ইস্টার দ্বীপের ( রাপা নুই) বিশালাকার মোয়াই মূর্তিগুলো নিয়ে মানুষের জল্পনাকল্পনার শেষ নেই, বিশ্বের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন এলাকা- প্রশান্ত মহাসাগরের এক রত্তি দ্বীপটিতে কি করে এমন শত শত মূর্তি ( ৮৮৭ টি) নির্মাণ করা সম্ভব হল এবং সেগুলো পরিবহণ করা হয়েছিল তার গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা খুঁজে ফিরেছে বিজ্ঞানীদের দল দশকের পর দশক, অবশেষে এত বছরের নিবিড় গবেষণার ফলে প্রাপ্ত অনেক ফলাফলের মাঝে একটি হয়ত জানাচ্ছে আমাদের সেই রহস্যের চাবিকাঠি!
১৭২২ সালের ইস্টার সানডে তে ইউরোপিয়ান নাবিকরা এই ক্ষুদে দ্বীপটা আবিস্কার করার পরে দানব মূর্তি গুলো দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে স্থানীয়দের প্রশ্ন করেছিল- এই মূর্তিগুলো কি করে তাদের বর্তমান জায়গায় আসল? উত্তর এসেছিল- নিজেরাই হেঁটে হেঁটে! প্রায় ৩০০ বছর পার হয়ে গেলেও সেই প্রশ্নের শতভাগ গ্রহণযোগ্য উত্তর আমাদের মিলে নি, এখনো ইস্টার দ্বীপের আদি বাসিন্দাদের বংশধরদের প্রশ্ন করলে একই উত্তর মিলে- তারা আপনা থেকেই হেঁটে হেঁটে এসেছে!
এই নিয়ে এসেছে অনেক মতবাদ, হাজারো ব্যাখ্যা- এরিক ফন দানিকেনের ভিনগ্রহের আগন্তক ব্যাখ্যা থেকে থর হেয়ারডালের ল্যাতিন আমেরিকান অভিবাসী হয়ে পলিনেশিয়ান কারিগর- কিছুই বাদ নেই বলা চলে ( ভাগ্যিস গ্যাভিন মেনজিস বলে নি মূর্তিগুলো চাইনিজদের তৈরি!) কিন্তু আসল সত্য কোনটি যার সন্ধানে লেখা হয়েছে শত শত বই, তৈরি হয়েছে একের পর এক তথ্যচিত্র, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের পত্রিকায় যে কতবার এসেছে ইস্টার আইল্যান্ড টা মনে হয় সম্পাদক সাহেবেরও খেয়াল নেই, নির্মিত হয়েছে হলিউডের চলচ্চিত্র। এই ভাবেই সারা বিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় এবং সেই সাথে ভ্রমণার্থীদের কাছে আরাধ্য গন্তব্য হয়ে উঠেছে এই ক্ষুদে আগ্নেয় দ্বীপ।
এখন পর্যন্ত ইস্টার আইল্যান্ড নিয়ে নির্মিত প্রায় সবগুলো তথ্যচিত্রই দেখা হয়েছে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ( কারণ আর কিছুই নয়, অন্য অনেকের মতই আমাকে যদি সুযোগ দেওয়া হয় একটি মাত্র জায়গা দেখার, স্কুল জীবন থেকেই সেই জায়গাটি ইস্টার দ্বীপের জন্য বরাদ্দ) এবং এখন পর্যন্ত রহস্যঘেরা এই দ্বীপ নিয়ে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সেরা তথ্য চিত্রটি নির্মাণ করেছেন প্রিয় মুখ ডেভিড অ্যাটেনবোরো, যার নাম Lost Gods of Easter Island, সেখানে যদিও ডেভিড এই দ্বীপের আদি অধিবাসীদের তৈরি কাঠের দেবতা মূর্তি নিয়ে আলোকপাত করেছেন কিন্তু সেই ফাঁকেই জানিয়ে দিয়েছেন মোয়াই গড়ার কারণ, অধিবাসীদের সংস্কৃতি, ফিগ্রেট পাখির অনুকরণে পাখিমানব উৎসবের কথা ইত্যাদি।
আর বাকী তথ্যচিত্রগুলোতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই রহস্য ঘনীভূত করার চেষ্টা, আসলে কারা ছিল সেই মোয়াই নির্মাতারা টা নিয়ে বৃথা জল ঘোলা করা, আর সব শেষে খানিকটা রহস্য রেখে দেওয়া ইচ্ছে করেই, মনে হয় এমনটা না করলে দর্শক এগুলো খায় না!
