিখতে পারেন।
মন্তব্য বাক্সে ক্লিক করে কীবোর্ড থেকে CTRL+ALT+P চাপুন।
অনেক ধন্যবাদ দ্রোহী ভাই। এই দারুন বিষয়টা জানতাম না বা কখনো খেয়াল করা হয়নি। শুধু ফোনেটিকই না, বিজয় লে-আউটও কাজ করছে। দারুন।
------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।
NC এর মন্তব্য পড়ে ঠা ঠা করে হাসলাম খানিক। এরে গামছা পরায়ে কাকলী মোড়ে কান ধরে ওঠবস করানো উচিৎ। ফাজিল জানি কোথাকার!
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
ওরে সুনা NC, চাবকায়া কানপট্টি থিকা তালপট্টি করিডোর পর্যন্ত গরম কইরা ভেংচি দিয়া কমু - It has all done by Miss. Take ... কুক্কুরুক্কুক্কু ...
এতোদিন ছবিচোর দাবড়াইছি, এখন দেখি পুরা আস্ত বইচোর আয়া পড়লো দেশে! পেটে বিদ্যাওয়ালা পোলাপাইনের এই অবস্থা হইলে ক্যাম্নেকী????
==========================================================
ফ্লিকার । ফেসবুক । 500 PX ।
এত্ত বড় পুকুর চুরি !!! চোররে সাত দিন কান ধরে ওর ভার্সিটির করিডোরে দাঁড় করিয়ে রাখা দরকার ।
মার্ক টোয়েনের বহুল প্রচারিত ঘটনাটা মনে পড়লো। বুকশেলফের অভাবে বইপত্র মেঝেতে ছড়ানো দেখে বন্ধুর প্রশ্নের উত্তরে বলেছিল, বই যেভাবে যোগাড় করেছি, শেলফ সেই পদ্ধতিতে যোগাড় করা যায় নি।
এই পোলার কান্ড দেখে মনে হচ্ছে প্রকাশকটা পান্ডুলিপির মতো সহজ উপায়ে যোগাড় করতে না পেরে বিপাকে পড়েছে।
বিষয়টা যাচাই করার জন্য তার আসল পরিচয় উদঘাটন করে দৈনিক পত্রিকায় ছাপিয়ে দেয়া উচিত চোরের নামটা।
-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?
আমি অবশ্যই চোরটাকে (এন সি বেটার কথা বলছি) সমর্থন করছি না। চোরটার শাস্তি হওয়া দরকার এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত কান ধরে। কিন্তু স্টিফেন হকিং এর যে বইটা মূল অনুবাদক/রা অনুবাদ করলেন, সেটার কি অনুমতি আছে? বিখ্যাত লেখকদের বই এর গ্রন্থস্বত্ত থাকে বলে শুনেছি এবং এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ করতে হলে অনুবাদক এবং প্রকাশক এর অনুমতির প্রয়োজন হয় বলে পড়েছি। দয়া করে এই বিষয়ে কেউ বলবেন? নাকি মূল ইংরেজী বইটার কোনো গ্রন্থস্বত্ত নেই? বাংলা লেখার অনভ্যাস থেকে অনেক বানান মনে হয় ভূল হোয়ে গেলো, চেষ্টা করছি শুধরে নেওয়ার।
সব কিছু কি থেমে গেল নাকি?
একটা রিমাইন্ডার দিলাম।
নতুন মন্তব্য করুন