সেই সাথে শত শত বইয়ের মাঝে বিশেষ ভাবে নজর কেড়েছিল কনটিকি অভিযানের জনক থর হেয়ারডালের The Art of Easter Island বইখানা, পেল্লাই সাইজের,এ-৪ পাতার সংখ্যা ৫৫০! যদিও সেটি ভর্তি ছিল ইস্টার দ্বীপের আদিবাসীদের তৈরি নানা শিল্পকর্মে, মূলত ভাস্কর্যের আলোকচিত্রে। এছাড়া রয়েছে তার বিখ্যাত বই আকু-আকু।
যাই হোক, নানা ধরনের গবেষণা চালিয়ে ( ভাষাগত, প্রত্নতত্ত্ব, জেনেটিক্স- ডি এন এ ম্যাপিং) শত ভাগ নিশ্চিত হয়েছেন মোয়াই নির্মাতারা পলিনেশীয়, অন্য দ্বীপ থেকে তারা সাগর পাড়ি দিয়ে ইস্টার দ্বীপে এসেছিল, ল্যাতিন আমেরিকা থেকে নয়, তাদের সাথে ইনকাদের কোন সম্পর্ক নেই।
সেই সাথে এটুকুও তারা প্রমানে সক্ষম হয়েছেন যে সেই প্রাগৈতিহাসিক আমলে ব্যবহৃত যন্ত্র দিয়েই দ্বীপের অধিবাসীরা আস্ত পাথরের চাই কেটে মোয়াই তৈরি করতে পারত, কিন্তু তাতে কেবল দরকার ছিল ব্যপক জনশক্তির এবং অঢেল সময়ের।
সেই সাথে প্রমানে সক্ষম হয়েছেন এক সময়ে মিলিয়ন মিলিয়ন পাম জাতীয় গাছে আচ্ছাদিত ছিল সারা দ্বীপ কিন্তু মানুষের প্রথম আবির্ভাবে পর থেকে বৃক্ষশূন্য হতে হতে বিরান তৃণভূমিতে রূপান্তরিত হয় সমস্ত এলাকা, এর কারণে হিসেবে এত দিন কিন্তু দায়ী করা হত সেই মোয়াই মূর্তিগুলোকেই, ধারণা করা হত মূর্তিগুলো পরিবহনের কাজেই সমস্ত গাছ পর্যায়ক্রমে কর্তন করা হয়েছিল। কিন্তু এখন মনে করা হচ্ছে দ্বীপটি বৃক্ষশূন্য হবার পিছনে মানুষের চেয়ে অনেক বেশী ভূমিকা মানুষের নৌ যাত্রার সাথী হিসেবেই আসা পলিনেশিয়ান ইঁদুর! এর সর্বভুক প্রাণীগুলো পাম গাছের ফল খেয়ে অতি ধীর গতিতে বাড়া এই গাছের বংশবিস্তার এবং অঙ্কুরোদগমের সম্ভাবনা সম্পূর্ণ রূপে বিনাশ করে দেয়। ফলশ্রুতিতে অবশ্যম্ভাবী ধীর গতিতে বৃক্ষ শূন্য হতে থাকে ইস্টার দ্বীপ।
সেই সাথে নতুন প্রাপ্ত উপাত্তের ভিত্তিতে মনে হয় ইস্টার দ্বীপে প্রথম মানুষ এসেছিল ১২০০ সালে ( আগে মনে করা হত ৮০০ সালে), তার মানে মাত্র পাঁচশ বছরের মাঝে বসতি স্থাপন করা কিছু মানুষ বিশ্বের বিস্ময় মোয়াই গুলো নির্মাণ করে সারা দ্বীপের বিভিন্ন জায়গায় স্থাপনে সমর্থ হয় ( মনে করা হচ্ছে তাদের আলাদা আলাদা গোত্রের মাঝে বিশাল থেকে বিশালতর মোয়াই তৈরির প্রতিযোগিতা চলছিল, মোয়াইগুলো হয়ত তাদের সর্দার বা কোন দেবতার প্রতিমূর্তি) , এক পর্যায়ে বেঁধে গিয়েছিল গৃহযুদ্ধ, গোত্রে গোত্রে দন্ধের ফলে উল্টে দেয়া হয় বেশ কিছু মূর্তি। এবং থেমে যায় মোয়াই নির্মাণ, ইউরোপিয়ানদের পদার্পণের পরে নতুন করে কোন মূর্তি নির্মিত হয় নি।
১৯৫৫ সালে থর হেয়ারডালের সাথের গবেষকদল ১৩ ফুট লম্বা, ১০ টনের এক মোয়াইকে গাছের গুঁড়ির উপরে শুইয়ে, বেঁধে তা জনবলের সাহায্যে বহনের চেষ্টা করেন। তারা নিজেরা সেই আমলের প্রাচীন প্রযুক্তি ব্যবহার করে খনির শিলা থেকে একটি প্রমাণ আকারের মোয়াই কুঁদে বাহিরও করেন। যদিও জনৈক ইস্টার দ্বীপবাসী থরকে বলেছিলেন- স্যার, আপনি সম্পূর্ণই ভুল পথে চিন্তা করছেন।
১৯৭০ উইলিয়াম মুল্লই দাবী করেন হয়ত তিনকোণা কাঠামো থেকে একটি মোয়াইকে বেঁধে ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে বহন করা হয়েছিল।
১৯৮৬ সালে চেক দেশের প্রকৌশলী পাভেল , থর হেয়ারডালের সাথে যৌথ মিশনে মাত্র ১৭ জন মানুষের সাহায্যে ১৩ ফুট লম্বা, ৯ টন মোয়াই বেশ কিছু দূর বহন করতে সক্ষম হন ডানে- বামে মুচড়ে মুচড়ে ( টুইস্ট), কিন্তু এতে মোয়াইটির গোঁড়ার দিকে ক্ষতি হয়।
১৯৮৭ সালে মার্কিন প্রত্নতত্ত্ববিদ চার্লস লভ গাছের গুঁড়ির রোলার ব্যবহার করে রোলারের উপরে গাছের স্লেজের উপরে মোয়াই স্থাপন করে মাত্র ২ মিনিটে ১৪৮ ফুট বহন করতে সক্ষম হন।
১৯৯৮ সালে জো অ্যানে ভ্যান টিলবুর্গ পলিনেশিয়ানরা যেভাবে বিশালকায় ক্যানু পরিবহণ করত, সেই পদ্ধতি অনুকরণ করে গাছের গুঁড়ির উপরে মোয়াই স্থাপন করে টেনে টেনে পরিবহণ করে দেখান
অবশেষে গত বছর ২০১১ সালে টেরি হান্ট এবং কার্ল লিপো চমকপ্রদ তথ্য প্রমাণ নিয়ে হাজির হন, তারা প্রমাণ করে দেখান যেহেতু মোয়াইগুলো পেট বেশ স্থুল করে তৈরি করে, তাই সেগুলো D –র মত সামনের দিকে ঝুকে থাকে, আর সেগুলো খুব অল্প জন বল নিয়ে তিন দিক থেকে দড়ি দিয়ে বেঁধে, বিশেষ কায়দায় ভারসাম্য রক্ষা করে খুব সহজেই হেলে-দুলে সামনে দিকে নিচে যাওয়া সম্ভব। এতে পিছন দিক থেকে একটি দল শক্ত করে দড়ি ধরে মোয়াইটি পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে, আপন স্থুল পেটের কারণে মোয়াই এমনিতেই ১৪ ডিগ্রী সামনের দিকে ঝুলে থাকে, তখন দুই দিকে, ডান ও বাম থেকে দুই দল পর্যায়ক্রমে দুলিয়ে দুলিয়ে অবস্থান পরিবর্তন করে সামনের দিকে এগোতে থাকে, ফলে দেখে মনে হয় মোয়াইগুলো নেচে নেচে বা আপনা থেকেই হেঁটে সামনের দিকে এগোচ্ছে!! এইখানে ভিডিও
তাহলে দ্বীপবাসীরা কি ঠিকই বলেছিল- মোয়াইরা এসেছিল হাঁটতে হাঁটতে!
এইখানে ৫টি পদ্ধতির ভিডিও দেখানো হয়েছে--
টেরি হান্ট এবং কার্ল লিপো আরও বলেছেন তাদের ধারণা ইস্টার বাসীরা নরখাদক ছিল না, এর আগে নরমাংস ভোজনের প্রমাণ হিসেবে দেখানো ধারালো পাথরের অস্ত্রগুলো আসলে ব্যবহৃত হত কৃষিকাজে। সেই সাথে তারা এও দাবী করেন আসলে ইস্টার দ্বীপ ছিল মানুষের প্রাচীনতম Suntainable কৃষিকাজের উদাহরণ। কিন্তু অন্য বিজ্ঞানীরা মনে করেন গৃহযুদ্ধের কারণে তারা স্বজাতির হত্যা করে খাওয়ার রীতি চালু করেছিল। পরবর্তীতে দাস ব্যবসায়ীদের খপ্পরে পড়ে মানুষ পাচার হতে হতে ১৮৭৭ সালে ৬৩ বর্গ মাইলের দ্বীপটির জনসংখ্যা এসে দাঁড়ায় ১১১ জনে! পরে ১৮৮৮ সালে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলি ( যা কিনা ২১৫০ মাইল দূরে অবস্থিত) এই দ্বীপটি দখল করে নেয়, যদিও ১৯৫৩ সালে পর্যন্ত এটি মূলত একটি স্কটিশ কোম্পানির ভেড়ার খামার হিসেবেই ব্যবহৃত হত। আজ দ্বীপটির মূল উপার্জনের ভিত্তি কিন্তু পর্যটন, এবং তার কেন্দ্রে আছে সেই মোয়াইরা। আর এই দ্বীপে বসবাসকারী ৫০৩৪ জন মানুষ অপেক্ষা করছে স্বায়ত্তশাসনের।
তাহলে কি সমাধান ঘটল সকল রহস্যের? আমরা জানি না এখনো, অনেক দ্বীপবাসীর মতেও কোনদিনই সমস্ত রহস্যের সন্ধান পাওয়া যাবে না, কারণ সব কিছু জানা হয়ে গেলেই মোয়াইদের এবং রাপা নুই-এর জাদু শেষ হয়ে যাবে!
( রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত বই এবং পত্রিকারগুলোর নাম লেখার মধ্যেই আছে, ছবিগুলো নেট থেকে সংগৃহীত। যারা ইস্টার দ্বীপ নিয়ে আরও জানতে ইচ্ছুক তারা হিমু ভাইয়ের এই সিরিজ পড়ে দেখতে পারেন।
আর কয়েক বছরের মধ্যে নিজেই যেতে পারলে মোয়াই আকারের পোস্ট দিব, রাপা নুইয়ের কসম)
মন্তব্য
হুমমম । এই তাহলে কাহিনী । মারাত্মক বুদ্ধি । তারেক ভাই, আপনি এত্তকিছু খোঁজ খবর রাখার সময় কোথায় পান বলেনতো ?
আরে ভাই, এটা তো সবচেয়ে প্রার্থিত জায়গা!
facebook
এরকম একটা লেখার অপেক্ষা করছিলাম, কদিন আগেই দেখলাম আবার নজরে এসেছে এই বিষয়টি। মাটি খনন করে এই মূর্তিগুলোর দেহের নিচের অংশ বের করা হয়েছে, তাই নিয়েই চলছে গবেষণা। লেখা ভালো হয়েছে।
----------------------------------------------------------------------------------------------
"একদিন ভোর হবেই"
দৌড়ের উপরে লেখা, পড়ে বিস্তারিত লেখতে হবে---
facebook
খুব ভালো লাগলো অণু। (গুড়)
হাবু বেশ বড়সড়,গাবুটা তো পিচ্চি
হেরে গিয়ে হাবু বলে--উৎসাহ দিচ্ছি!
কি ব্যাপার ভাইজান, আপনি উধাও মাঝখানে!
facebook
অণু ভাই কি অলিম্পিক এনার্জি প্লাস বিস্কুট খান? এত বিভিন্ন বিষয়ে লিখার টাইম পান কই? আপনে যে জ্বিন এই বিষয়ে আমি আবারও জোরালো মত ব্যক্ত করসি কালকে রাতের সচলাড্ডাতে
লিখা দারুন হইসে, হিমু ভাইয়ের পুরান লিখার লিঙ্কের জন্যও থ্যাঙ্কু.
..................................................................
#Banshibir.
সচলাড্ডা , লিয়ে লিব পরের বার!
জ্বিনদের নিয়ে একটা লেখা দিব নাকি?
facebook
লিয়ে লেন মামুর বুটা লিয়ে লেন
হ জ্বিন নিয়া সিরিজ দেন, আপনেরে নিয়া জানতে মন চায়.
..................................................................
#Banshibir.
নাকি ডকিন্সের জিন নিয়ে দিব!
আড্ডার বর্ণনা আর ছবি কোথায়?
facebook
আপাতত খানাদানায় ব্যাপক বিজি. পোস্ট আইবো পরে, উচ্ছলা ম্যাডাম চরম উদাস মেহবুবা ভাবি কেউনা কেউ দিবে. ধৈয্য ধরেন.
..................................................................
#Banshibir.
আপনি বাদ গেলেন যে বড়!
facebook
জিন !! বলেন কি ? তাড়াতাড়ি দেন । আপনার হাত থেইক্কা জিন !!! তর সইতেছে না ।
facebook
তাহলে দ্বীপবাসীদের ধারনাই সঠিক? মোয়াইরা এসেছিল হেটে হেটে! ভিডিও চরম লাগল! প্রাচীন মানুষের অসাধারণ একটি কীর্তি জানা হল আজ! রোমাঞ্চকর লেখাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ, অণু ভাই!
হয়ত তাই, আসলে লোককথায় সন কিংবদন্তীর কিছু না কিছু সুত্র থেকে যায়।
facebook
অপেক্ষা ছিল আপনার এই পোস্টের। অনেক কিছু জানা হলো। তারপরও, কিছু রহস্য রহস্যই থাকুক। তাতেও আছে ভিন্ন স্বাদের মজা।
হুম জীবন আর বেঁচে থাকার চেয়ে বড় রহস্য আর কিছু আছে কি !!
খুব তাড়াহুড়ো করে লিখলাম, একবার যেয়ে নি, অনেক বড় করে পোস্ট দিব
facebook
জানার কোন শেষ নাই, সদাই তাহার প্রমাণ পাই।
অনেক ভালো পোস্ট অনু দা।
যাবেন নাকি এ দ্বীপে নাকি অনেক আগেই যাওয়া আছে।
নাহ আপনারে কইয়া তো লাভ নাই।
যাব, যাব! অনেক দিন ধরেই পিলান করে যাচ্ছি===
facebook
রজনিকান্ত কাঁধে করে বয়ে নিয়ে গিয়েছিল; এই গবেষণা কেউ করে নাই?
facebook
চমৎকার লেখা এবং তথ্য।
যেখানে সেখানে জীন খুঁজে বেড়িয়ে লাভ নেই অণু। জীন সব বন্দী হয়েছে কেরুর বোতলে। স্বদেশে এসে বোতল খুলে ওদের সাথে দেখা করতে হবে।
------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।
কেরু এন্ড কোং! তাহলে কি আপনার দর্শন দর্শনাতেই পাব?
facebook
হ্যাঁ, কেরু এন্ড কোং। তবে ভায়া আমার দেখা দর্শনায় মিলবে না; এলে তবে বলবো।
------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।
ফেসবুকে যদি একটু রিকু পাঠাতেন আর কি---
facebook
খাল কেটে বড় ভেলায় করে আনা হয়েছিল, পরে খাল বুজিয়ে দেয়া হয়।
!!! কোথায় পেয়েছেন এই তথ্য, নাকি মস্করা করলেন?
facebook
চমৎকার- (গুড়)
সমুদ্র উপকূলে এতগুলো আজব মূর্তি কী বাইরের বিশ্বের মানুষ(নাবিকদের) ভয় দেখানোর জন্য বসানো হয়েছিল । আসিস না- আইলে খাইয়া ফালামু টাইপ...
না!! , এগুলোর মুখ ফেরানো ছিল ডাঙ্গার দিকে---
facebook
ঈস্টার দ্বীপের ওপর সর্বশেষ তত্ত্ব পড়েছিলাম, প্রত্নতত্ত্ববিদ সোনিয়া হাওয়া প্রস্তাব করেছেন, মোয়াই নির্মাণ সংস্কৃতি ম্যাচিওর করার পর পাথরের খনি থেকে মোয়াই নিয়ে সাগরে বিশাল ভেলার সাহায্যে বহন করে দ্বীপের বিভিন্ন অংশে স্থাপন করা হতো। এ কারণে দ্বীপের পরিধি বরাবর মোয়াইয়ের আধিক্য বেশি, এবং অপেক্ষাকৃত নতুন মোয়াইগুলো (নির্মাণশৈলী দেখে মোয়াইয়ের বিভিন্ন পিরিয়ড নির্ধারণ করা হয়েছে) সব সৈকতসংলগ্ন এলাকায় দাঁড় করানো।
ভিডিওতে দেখলাম সমতল রাস্তায় মোয়াই হাঁটানো হচ্ছে। কিন্তু যে এলাকায় পাথরের কোয়্যারি, সেটা থেকে দ্বীপের পরিধি এলাকায় পথ কিন্তু যথেষ্ট বন্ধুর। মোয়াইকে এভাবে দাঁড় করিয়ে চড়াই আর উৎরাই পুরোটা পার করানো যাবে কি? কাঠের গুঁড়ির ওপর রেখেও কিন্তু মোয়াইগুলো শায়িত অবস্থায় টানা হতো।
সর্বশেষ মানে কবে, কারণ যে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের রেফারেন্স দিয়েছি সেটা কিন্তু চলতি মাসেরই!
ইস্টার দ্বীপের চারপাশে যে বিক্ষুদ্ধ সাগর, সেখনে দ্বীপবাসিরা ক্যানু নিয়ে মাছ ধরতে যাওয়া পর্যন্ত ঠিক আছে কিন্তু এত এত মোয়াই একটা নির্দিষ্ট বন্দর পর্যন্ত পরিবহণ করে সেখান থেকে ভেলায় নিয়ে আবার ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় পৌঁছানো---- খুব সুবিধের মনে হচ্ছে না ।
নতুন মোয়াইগুলো যেগুলো সাগরতীরে স্থাপন করা হয়েছে সেগুলো কি সবই আহুর উপরে দাঁড়ানো? তাহলে অন্য বাখ্যাও থাকতে পারে।
শেষের পয়েন্টটা গুরুত্বপূর্ণ, দেখা যাক বিজ্ঞানীরা কি বলে, আবার দেখে গেল তারা বেশ লম্বা লম্বা পথ করে নিয়েছিল মোয়াই পরিবহনের জন্য!
facebook
কয়েক বছরের পুরোনো তত্ত্ব। আর মোয়াই তো সবই আহুর ওপর দাঁড় করানো।
দ্বীপের পরিধি বরাবর ক্যানোতে করে মোয়াই পরিবহন খুব একটা কঠিন কিছু নয়। বরং ঈস্টারের ভূরাজনীতি বিবেচনা করলে, সেটাই বেশি সহজ। যেহেতু ঈস্টার দ্বীপটা পিজার টুকরোর মতো একেক গোষ্ঠীর মধ্যে ভাগ করা ছিলো, আর পাথরের কোয়্যারি ছিলো একটিই, তাই সেখান থেকে অন্য সব গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণাধীন সৈকতে মোয়াই নিতে গেলে অনেক আনবাড়ি পেরোনোর ঝামেলা ছিলো। সাগরপথে সে সমস্যা নাই।
তবে অনেক রকম তত্ত্বের মতো এটাও একটা তত্ত্ব। বেশ কনভিন্সিং আর কি। আমার ধারণা, অনেকগুলো পদ্ধতি একেক সময়ে এবং একেক গোষ্ঠীর মধ্যে চালু ছিলো। সময়ের সাথে রিসোর্স ডিপ্লিশনকে মাথায় রেখে ঈস্টারের লোকেরা ক্রমশ এফিশিয়েন্ট পদ্ধতি আবিষ্কার করে থাকতে পারে।
অনেক অনেক ঝামেলা! কিন্তু এই মাসের জিওগ্রাফিকে এমন ভাবে লিখেছে যে রহস্য উদ্ঘাটন শেষ, মলাটেও এই কাহিনী! দেখা যাক নতুন আর কিছু জানা যায় কিনা নিকট ভবিষ্যতে--
facebook
শিরোনামে পরিবহণ > পরিবহন করে দিয়েন এক সময়।
facebook
অণুদা, কয়েকদিন একটু ঘাঁটাঘাটি করছিলাম রাপা নুই নিয়ে। উপরের কমেন্টের একটা পয়েন্ট একটু রেফার করতে চাই,
"ভিডিওতে দেখলাম সমতল রাস্তায় মোয়াই হাঁটানো হচ্ছে। কিন্তু যে এলাকায় পাথরের কোয়্যারি, সেটা থেকে দ্বীপের পরিধি এলাকায় পথ কিন্তু যথেষ্ট বন্ধুর। মোয়াইকে এভাবে দাঁড় করিয়ে চড়াই আর উৎরাই পুরোটা পার করানো যাবে কি?"
আপনি যে ভিডিওটার লিঙ্ক দিয়েছেন, মানে টেরি হান্ট আর কার্ল লিপো যেই অনুসন্ধানটা চালিয়েছিলেন, তার প্রামাণ্যচিত্রে কিন্তু ঠিকই এই পয়েণ্টটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আপাতভাবে মনে হতে পারে ইস্টার আইল্যাণ্ডের টেরেইনটা অনেক এবড়োথেবড়ো কিংবা বন্ধুর, কিন্তু স্যাটেলাইট ইমেজারি থেকে এই জিনিসটা অ্যাপারেণ্ট হয়ে উঠেছে যে পুরো আইল্যান্ডটারই(ইন মোস্ট অভ দ্য প্লেসেস) আপহিল স্লোপ ম্যাক্সিমাম ৩ ডিগ্রী আর ডাউনহিল স্লোপ ম্যাক্সিমাম ৬ ডিগ্রী। মোয়াই গুলোর বেজ টা ডি-শেপের হয়ার কারণে আর ১৪ ডিগ্রী ইঙ্কাইনেশনের কারণে এরকম টেরেইনের উপর দিয়ে ট্রান্সপোর্ট করে নেওয়ার কাজটা যতটা কঠিন মনে হচ্ছে অতটা হয়তো ছিলো না, কারণ সারফেসের কারণে যেই ফ্রিকশন হওয়ার কথা ইঙ্কলাইন্ড বেজের কারণে সেটা বেশ ভালোই নিউট্রালাইজড হয়ে যাওয়ার কথা।
অফ টপিকঃ সব লেখা পড়ে যাচ্ছি আপনার অণুদা। অলওয়েজ এ গ্রেট ইন্সপিরেশন, ইয় হ্যাভ বীন।
ইশতিয়াক।
কয়েক বছর পর এই দ্বীপে গেলে টানতে টানতে কয়েকটা মোয়াই এদিকে নিয়ে আসবেন। ওদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা আমি করবো।
সৌরভ কবীর
হ, আরামে আছে তো ! রজনিকান্তকে খবর দ্দ্যন--
facebook
৩০ নাম্বার কমেন্টে হিমুদার মন্তব্য কিন্তু জোস একটা তত্ত্ব।
আরও বিস্তারিত জানতে হবে--
facebook
আমার মনে হয় না এভাবে নেয়া হয়েছিল। যাই হোক বিস্তারিত পড়ে দেখি।
পুনশ্চ:
ছবির কপিরাইট বিষয়ে দুটি কথা:
১। এই ছবিগুলি যদি আপনার না তোলা হয়ে থাকে কিংবা আপনি কপিরাইট স্বত্ব না পেয়ে থাকেন তাহলে আপনি ফ্লিকারে আপনার একাউন্টে তুলতে পারেন না। এটা ফ্লিকারের TOS বিরোধী। মুক্ত ছবি হলে হয়তো পারেন, তাও সন্দেহ আছে।
২। ফ্লিকারে যদি তুলতেই হয় (যেমন- আপনি এই পোস্ট থেকে কোন আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন না সেই বিচারে), নীচে খুবই স্পষ্ট করে লিখে দেয়া দরকার যে ছবিগুলো কোথা থেকে নেয়া এবং কারা এর কপিরাইট হোল্ডার যাতে কারো এমনটা মনে না হয় যে ছবিগুলো আপনার তোলা।
আপনি যেটা করেছেন সেটা খুব বড় একটা অন্যায়--হয়তো বুঝতে পারছেন না।
দু:খিত এভাবে বললাম বলে। আশা করি পজিটিভলি নিবেন। আপনার যেহেতু অনেক পাঠক, মেধাস্বত্ব মানার ব্যাপারে আপনি অনেক পাঠককে প্রভাবিত করতে পারবেন।
ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ পিপিদা, ব্যাপারটি আপনি আগেও বলেছেন হয়ত আমি বুঝতে পারি নি। আসলে ফ্লিকার অ্যাকাউন্ট আমার কখনোই ছিল না, একমাত্র সচলে ছবি আপলোডের জন্য ফ্লিকারের দারস্থ হয়েছি, সেটার নিয়ম-কানুন আমার এখনো প্রায় কিছুই শেখা হয় নি। এখন মুশকিল হচ্ছে অধিকাংশ পোস্টেই চেষ্টা করি নিজের তোলা ছবি দেবার কিছু এই পোস্টটির মত কিছু পোস্টে বাধ্য হয়েই নেট থেকে ছবি নিতে হয়, আচ্ছা এই ক্ষেত্রে কি ফ্লিকার ছাড়া অন্য কোন মাধ্যম আছে?
শুধু উইকি না ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক থেকে কোন পোস্টের সব ছবি নিলে সেটা সহজেই উল্লেখ করি অবস্যি,কিন্তু বেশ কয়েকটা ভিন্ন ভিন্ন সোর্স থেকে ছবি নিলে, প্রতিটি নিচে রেফারেন্স দিলে কেমন ঘিঞ্জি হয়ে যায় মনে হয়, যে কারণে সবার শেষে নেট থেকে সংগৃহীত উল্লেখ করে থাকি। আশা করছি, একটি বিকল্প ব্যবস্থা জলদি পেয়ে যাব, আর কোন পরামর্শ থাকলে অবশ্যই অবশ্যই জানাবেন।
facebook
আমার পরামর্শ হচ্ছে সবগুলো ছবিরই সূত্র লেখার নিচে ক্রমানুসারে দিয়ে দেওয়ার।
------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।
সেটি ভাল বলেছেন, কিন্তু ধরেন লেখাতে যদি ২০টি ছবি ব্যবহার করি তাহলে সবগুলোর লিঙ্ক নিচে দিলে কেমন অদ্ভুত লাগবে না দেখতে?
facebook
অণু, এখানে অদ্ভুত লাগা কোন বিষয় না। ছবি নিলে তার সূত্র অবশ্যই উল্লেখ করা দরকার। সচলায়তনে এখন লেখার স্থানে খুব সহজেই ফুটনোট যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। একটু কষ্ট করে ছবিগুলো সূত্রও যোগাড় করে সেভ করে রাখতে হবে। লেখার সময় সেটা ছবির নীচে নীচে বা একেবারে নীচে সূত্র আকারে যোগ করে দিতে হবে।
অণু, এখানে অদ্ভুত লাগলেও কিছু করার নেই ভাইডি, সূত্র দিতেই হৈবো! এভাবেও মনে হয় দেওয়া যেতে পারে-
ছবিসূত্রঃ ১-৩, ৪, ৫, ৬-৮, ১২, ৯, ১০, ১১, ১৩, ১৯, ২১-২২,, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮, ১৭, ২০, ২৪, ২৩, ২৫
উদাহরণ দিলাম আর কি। পিপিদা কি বলেন?
------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।
কোন মাধ্যমই অন্যের ছবি আপলোড করার অনুমতি দেবে না।
হুম, তাহলে তালিকা করে দেওয়াটাই ভাল মনে হচ্ছে--
facebook
আপনি যেহেতু খুব বড় প্রতিষ্ঠানের ছবি নিচ্ছে (ন্যাট জিও) এবং নিচ্ছেন কেবল সচলায়তনে প্রকাশের জন্য, এটা নিয়ে আপনার হয়তো কোন ঝামেলা হবে না। তবে টু বি ফেয়ার, তালিকা দিয়ে সোর্স উল্লেখ করে দিন। এতে কেউ অন্তত প্লেইজারিজমের দায়ে আপনাকে দোষী করবে না।
ঠিকই বলেছেন, প্রথম থেকে স্বচ্ছ থাকা উচিত ছিল। যদিও উল্লেখ করেছি নেট থেকে, তারপরও আলাদা আলাদা ভাবে উল্লেখ করলেই সবার বুঝতে সুবিধে।
আর ভাল লাগে না, কবে যে জায়গাগুলো নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করে তাদের সবার ছবি নিজে তুলতে পারব
facebook
স্যার বুড়োর তথ্যচিত্রটা দেখে ইস্টার দ্বীপ নিয়ে মনের ভেতর জ্বলা রহস্যের আগুন ফুশ করে নিভে গেছিলো। এখন রহস্যটা না থাকলেও ইস্টার দ্বীপে যাওয়ার আগ্রহটা রয়েই গেছে।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
চলেন যায়গা----তারপার নানা মাদোল্ , তাহিতি
facebook
এই তাহলে মোয়াইদের হাঁটাহাটির রহস্য!
হয়ত---
facebook
লেখাটা বেশ হয়েছে। (গুড়)
অণুজ্বীনের পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
facebook
হাঁটাহাটি জোশ লাগল।লেখা বরাবরের মতই চমৎকার
নাকি টানাটানি!
facebook
মানুষের দড়ি টানাটানিতেই দেবতারা চলাফেরা করতে পারেন তা-ই আবার প্রমান হল। ছয় নম্বর ছবিটা দেখে বড়ই করুণ লাগল। পিছমোড়া করে বাঁধা হাত, চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া কোন বিপ্লবীর কথা মনে করায়। এরকম লোক শেষ পর্যন্ত মূর্তি হয়েই পূজা পায়।
ইস্টার দ্বীপে কিছু দিনের মধ্যেই তারেক অণুর মূর্তি আমি দিব্য দৃষ্টিতে দেখতে পাচ্ছি। ভালো থাইকেন বস...
এ ইউসুফ
মানুষের দড়ি টানাটানিতেই দেবতারা চলাফেরা করতে পারেন
facebook
facebook
লেখা ভাল লেগেছে দাদা।
আশা রাখি তুমি খুব তাড়াতাড়াই ওখানে পৌঁছে যাবে, আর লম্বা একটা পোষ্ট দেবে।
হ, আশায় আশায় জীবন গ্যাল---
facebook
আরে, এখন ব্যাগ গুছান যান! এই কি পোস্টাবার সময়?
কাল সকালে গুছামু! নো অরিস!
facebook
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
।ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট।
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।
ইস্টারের পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে একটা লেখা দেন না ভাই!
facebook
আইছে আরেকটা মিথ্রে ধ্বংস করতে। কেউ এরে থামান না ভাই। তবে এদের হাঁটানোর জন্য মানুষের প্রয়াস বেশ ভাল লাগল। বাচ্চাদের যেভাবে ওয়াকার দিয়ে হাঁটা শেখায় সেরকম কিছু তৈরি করেও এদের নিয়ে আসতে পারে। এইটা আমার আইডিয়া। পেটেন্ট করে রাইখেন।
যদি ভাব কিনছ আমায় ভুল ভেবেছ...
মিথ ধবংস করতে আসছে কে? পিটান---
facebook
আহা, ভাল লাগলো ইস্টার দ্বীপ আর মোয়াই নিয়ে লেখা।
কবে যে যাব
facebook
৯.১৬ গিগার বিবিসি লাইফ অন আর্থ নামালাম প্রায় একমাসের চেষ্টায়। আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। ইস্টার আইল্যাণ্ড এর উপর ডকুটা অবশ্য ইউটিউবে পাওয়া যায়। খুব যাওয়ার ইচ্ছে এসব জায়গায়। স্টোনহেঞ্জ। আন্দামান। কত কী করার আছে বাকি! গান শুনুন একটা।
অন্ধকার এসে বিশ্বচরাচর ঢেকে দেওয়ার পরেই
আমি দেখতে পাই একটি দুটি তিনটি তারা জ্বলছে আকাশে।।
এত কষ্ট না করে আমার এইখানে ঘুরে যান, ডেভিডের সব ডকু নামানো আছে, দিয়ে দেব কয়েক মিনিটেই! সেই সাথে ৫০০ গিবি আরও সব দারুণ কাজ। আর নাহলে পিলেন ভাড়া স্পন্সরের সিস্টেম দেহেন
দারুণ গান, ধন্যবাদ। জায়গার তো কমতি নাই, কোন ব্যাটা বলে পিথিমী ছোট! তবে একটা কথা, স্টোনহেঞ্জ এতদিনে মুখ তুলে তাকিয়েছে, সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার যখন সূর্য মাথার ঠিক উপরে থাকবে, তখন সেখানে থাকব।
facebook
যদি ভাব কিনছ আমায় ভুল ভেবেছ...
আবার কি হল !
facebook
মোয়াই সাপ্লাই ইন্সটলেশন সব চায়নীজরা করছে, এতে কোন সন্দো নাই
_______________
আমার নামের মধ্যে ১৩
facebook
নতুন মন্তব্য করুন